অবহেলায় জরাজীর্ণ শরৎচন্দ্রের আবক্ষ মূর্তি
স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, প্রতি দিন এই রাস্তা দিয়ে বহু মানুষ যাতায়াত করেন। বটানিক গার্ডেনে আসা পর্যটকদেরও চোখে পড়ে মুর্তিটি। অথচ, এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তির স্মৃতিচিহ্নের এই অবস্থা হাওড়ার ঐতিহ্যের পক্ষেই অস্বস্তিকর। তাঁদের দাবি, শুধু মূর্তিটি রং করে দিলেই হবে না, বেদির দুর্বল অংশগুলি মেরামত করে ছাউনি, রেলিং এবং আশপাশের জায়গাটিও সংস্কার করতে হবে। পাশাপাশি, নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের ব্যবস্থাও করতে হবে। বি গার্ডেনে ঘুরতে আসা পর্যটকরাও মূর্তিটির অবস্থা দেখে হতাশ। তাঁদের মতে, একটি ঐতিহাসিক উদ্যানের প্রবেশপথে এমন এক সাহিত্যিকের মূর্তি রয়েছে, অথচ সেটি যদি অযত্নে পড়ে থাকে, তা উদ্যানের ঐতিহ্যের সঙ্গেও বেমানান। পর্যটকদের একাংশের মতে, এই ধরনের স্মৃতিচিহ্নই এলাকার ইতিহাসকে নতুন প্রজন্মের সামনে তুলে ধরে। সেগুলির সংরক্ষণ অত্যন্ত জরুরি।