বড় সিদ্ধান্ত মোদী সরকারের! জাতীয় সড়ক নির্মাণে এবার শুরু হবে থার্ড পার্টি পর্যবেক্ষণ
নয়াদিল্লি: মোদী সরকার জাতীয় সড়ক ও এক্সপ্রেসওয়ের মান নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে (third-party)। প্রায় পাঁচ হাজার কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে ও হাইওয়ের নির্মাণকাজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত…
নয়াদিল্লি: মোদী সরকার জাতীয় সড়ক ও এক্সপ্রেসওয়ের মান নিয়ন্ত্রণে নতুন উদ্যোগ নিচ্ছে (third-party)। প্রায় পাঁচ হাজার কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে ও হাইওয়ের নির্মাণকাজ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তৃতীয় পক্ষের পরিদর্শন সংস্থার মাধ্যমে নিরীক্ষা করা হবে। সড়ক পরিবহন মন্ত্রণালয়ের পরিকল্পনা অনুসারে, এই কাজে ইঞ্জিনিয়ার্স ইন্ডিয়া লিমিটেডকে (ইআইএল) নিয়োগ করা হচ্ছে। প্রাথমিকভাবে তিন বছরের জন্য এই ব্যবস্থা চালু থাকবে।
পরিকল্পনায় রয়েছে ৭৭০ কিলোমিটার এক্সপ্রেসওয়ে, ২,২০০ কিলোমিটার ছয় (third-party )লেনের হাইওয়ে এবং চার লেন ও দুই লেনের জাতীয় সড়কের এক হাজার কিলোমিটার করে অংশ। পরিদর্শন শুধু শেষ পর্যায়ে সীমাবদ্ধ থাকবে না। কংক্রিটের প্রথম ঢালাই থেকে শুরু করে শেষ কিলোমিটার পর্যন্ত প্রতিটি ধাপ নজরে রাখা হবে। লক্ষ্য একটাই রাস্তা যাতে নির্মাণের পরপরই ফেটে না যায় বা খানাখন্দ না হয়।
আরও দেখুনঃ চলতি বছরেই রেকর্ড করল ভারত-আর্জেন্টিনার বাণিজ্য! ছাড়াল ৬.৫ বিলিয়ন ডলার
নেপালের বন্যার জের, উত্তরপ্রদেশের নদী থেকে ১০ জনের মৃতদেহ উদ্ধার
বর্তমানে তৃতীয় পক্ষের মান নিরীক্ষা মূলত স্বাধীন মান নিরীক্ষকদের মাধ্যমে হয়। (third-party)এঁদের অধিকাংশই অবসরপ্রাপ্ত সরকারি প্রকৌশলী, যাঁরা এনএইচএআইসহ বিভিন্ন সংস্থার প্যানেলে থাকেন। সমালোচকরা বলছেন, এই ব্যবস্থা অনেক সময় একই বৃত্তের মধ্যে ঘুরপাক খায়। মানের অভিযোগ ও অকাল ক্ষতির ঘটনা বাড়ায় সরকার নতুন ব্যবস্থা নিতে বাধ্য হয়েছে।সম্প্রতি প্রগতি বৈঠকে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী বিষয়টি তুলে ধরেছিলেন।
তিনি প্রশ্ন তুলেছিলেন, তৃতীয় পক্ষ যদি পুরনো ব্যবস্থারই নতুন নাম হয়, তাহলে কি চতুর্থ পক্ষের প্রয়োজন পড়বে? তাঁর কথায় স্পষ্ট, শুধু রিপোর্ট তৈরি নয়, প্রয়োজন এমন রাস্তা যা উদ্বোধনের পরপরই নষ্ট হয়ে যায় না। নির্মাণের প্রথম দিন থেকেই কঠোর নজরদারি চাই, খানাখন্দ হওয়ার পর সার্টিফিকেট নয়।
ইআইএল আগে গোল্ডেন (third-party)কোয়াড্রিলেটারাল প্রকল্পের সময় তৃতীয় পক্ষের মান যাচাইয়ের কাজ করেছিল। এবার তাদের দায়িত্ব হবে চুক্তি অনুসারে কারিগরি নির্দিষ্টকরণ ও মানদণ্ড মেনে কাজ হচ্ছে কি না, তা যাচাই করা। প্রতিটি অংশে একাধিক পরিদর্শন হবে এবং প্রয়োজনীয় সংশোধনের সুপারিশ দেওয়া হবে। খরচ সরকার বহন করবে।
দেশজুড়ে এক্সপ্রেসওয়ে ও জাতীয় সড়কের দ্রুত সম্প্রসারণ চলছে। গুণগত মান নিয়ে জনসাধারণের অভিযোগ বাড়ছে। কিছু প্রকল্পে নির্মাণের অল্প সময়ের মধ্যেই সমস্যা দেখা দিয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে স্বাধীন ও কার্যকর নিরীক্ষা ব্যবস্থা জরুরি হয়ে উঠেছে। প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের নির্দেশেই এই উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে বলে জানা গেছে।