ফার্মা-মেডটেক গবেষণায় ৫,০০০ কোটি টাকা, দ্বিতীয় দফায় আবেদন চাইল কেন্দ্র
নয়াদিল্লি: ভারতের ফার্মাসিউটিক্যাল এবং মেডটেক গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতকে আরও শক্তিশালী করতে প্রমোশন অব রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন ইন ফার্মা অ্যান্ড মেডটেক (PRIP Scheme) স্কিম-এর অধীনে…
নয়াদিল্লি: ভারতের ফার্মাসিউটিক্যাল এবং মেডটেক গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতকে আরও শক্তিশালী করতে প্রমোশন অব রিসার্চ অ্যান্ড ইনোভেশন ইন ফার্মা অ্যান্ড মেডটেক (PRIP Scheme) স্কিম-এর অধীনে দ্বিতীয় দফায় আবেদনপত্র আহ্বান করল কেন্দ্র।
কেন্দ্রীয় রাসায়নিক ও সার মন্ত্রকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পের মোট আর্থিক বরাদ্দ ৫,০০০ কোটি টাকা। দেশের ফার্মা এবং মেডটেক ক্ষেত্রে গবেষণা ও উন্নয়নের পরিকাঠামোকে আরও শক্তিশালী করাই এই প্রকল্পের অন্যতম প্রধান লক্ষ্য।
স্টার্টআপ থেকে বড় সংস্থা, মিলবে গবেষণায় সহায়তা
পিআরআইপি স্কিমের মাধ্যমে দেশের গবেষণা ও উদ্ভাবন ব্যবস্থাকে আরও উন্নত করার পাশাপাশি সংস্থাগুলিকে নতুন প্রযুক্তি এবং পণ্যের উন্নয়নে উৎসাহ দেওয়া হবে। এই প্রকল্পের আওতায় স্টার্টআপ, ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প বা এমএসএমই এবং বড় সংস্থাগুলি আবেদন করতে পারবে। গবেষণা ও উদ্ভাবনের ক্ষেত্রে সংস্থাগুলিকে আরও উচ্চ পর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার লক্ষ্যেই এই আর্থিক সহায়তা দেওয়া হবে।
আরও পড়ুন: ৮,০০০ এমএএইচ ব্যাটারি নিয়ে ভারতে Realme P4S 5G, দাম ৩৪,৯৯৯
আরও পড়ুন: মেড ইন ইন্ডিয়ায় ফের ইতিহাস! দেশের সফল মহাকাশ অভিযানে ব্যবহার হচ্ছে দেশীয় সেমিকন্ডাক্টর চিপ
আরও পড়ুন: DRDO র বড় সিদ্ধান্ত! এবার দেশেই তৈরী হতে চলেছে টর্পেডো সাবমেরিন
দুই পর্যায়ে আবেদন করার সুযোগ
কেন্দ্র জানিয়েছে, দ্বিতীয় দফার আবেদনে মূলত দুটি ট্র্যাক রাখা হয়েছে। এর মধ্যে রয়েছে আর্লি স্টেজ এবং লেটার স্টেজ। অর্থাৎ গবেষণা ও উদ্ভাবনের তুলনামূলক প্রাথমিক পর্যায়ে থাকা প্রকল্পের পাশাপাশি পরবর্তী পর্যায়ে পৌঁছে যাওয়া প্রকল্পগুলিও এই স্কিমের আওতায় আবেদন করতে পারবে।
অনলাইন পোর্টালেই মিলবে আবেদনপত্র
মন্ত্রকের তরফে জানানো হয়েছে, পিআরআইপি স্কিমের অ্যাপ্লিকেশন ফর্ম এবং প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা ইতিমধ্যেই সংশ্লিষ্ট পিআরআইপি পোর্টালে উপলব্ধ করা হয়েছে। আবেদনকারী সংস্থা বা প্রতিষ্ঠানগুলি পোর্টালে গিয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য এবং নথি দেখে আবেদন করতে পারবে।
কেন গুরুত্বপূর্ণ এই প্রকল্প?
ভারতের ফার্মাসিউটিক্যাল শিল্প বিশ্ব বাজারে গুরুত্বপূর্ণ জায়গা করে নিলেও নতুন ওষুধ, চিকিৎসা প্রযুক্তি এবং মেডিক্যাল ডিভাইসের ক্ষেত্রে দেশীয় গবেষণা ও উদ্ভাবন আরও বাড়ানোর প্রয়োজন রয়েছে। ৫,০০০ কোটি টাকার এই প্রকল্পের মাধ্যমে গবেষণাভিত্তিক সংস্থা এবং শিল্পক্ষেত্রের মধ্যে যোগাযোগ বাড়ানোর পাশাপাশি দেশীয় প্রযুক্তি ও উদ্ভাবনকে বাণিজ্যিকভাবে আরও সফল করে তোলার সুযোগ তৈরি হতে পারে। কেন্দ্রের এই উদ্যোগের ফলে ভবিষ্যতে ভারতের ফার্মা এবং মেডটেক শিল্পে নতুন প্রযুক্তি, গবেষণা প্রকল্প এবং উদ্ভাবনী পণ্যের সংখ্যা বাড়তে পারে বলেই মনে করা হচ্ছে।