সবংয়ে বন্যা পরিস্থিতি, পাশে সমবায় ও ব্যবসায়ী
টানা বৃষ্টিতে বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছিল সবং ব্লকে। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছিল সবংয়ের পাঁচটি পঞ্চায়েত। বাড়ি ভেঙেছে, নষ্ট হয়েছে ধান, পান, আনাজ ও মাদুরকাঠি। জলে ভেসে মৃত্যুও হয় দু’জনের। বহু মানুষকে নিরাপদ আশ্রয়েও সরিয়ে আনতে হয়। যা শুনে সবংয়ে ছুটে যান খোদ মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। সবাইকে পর্যাপ্ত ত্রাণ দেওয়া, মৃতদের ক্ষতিপূরণ, শস্যবিমার মতো একাধিক বিষয়ে পদক্ষেপের নির্দেশ দেন প্রশাসনকে।
সে তো সরকারি বিষয়। বন্যা পীড়িত মানুষের কথা শুনে সহৃদয় ব্যক্তিরা তো বসে থাকতে পারেন না। তাই সম্প্রতি সবং শহিদ স্মৃতি সমবায় কৃষি উন্নয়ন লিমিটেড এবং বাদলপুরের গ্যালাক্সি মোবাইল ও ইলেকট্রনিক্স দোকানের মালিক-কর্মচারীরাও ত্রাণ নিয়ে হাজির হন লাড়ো, পরশপুর, চাঁদাগোবরা, বীরকোটা, খড়িকা– সহ বেশ কয়েকটি গ্রামে। দুই প্রতিষ্ঠানের পক্ষ থেকে ১০০ জন করে ২০০টি পরিবারকে ত্রাণ দেওয়া হয়। সমিতির ম্যানেজার অভিজিৎ সামন্ত বলেন, ‘নৈতিক কর্তব্য থেকেই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। বিগত দিনেও আর্থিক সাহায্য নিয়ে মানুষের পাশে দাঁড়িয়েছি।’ সবং ব্লকের সমবায় পরিদর্শক সুপ্রিয় বন্দ্যোপাধ্যায়, বিদ্যাসাগর কেন্দ্রীয় ব্যাঙ্কের সবং শাখার ম্যানেজার তনয় চক্রবর্তী, সুপারভাইজ়ার দেবদুলাল দাস, সুবীর মান্না ও নীলকান্ত কর, কালীপদ ঘোড়াই, তাপস সামন্ত, শ্যামল দত্ত, অসিত অধিকারী, অসিত দাস, সুভাষ ভুঁইয়া, গোবিন্দ মাজি, রঞ্জিত ভুঁইয়া, শিক্ষক অনুপম বেরা, তরুণ নায়েক ও চন্দন ঘোড়াইরা সাহায্যের হাত বাড়িয়ে দেন।