১৫ সেকেন্ডেই গুঁড়িয়ে যাবে শত্রুর ট্যাঙ্ক! ভারতের হাতে আসছে আমেরিকার মারণাস্ত্র ‘জ্যাভলিন’
নয়াদিল্লি: কাঁধে তুলে লক্ষ্য স্থির করে শুধু বোতাম টেপার অপেক্ষা। তারপর সটান ১৫০ মিটার উঁচুতে উঠে শত্রুর ট্যাঙ্কের ঠিক মাথার ওপর নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানবে…
নয়াদিল্লি: কাঁধে তুলে লক্ষ্য স্থির করে শুধু বোতাম টেপার অপেক্ষা। তারপর সটান ১৫০ মিটার উঁচুতে উঠে শত্রুর ট্যাঙ্কের ঠিক মাথার ওপর নিখুঁত নিশানায় আঘাত হানবে সে। মাত্র ১৫ সেকেন্ডের মধ্যে ৪০ লক্ষ ডলারের আস্ত একটি যুদ্ধ-ট্যাঙ্ক পরিণত হবে জ্বলন্ত ধ্বংসস্তূপে! আধুনিক যুদ্ধক্ষেত্রের এই ‘গেমচেঞ্জার’ মারণাস্ত্রই এবার আসতে চলেছে ভারতীয় সেনার হাতে। দীর্ঘ ১৫ বছরের অপেক্ষার অবসান ঘটিয়ে অবশেষে আমেরিকার থেকে ঘাতক ‘জ্যাভলিন অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক গাইডেড মিসাইল’ (ATGM) কিনছে ভারত।
ভারতে নিযুক্ত মার্কিন রাষ্ট্রদূত সার্জিও গোর শুক্রবার এই খবরটিকে “বড় খবর” আখ্যা দিয়ে জানিয়েছেন, ভারত ও আমেরিকার প্রতিরক্ষা সম্পর্কের ইতিহাসে এটি একটি যুগান্তকারী পদক্ষেপ। আগামী দিনে ভারতের মাটিতেই এই মিসাইল যৌথভাবে তৈরি করার দরজাও এর ফলে খুলে গেল।
ফায়ার অ্যান্ড ফরগেট: রেথিয়ন এবং লকহিড মার্টিনের তৈরি এই মিসাইল ছোড়ার পর আর সেনাকর্মীকে গাইড করতে হয় না। এর ইনফ্রারেড সিকার শত্রুর ট্যাঙ্কের তাপমাত্রাকে (Heat signature) লক্ষ্য করে নিজে থেকেই আঘাত হানে।
টপ-অ্যাটাক সুবিধা: আধুনিক ট্যাঙ্কগুলি সামনে থেকে আঘাত সওয়ার জন্য তৈরি। কিন্তু জ্যাভলিন ট্যাঙ্কের সবচেয়ে দুর্বল অংশ অর্থাৎ মাথার ওপর থেকে সোজা নিচে আঘাত হানে, ফলে ধ্বংস নিশ্চিত।
খরচের ফারাক: একটি শত্রু ট্যাঙ্কের দাম যেখানে প্রায় ৩৩ কোটি টাকা, সেখানে মাত্র দেড় কোটি টাকার জ্যাভলিন দিয়েই তাকে ছাই করে দেওয়া সম্ভব।
প্রতিরক্ষামন্ত্রী রাজনাথ সিং এবং মার্কিন প্রতিরক্ষাসচিব পিট হেগসেথের মধ্যে দ্বিপাক্ষিক প্রতিরক্ষা সম্পর্ক গভীর করার যে চুক্তি হয়েছিল, তার ভিত্তিতেই এই পদক্ষেপ। জরুরি ভিত্তিতে (Emergency procurement) এই অস্ত্র কেনার জন্য ইতিমধ্যেই ভারতীয় সেনা সম্মতিপত্রে (LOA) সই করেছে।
ভারতীয় সেনা বর্তমানে পুরনো ফরাসি ও রুশ প্রযুক্তির অ্যান্টি-ট্যাঙ্ক সিস্টেম ব্যবহার করে। আড়াই থেকে প্রায় পাঁচ কিলোমিটার পর্যন্ত আঘাত হানতে সক্ষম তৃতীয় প্রজন্মের এই জ্যাভলিন মিসাইল হাতে এলে পাহাড়ি সীমানায় পাকিস্তান বা চিনের বিরুদ্ধে ভারতের ফায়ারপাওয়ার যে কয়েক গুণ বেড়ে যাবে, তা বলাই বাহুল্য।
মৃতদের ৯ লাখ, ক্ষতিগ্রস্তদের ৩০ হাজার! সবং পরিদর্শনে গিয়ে আর কী ঘোষণা শুভেন্দুর?
জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,