Xbox ডিস্ক-টু-ডিজিটাল ফিচার আসছে, ৩১ আগস্ট থেকে শুরু পরীক্ষা - 24 Ghanta Bangla News
Home

Xbox ডিস্ক-টু-ডিজিটাল ফিচার আসছে, ৩১ আগস্ট থেকে শুরু পরীক্ষা

Spread the love

কলকাতা: ফিজিক্যাল ডিস্কে কেনা এক্সবক্স (Xbox) গেমকে ডিজিটাল লাইব্রেরিতে যুক্ত করার নতুন সুবিধা আনছে মাইক্রোসফট। সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে, তাদের দীর্ঘদিনের জল্পনায় থাকা ‘ডিস্ক-টু-ডিজিটাল’ ফিচারটি আগামী…

কলকাতা: ফিজিক্যাল ডিস্কে কেনা এক্সবক্স (Xbox) গেমকে ডিজিটাল লাইব্রেরিতে যুক্ত করার নতুন সুবিধা আনছে মাইক্রোসফট। সংস্থাটি নিশ্চিত করেছে, তাদের দীর্ঘদিনের জল্পনায় থাকা ‘ডিস্ক-টু-ডিজিটাল’ ফিচারটি আগামী সপ্তাহ থেকে পরীক্ষামূলকভাবে চালু হবে। প্রথমে এক্সবক্স ইনসাইডার প্রোগ্রামের সদস্যরা এই সুবিধা ব্যবহার করার সুযোগ পাবেন। মাইক্রোসফটের পরিকল্পনা অনুযায়ী, ৩১ আগস্ট থেকে এক্সবক্স ইনসাইডারদের জন্য ফিচারটি চালু করা হবে। শুরুতেই হাজার হাজার এক্সবক্স গেম এই ব্যবস্থার আওতায় থাকবে। পরে আরও গেম এই তালিকায় যুক্ত করবে সংস্থা।

এক্সবক্সের প্রধান নির্বাহী আশা শর্মা বুধবার এই নতুন সুবিধার কথা ঘোষণা করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, ব্যবহারকারীদের ফিজিক্যাল গেম লাইব্রেরি শুধু কয়েকটি ডিস্কের সংগ্রহ নয়। বছরের পর বছর ধরে জমিয়ে রাখা গেম এবং তার সঙ্গে জড়িয়ে থাকা স্মৃতি সংরক্ষণ করারও প্রয়োজন রয়েছে। সেই বিষয়টিকে মাথায় রেখেই সমর্থিত ফিজিক্যাল গেমের জন্য ডিজিটাল এনটাইটেলমেন্ট দেওয়ার ব্যবস্থা করা হচ্ছে।

এই সুবিধা কীভাবে কাজ করবে, সেটিও জানিয়েছে মাইক্রোসফট। এক্সবক্স ওয়ানের অধিকাংশ এবং এক্সবক্স সিরিজ এক্স-এর ডিস্ক-ভিত্তিক গেম এই ব্যবস্থাকে সমর্থন করবে বলে জানিয়েছে সংস্থা। কোনও সমর্থিত গেমের ডিজিটাল এনটাইটেলমেন্ট পেতে ব্যবহারকারীকে প্রথমে গেমের ফিজিক্যাল ডিস্কটি এক্সবক্স ওয়ান অথবা এক্সবক্স সিরিজ এক্স কনসোলে ঢোকাতে হবে।

এরপর গেমটি চালু করলেই নির্দিষ্ট গেমের জন্য ডিজিটাল এনটাইটেলমেন্ট পাওয়ার প্রক্রিয়া শুরু করা যাবে। অর্থাৎ আগে ডিস্কে কেনা গেমটিকে নতুন করে ডিজিটাল সংস্করণ হিসেবে কিনতে হবে না, যদি সেটি নতুন ব্যবস্থার আওতায় থাকে। ডিজিটাল এনটাইটেলমেন্ট পাওয়ার পর ব্যবহারকারীরা ডিজিটাল গেমের বিভিন্ন সুবিধা পাবেন। সমর্থিত গেমের ক্ষেত্রে এক্সবক্স প্লে এনিহোয়ার এবং এক্সবক্স ক্লাউড গেমিং ব্যবহার করা যাবে।

Read More: মেড ইন ইন্ডিয়ায় ফের ইতিহাস! দেশের সফল মহাকাশ অভিযানে ব্যবহার হচ্ছে দেশীয় সেমিকন্ডাক্টর চিপ

তবে ফিজিক্যাল ডিস্কের গুরুত্ব পুরোপুরি শেষ হয়ে যাচ্ছে না। ডিস্কটি আগের মতোই কাজ করবে। ব্যবহারকারী চাইলে সেটি অন্য কাউকে দিতে, ধার দিতে অথবা বিক্রি করতে পারবেন।

অর্থাৎ ডিস্ক-টু-ডিজিটাল ব্যবস্থায় ফিজিক্যাল কপি থেকে ডিজিটাল সুবিধা পাওয়ার সুযোগ তৈরি হলেও আসল ডিস্কের মালিকানা বা সেটির ব্যবহার বন্ধ হবে না। এটি ব্যবহারকারীদের জন্য গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ অনেক গেমার এখনও ফিজিক্যাল গেম সংগ্রহ করতে পছন্দ করেন।

এক্সবক্সের নেক্সট জেনারেশন বিভাগের ভাইস প্রেসিডেন্ট জেসন রোনাল্ড জানিয়েছেন, লঞ্চের সময় সব গেম এই ব্যবস্থার আওতায় থাকবে না। তবে ভবিষ্যতে আরও গেম যুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। মাইক্রোসফটের এই পদক্ষেপ এমন একটি সময়ে এল, যখন গেম সংরক্ষণ এবং ফিজিক্যাল গেম ডিস্কের ভবিষ্যৎ নিয়ে শিল্পে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

Read More:  অক্টোবরেই ভারতে আসছে Google Fitbit Air, স্ক্রিনহীন ওয়্যারেবলের দাম কত?

জুলাই মাসে সনি ঘোষণা করেছিল, ২০২৮ সালের জানুয়ারি থেকে নতুন প্লেস্টেশন গেমের ফিজিক্যাল ডিস্ক তৈরি বন্ধ করার পরিকল্পনা রয়েছে। সংস্থাটি ধীরে ধীরে সম্পূর্ণ ডিজিটাল ভবিষ্যতের দিকে এগোচ্ছে বলে মনে করছেন অনেকে। এই সিদ্ধান্তের পর প্লেস্টেশন ব্যবহারকারীদের একাংশের মধ্যে ব্যাপক অসন্তোষ তৈরি হয়।

গেম সংরক্ষণ নিয়ে কাজ করা গোষ্ঠী ‘ডাজ ইট প্লে?’-এর উদ্যোগে প্লেস্টেশন বয়কটও শুরু হয়েছে। ২৩ আগস্ট থেকে সেই বয়কট কার্যকর হয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

এদিকে সনিও ফিজিক্যাল প্লেস্টেশন গেমকে ডিজিটাল লাইব্রেরিতে যুক্ত করার কোনও ব্যবস্থা নিয়ে কাজ করছে বলে জল্পনা রয়েছে। তবে এখনও পর্যন্ত সনি এমন কোনও ফিচার আনুষ্ঠানিকভাবে ঘোষণা করেনি।

মাইক্রোসফটের ডিস্ক-টু-ডিজিটাল ব্যবস্থা তাই শুধু এক্সবক্স ব্যবহারকারীদের জন্য একটি নতুন সুবিধা নয়, ফিজিক্যাল গেম সংরক্ষণের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হতে পারে। বিশেষ করে যাঁদের কাছে বহু বছরের পুরনো এক্সবক্স গেমের ডিস্ক রয়েছে, তাঁদের জন্য নতুন ব্যবস্থাটি নিজেদের গেম সংগ্রহকে আরও সহজে ব্যবহার করার সুযোগ তৈরি করতে পারে।

তবে শুরুতেই সব গেম সমর্থিত না হওয়ায় ব্যবহারকারীদের নিজেদের গেম এই ব্যবস্থার আওতায় রয়েছে কি না, তা যাচাই করতে হবে। ৩১ আগস্ট থেকে এক্সবক্স ইনসাইডারদের মধ্যে পরীক্ষামূলক ব্যবহার শুরু হওয়ার পর মাইক্রোসফট কীভাবে এবং কত দ্রুত এই সুবিধা আরও বেশি গেম ও সাধারণ ব্যবহারকারীদের কাছে পৌঁছে দেয়, সেটাই এখন দেখার।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *