হুগলি নদীর ধরে ৬০০ কোটি বিনিয়োগ ইডেন রিয়েলিটির! তৈরী হবে ৩ লাক্সারি হোটেল
কলকাতা: হুগলি নদীর তীর ধরে এবার গড়ে উঠতে চলেছে বিলাসবহুল হোটেলের এক নতুন আধার(Eden Realty)। ইডেন রিয়েলটি প্রায় ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ২০৩০ সালের…
কলকাতা: হুগলি নদীর তীর ধরে এবার গড়ে উঠতে চলেছে বিলাসবহুল হোটেলের এক নতুন আধার(Eden Realty)। ইডেন রিয়েলটি প্রায় ৬০০ কোটি টাকা বিনিয়োগ করে ২০৩০ সালের মধ্যে তিনটি লাক্সারি হোটেল গড়ে তোলার পরিকল্পনা নিয়েছে। এর মধ্যে দুটি হবে দক্ষিণ হাওড়ায় এবং একটি গার্ডেন রিচ এলাকায়। তিনটি প্রপার্টিতে মিলিয়ে মোট ৩৬০ থেকে ৩৮০টি রুম যোগ হবে।
এই প্রকল্প শুধু হোটেল নির্মাণ নয়, হুগলির রিভারফ্রন্টকে এক নতুন পর্যটন ও ইভেন্ট (Eden Realty)হাবে রূপান্তরিত করার বড় উদ্যোগ হিসেবেই দেখা হচ্ছে।সবচেয়ে বড় বিনিয়োগ যাচ্ছে গার্ডেন রিচের হোটেলটিতে। প্রায় ১০ একর জমির ওপর ২০০ রুমের এই প্রপার্টি গড়ে তুলতে খরচ হবে ৩৫০ কোটি টাকা। মূল লক্ষ্য বিয়ের বাজার। কলকাতা ও আশেপাশের এলাকায় বিলাসবহুল বিয়ে ও বড় অনুষ্ঠানের চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।
আরও দেখুনঃ
নদীর ধারে এমন একটা জায়গা হলে অতিথিরা প্রাকৃতিক সৌন্দর্যের সঙ্গে সঙ্গে আধুনিক সুযোগসুবিধাও পাবেন। (Eden Realty)শিবপুরে আরেকটি হোটেল হবে ১০০ রুমের। ৬.৫ একর জমিতে এটি নির্মাণে ব্যয় ধরা হয়েছে ১৫০ কোটি টাকা। আর বোটানিক্যাল গার্ডেনের কাছে একটি হারবাল স্পা রিসোর্ট গড়ে উঠবে ৬০ থেকে ৮০ রুম নিয়ে। এতে আরও ১০০ কোটি টাকা খরচ হবে। এই স্পা-কেন্দ্রিক প্রপার্টি স্বাস্থ্য পর্যটন ও রিল্যাক্সেশনের চাহিদা মেটাতে সাহায্য করবে।
ইডেন রিয়েলটির (Eden Realty)এই উদ্যোগকে আরও শক্তিশালী করছে মেফেয়ার হোটেলস অ্যান্ড রিসোর্টসের সঙ্গে আলোচনা। তিনটির মধ্যে দুটিতে মেফেয়ার পরিচালনার দায়িত্ব নিতে পারে। প্রাথমিক টার্ম শিট ইতিমধ্যে সই হয়েছে এবং ডিউ ডিলিজেন্সের কাজ চলছে। মেফেয়ারের অভিজ্ঞতা ও ব্র্যান্ড ভ্যালু এই প্রপার্টিগুলোকে দ্রুত বাজারে প্রতিষ্ঠিত করতে সাহায্য করবে বলে মনে করা হচ্ছে।
আরও দেখুনঃ
জমি পাওয়া গেছে শ্যামা প্রসাদ মুখার্জি পোর্ট, কলকাতার কাছ থেকে দীর্ঘমেয়াদি লিজে। (Eden Realty)নদীর তীরের এই জমিগুলো আগে অব্যবহৃত বা কম ব্যবহৃত ছিল। এখন সেগুলোকে পর্যটন ও হসপিটালিটি সেক্টরে কাজে লাগানো হচ্ছে।শুধু হোটেল নির্মাণই নয়, ইডেন আলাদা ফেরি সার্ভিসেরও পরিকল্পনা করছে। কাছাকাছি জেটি ব্যবহার করে তিনটি প্রপার্টির মধ্যে নিয়মিত ফেরি চলবে।
এতে অতিথিরা সহজেই এক হোটেল থেকে অন্য হোটেলে যেতে পারবেন। বিয়ে বা বড় ইভেন্টের সময় এই রিভারফ্রন্ট নেটওয়ার্ক বিশেষ সুবিধা দেবে। অতিথিরা নদীপথে ঘুরে বেড়াতে পারবেন, অনুষ্ঠানের জন্য আলাদা পরিবেশ পাবেন। কলকাতার ঐতিহ্যবাহী নদীকে কেন্দ্র করে এমন একটা সংযুক্ত পর্যটন ব্যবস্থা গড়ে উঠলে শহরের পর্যটন মানচিত্রই বদলে যেতে পারে।