TVS Jupiter 110-এ নতুন ডুয়াল-টোন ভ্যারিয়েন্টেই প্রেমে পড়বেন, দাম ৮৯,৮২৫ টাকা
কলকাতা: জনপ্রিয় জুপিটার ১১০ স্কুটারের (TVS Jupiter 110) নতুন ডুয়াল-টোন ভ্যারিয়েন্ট বাজারে আনল টিভিএস। নতুন এই সংস্করণে দুটি নতুন প্রিমিয়াম রঙের বিকল্প দেওয়া হয়েছে। দাম…
কলকাতা: জনপ্রিয় জুপিটার ১১০ স্কুটারের (TVS Jupiter 110) নতুন ডুয়াল-টোন ভ্যারিয়েন্ট বাজারে আনল টিভিএস। নতুন এই সংস্করণে দুটি নতুন প্রিমিয়াম রঙের বিকল্প দেওয়া হয়েছে। দাম রাখা হয়েছে ৮৯,৮২৫ টাকা, এক্স-শোরুম। এর ফলে জুপিটার ১১০-এর বর্তমান মডেলগুলির মধ্যে এটিই সবচেয়ে দামি ভ্যারিয়েন্ট হয়ে উঠেছে।
নতুন ডুয়াল-টোন ভ্যারিয়েন্টে দুটি রঙ পাওয়া যাবে। এগুলি হল স্পেকট্রাল ব্লু এবং স্পেকট্রাল কপার। দুই রঙেই জুপিটার ১১০-এর পরিচিত ডিজাইনের সঙ্গে প্রিমিয়াম ফিনিশ দেওয়ার চেষ্টা করেছে টিভিএস। স্পেকট্রাল ব্লু রঙে গ্লস হোয়াইট এবং ব্লুইশ-পার্পল ফিনিশ ব্যবহার করা হয়েছে। অন্যদিকে স্পেকট্রাল কপার সংস্করণে রয়েছে পার্পলিশ-কপার এবং হোয়াইট ডুয়াল-টোন ফিনিশ। দুই রঙই সাধারণ জুপিটার ১১০-এর তুলনায় স্কুটারটিকে আরও আলাদা করে তুলেছে।
আরও পড়ুন: ১৯.৪৯ লক্ষ টাকায় MG Hector Tomahawk EV, বাড়িতেও বিদ্যুৎ দেবে এই SUV
শুধু বাইরের রঙেই পরিবর্তন আনেনি টিভিএস। নতুন দুই রঙের সঙ্গে ডার্ক ব্রাউন সিট কভার দেওয়া হয়েছে। স্কুটারের বিভিন্ন প্লাস্টিক অংশেও একই ধরনের ডার্ক ব্রাউন রঙের ব্যবহার দেখা যায়। ফলে নতুন রঙের সঙ্গে সিট এবং অন্যান্য অংশের সমন্বয়ে স্কুটারটির সামগ্রিক চেহারায় কিছুটা বেশি প্রিমিয়াম ভাব এসেছে।

নতুন ভ্যারিয়েন্টে আরও একটি ব্যবহারিক সুবিধা যোগ করেছে টিভিএস। এতে অতিরিক্ত পিলিয়ন ব্যাকরেস্ট দেওয়া হয়েছে। ফলে পিছনের আসনে বসা যাত্রীর জন্য দীর্ঘ সময় স্কুটারে যাতায়াতের ক্ষেত্রে কিছুটা বেশি আরাম পাওয়া যেতে পারে। এছাড়াও নতুন ডুয়াল-টোন ভ্যারিয়েন্টে সিকোয়েন্সিয়াল টার্ন ইন্ডিকেটর রয়েছে। সাধারণ টার্ন ইন্ডিকেটরের তুলনায় সিকোয়েন্সিয়াল ইন্ডিকেটর জ্বলার সময় আলোর একটি ধারাবাহিক প্রবাহ তৈরি করে। এর ফলে স্কুটারের চেহারায় আরও আধুনিক ছাপ এসেছে।
আরও পড়ুন: Mahindra BE 6 Sportech বুকিং ও ডেলিভারি, কীভাবে কিনবেন নতুন ইলেকট্রিক SUV
তবে নতুন ভ্যারিয়েন্টে ইঞ্জিন বা স্কুটারের মূল যান্ত্রিক অংশে কোনও পরিবর্তন করেনি টিভিএস। আগের মতোই এতে ১১৩.৩ সিসির ইঞ্জিন ব্যবহার করা হয়েছে। এই ইঞ্জিন সর্বোচ্চ ৮.০২ পিএস শক্তি এবং ৯.৮ এনএম টর্ক তৈরি করে। নতুন ডুয়াল-টোন ভ্যারিয়েন্ট কিনলে অতিরিক্ত ইঞ্জিন শক্তি বা পারফরম্যান্স পাওয়া যাবে না। নতুন রঙ, প্রিমিয়াম ফিনিশ, পিলিয়ন ব্যাকরেস্ট এবং সিকোয়েন্সিয়াল টার্ন ইন্ডিকেটরই এই সংস্করণের প্রধান আকর্ষণ।
সাসপেনশনের ক্ষেত্রেও জুপিটার ১১০-এর পরিচিত সেটআপই রাখা হয়েছে। সামনে রয়েছে প্রচলিত টেলিস্কোপিক ফর্ক এবং পিছনে মনোশক। ফলে নতুন ভ্যারিয়েন্টে রাইডিংয়ের মূল চরিত্র বদলাচ্ছে না।
ব্রেকিংয়ের দায়িত্বে সামনে ডিস্ক এবং পিছনে ড্রাম ব্রেক রয়েছে। এর সঙ্গে সিবিএস বা কম্বাইন্ড ব্রেকিং সিস্টেম দেওয়া হয়েছে। ফলে ব্রেক করার সময় দুই চাকায় ব্রেকিংয়ের মধ্যে সমন্বয় তৈরি হয়।
জুপিটার ১১০-এর নতুন ডুয়াল-টোন ভ্যারিয়েন্ট মূলত সেই ক্রেতাদের লক্ষ্য করে তৈরি করা হয়েছে, যাঁরা সাধারণ পারিবারিক স্কুটারের পাশাপাশি একটু বেশি প্রিমিয়াম চেহারা এবং কিছু বাড়তি সুবিধা চান। একই সঙ্গে যাঁরা পিছনের যাত্রীর আরামকে গুরুত্ব দেন, তাঁদের জন্য পিলিয়ন ব্যাকরেস্টও অতিরিক্ত সুবিধা হতে পারে।
আরও পড়ুন: নতুন Bajaj ডুয়াল-স্পোর্ট বাইক ফের স্পাই, সামনে ১৯ ইঞ্চি চাকা
৮৯,৮২৫ টাকা, এক্স-শোরুম দামে নতুন ডুয়াল-টোন ভ্যারিয়েন্ট এখন জুপিটার ১১০ পরিবারের সবচেয়ে দামি সংস্করণ। তবে বাড়তি দামের বিনিময়ে ইঞ্জিনে কোনও পরিবর্তন পাওয়া যাচ্ছে না। মূল আকর্ষণ থাকছে নতুন রঙ, ডুয়াল-টোন ফিনিশ, ডার্ক ব্রাউন উপাদান, সিকোয়েন্সিয়াল টার্ন ইন্ডিকেটর এবং পিলিয়ন ব্যাকরেস্ট।
ফলে জুপিটার ১১০-এর যাঁরা ইতিমধ্যেই পরিচিত ১১৩.৩ সিসি ইঞ্জিন এবং পারিবারিক ব্যবহারের চরিত্র পছন্দ করেন, কিন্তু স্কুটারটিতে আরও প্রিমিয়াম চেহারা চান, তাঁদের কাছে নতুন ডুয়াল-টোন ভ্যারিয়েন্টটি আকর্ষণীয় বিকল্প হতে পারে।