মিশরের আকাশে মুখোমুখি হয়ে রাফালকে ৭ গোল চিনা জে-১৬র
মিশরের আকাশে চিনা যুদ্ধবিমান জে-১৬ এবং (air combat)মিশরীয় রাফালের মধ্যে সিমুলেটেড বিমান যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘ঈগলস অফ সিভিলাইজেশন ২০২৬’ নামের যৌথ সামরিক মহড়ায় এই মুখোমুখি…
মিশরের আকাশে চিনা যুদ্ধবিমান জে-১৬ এবং (air combat)মিশরীয় রাফালের মধ্যে সিমুলেটেড বিমান যুদ্ধ অনুষ্ঠিত হয়েছে। ‘ঈগলস অফ সিভিলাইজেশন ২০২৬’ নামের যৌথ সামরিক মহড়ায় এই মুখোমুখি লড়াই চিনের জন্য এক বিরল সুযোগ তৈরি করেছে।
ভারতীয় বিমানবাহিনীও একই রাফাল যুদ্ধবিমান ব্যবহার করে বলে এই ঘটনা নয়াদিল্লির নজর এড়ায়নি।গত বৃহস্পতিবার শুরু হওয়া এই মহড়ায় চিনের পিপলস লিবারেশন আর্মি এয়ার ফোর্স (পিএলএএএফ) প্রথমবারের মতো আফ্রিকায় তাদের ভারী যুদ্ধবিমান জে-১৬ মোতায়েন করেছে।
আরও দেখুনঃ মৃত্যু মিছিল কি এড়ানো যেত? নেপালের মহাপ্রলয়ের ৫ মাস আগেই মিলেছিল সতর্কবার্তা!
চিনের জোরালো ভূমিকম্পে তিব্বতে ফাটল বাঁধ, নেপালে ফের হড়পা বানের সতর্কতা
নেপালে বন্যাত্রস্ত এলাকায় মৃতদেহ থেকে গয়না চুরি, ধৃত অভিযুক্তরা
প্রায় ছয়টি জে-১৬ বিমান, ওয়াইওয়াই-২০ ট্যাঙ্কার, ওয়াই-২০ পরিবহন (air combat)বিমান এবং কেজে-৫০০ আর্লি ওয়ার্নিং এয়ারক্রাফট নিয়ে চিনা দল মিশরে পৌঁছায়। প্রায় ছয় হাজার কিলোমিটার দূরত্ব অতিক্রম করে এই মোতায়েন চিনের দূরপাল্লার সামরিক সক্ষমতার পরিচায়ক হিসেবে দেখা হচ্ছে।মহড়ার প্রথম উড়ানের দিনে জে-১৬ বিমানগুলো মিশরীয় রাফাল এবং মিগ-২৯ যুদ্ধবিমানের বিরুদ্ধে ওয়ান-অন-ওয়ান এবং অন্যান্য ফরম্যাটে সিমুলেটেড এয়ার কমব্যাট পরিচালনা করে।
চিনা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যম সিসিটিভি এই প্রশিক্ষণের ফুটেজ প্রকাশ করেছে, (air combat)যেখানে উভয় পক্ষের বিমান কাছাকাছি দূরত্বে কৌশল প্রয়োগ করতে দেখা যায়। মিশরীয় প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ও সামাজিক মাধ্যমে অংশগ্রহণকারী বিমানের ছবি প্রকাশ করে এই মহড়ার শুরুর কথা জানিয়েছে।এটি জে-১৬ এবং রাফালের মধ্যে প্রথম পরিচিত প্রশিক্ষণ মুখোমুখি। চিনা বিশেষজ্ঞরা বলছেন, এতে দুই দেশের বিমানবাহিনীর মধ্যে পারস্পরিক আস্থা এবং সমন্বয়ের উচ্চ মাত্রা প্রতিফলিত হয়েছে।
জে-১৬ হল চিনের তৈরি ৪.৫ প্রজন্মের টুইন-সিট মাল্টিরোল যুদ্ধবিমান, যা রাশিয়ান সুখোই-৩০ পরিবারের ভিত্তিতে তৈরি। অন্যদিকে রাফাল ফরাসি ডাসো অ্যাভিয়েশনের তৈরি উন্নত যুদ্ধবিমান, যা নমনীয়তা ও প্রযুক্তির জন্য পরিচিত।ভারতের জন্য এই মহড়া বিশেষ গুরুত্ব বহন করে। ভারতীয় বিমানবাহিনীও রাফাল পরিচালনা করে।
যদিও মিশরের রাফাল এবং ভারতের রাফাল সম্পূর্ণ এক নয় অস্ত্র ব্যবস্থা, (air combat)অ্যাভিওনিক্স এবং কনফিগারেশনে কিছু পার্থক্য রয়েছে তবু চিনা পাইলটরা রাফালের বিরুদ্ধে প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ পাওয়ায় ভারত সতর্ক নজর রাখছে। সাম্প্রতিক বছরগুলোতে ভারত-চিন সীমান্ত উত্তেজনা এবং আঞ্চলিক সামরিক প্রতিদ্বন্দ্বিতার প্রেক্ষাপটে এই ধরনের তথ্য সংগ্রহ উভয় পক্ষের জন্যই গুরুত্বপূর্ণ।
চিন সামাজিক মাধ্যমে কিছু দাবি ছড়িয়েছে যে জে-১৬ রাফালকে ৭-১ ব্যবধানে পরাজিত করেছে। তবে কোনো সরকারি সূত্র বা বিশ্বাসযোগ্য প্রতিবেদনে এমন স্কোরের উল্লেখ নেই। বিশেষজ্ঞরা একে অতিরঞ্জিত দাবি বলে মনে করছেন। আনুষ্ঠানিকভাবে কোনো ফলাফল প্রকাশ করা হয়নি এবং মহড়া মূলত প্রশিক্ষণ ও সমন্বয়ের উদ্দেশ্যে পরিচালিত হয়েছে।