একাধিক হিংসার অপরাধ অস্ত্র আইনে মোদী রাজ্যের ATS র হাতে গ্রেফতার পলাতক সুখপিন্দর
আহমেদাবাদ: গুজরাটের অ্যান্টি টেরররিজম স্কোয়াড বা এটিএস (Gujarat ATS)একজন পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। তাঁর নাম সুখপিন্দর সিং ওরফে সুখি। তিনি জগ্গু ভাগওয়ানপুরিয়া গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত…
আহমেদাবাদ: গুজরাটের অ্যান্টি টেরররিজম স্কোয়াড বা এটিএস (Gujarat ATS)একজন পলাতক অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে। তাঁর নাম সুখপিন্দর সিং ওরফে সুখি। তিনি জগ্গু ভাগওয়ানপুরিয়া গ্যাংয়ের সঙ্গে যুক্ত বলে অভিযোগ। সেখওয়ান থানায় দায়ের করা একটি গুলি চালানোর মামলায় তাঁকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এই মামলায় ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ২০২৩-এর ১০৯, ৩২৪(৪) এবং ৩(৫) ধারাসহ অস্ত্র আইনের ২৫ ও ২৭ ধারায় অভিযোগ আনা হয়েছে।
গ্রেফতারের পর সুখপিন্দর সিং জানিয়েছেন, গত ২০ জুলাই তিনি তাঁর (Gujarat ATS)সহযোগী সাহিবদীপ সিং, গগনদীপ সিং এবং বিক্রমজিত সিং ওরফে ভিকির সঙ্গে মিলে অভিযোগকারী মেহকদীপ সিংয়ের শেলারের কাছে গুলি চালানোর ঘটনায় জড়িত ছিলেন। এই স্বীকারোক্তির ভিত্তিতে তদন্ত আরও এগোচ্ছে। গুজরাট এটিএস এই গ্রেফতারকে একটি গুরুত্বপূর্ণ সাফল্য হিসেবে দেখছে। কারণ সুখপিন্দর সিং দীর্ঘদিন ধরে পলাতক ছিলেন এবং তাঁর বিরুদ্ধে গুরুতর অভিযোগ রয়েছে।
আরও দেখুনঃ রাজনাথের বড় সিদ্ধান্তে DRDO র ক্ষেপণাস্ত্র প্রযুক্তি এবার ভারতীয় সংস্থার হাতে
গভীর সমুদ্রের নিচের রহস্য সমাধানে ভারতের মেড ইন ইন্ডিয়ার নয়া অস্ত্র ‘নিপুন’
জগ্গু ভাগওয়ানপুরিয়া গ্যাং উত্তর ভারতের বিশেষ করে পাঞ্জাব ও (Gujarat ATS)আশপাশের এলাকায় পরিচিত একটি অপরাধী চক্র। এই গ্যাংয়ের সদস্যদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময় গুলি চালানো, হত্যা এবং অন্যান্য হিংসার অপরাধের অভিযোগ উঠেছে। সুখপিন্দর সিংকে এই চক্রের সঙ্গে যুক্ত বলে চিহ্নিত করা হয়েছে। সেখওয়ান থানায় দায়ের হওয়া মামলায় তাঁকে অন্যতম মূল অভিযুক্ত করা হয়।
গুলি চালানোর ঘটনায় আহত বা ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার অভিযোগও রয়েছে। (Gujarat ATS)এটিএস সূত্রে জানা গেছে, দীর্ঘদিনের নজরদারি এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে সুখপিন্দর সিংয়ের অবস্থান চিহ্নিত করা হয়। এরপর অভিযান চালিয়ে তাঁকে গ্রেফতার করা সম্ভব হয়। গ্রেফতারের পর তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হচ্ছে। তিনি ২০ জুলাইয়ের ঘটনায় নিজের সম্পৃক্ততার কথা স্বীকার করেছেন। তাঁর সহযোগীদের নামও উল্লেখ করেছেন।
সাহিবদীপ সিং, গগনদীপ সিং এবং বিক্রমজিত সিং ওরফে ভিকির বিরুদ্ধেও তদন্ত এগোচ্ছে(Gujarat ATS)। তাঁদের গ্রেফতারের চেষ্টা চলছে বলে জানা গেছে।ভারতীয় ন্যায় সংহিতা ২০২৩-এর যে ধারাগুলোতে অভিযোগ আনা হয়েছে, সেগুলো গুরুতর অপরাধের সঙ্গে যুক্ত। ১০৯ ধারা অপরাধের ষড়যন্ত্র বা সহায়তার সঙ্গে সম্পর্কিত। ৩২৪(৪) ধারা স্বেচ্ছায় আঘাত বা ক্ষতি করার বিষয়ে। ৩(৫) ধারাও হিংসার অপরাধের সঙ্গে যুক্ত।
এর সঙ্গে অস্ত্র আইনের ২৫ ও ২৭ ধারা যোগ করা হয়েছে, (Gujarat ATS)যা অবৈধ অস্ত্র রাখা এবং ব্যবহারের সঙ্গে সম্পর্কিত। এই ধারাগুলোতে শাস্তির বিধানও কঠোর।এই গ্রেফতার গুজরাট এবং পাঞ্জাবসহ উত্তর ভারতের অপরাধ জগতে আলোচনার জন্ম দিয়েছে। জগ্গু ভাগওয়ানপুরিয়া গ্যাংয়ের সদস্যরা প্রায়ই রাজ্যের সীমানা পেরিয়ে চলাচল করেন বলে অভিযোগ।