জলপথে পণ্য পরিবহনে উঠে আসছে বাংলা! ২০২৫-২৬ এ পরিবহন বাড়ল ২১৮ মিলিয়ন টনে - 24 Ghanta Bangla News
Home

জলপথে পণ্য পরিবহনে উঠে আসছে বাংলা! ২০২৫-২৬ এ পরিবহন বাড়ল ২১৮ মিলিয়ন টনে

Spread the love

কলকাতা: ভারতের জলপথ উন্নয়নের নতুন অধ্যায় এখন বাংলার দরজায় কড়া নাড়ছে। (inland waterways)কেন্দ্রীয় সরকার আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরে এক ডজনেরও বেশি নতুন জাতীয় জলপথ…

কলকাতা: ভারতের জলপথ উন্নয়নের নতুন অধ্যায় এখন বাংলার দরজায় কড়া নাড়ছে। (inland waterways)কেন্দ্রীয় সরকার আগামী পাঁচ থেকে দশ বছরে এক ডজনেরও বেশি নতুন জাতীয় জলপথ গড়ে তুলতে প্রায় দশ হাজার কোটি টাকারও বেশি বিনিয়োগের পরিকল্পনা করছে। এই উদ্যোগ শুধু দেশের পরিবহন ব্যবস্থাকেই বদলে দেবে না, পশ্চিমবঙ্গের অর্থনীতিকেও নতুন উচ্চতায় নিয়ে যেতে পারে।

ইতিমধ্যেই জাতীয় জলপথগুলোতে পণ্য পরিবহনের পরিমাণ নাটকীয়ভাবে বেড়েছে। ২০১৪-১৫ সালে যেখানে মাত্র ২৯ মিলিয়ন টন মালামাল পরিবাহিত হত, ২০২৫-২৬ সালে তা পৌঁছেছে ২১৮ মিলিয়ন টনে। এই অগ্রগতি প্রমাণ করে যে নদীপথ এখন আর শুধু ঐতিহ্যের প্রতীক নয়, বরং আধুনিক লজিস্টিকসের শক্তিশালী মাধ্যম হয়ে উঠছে।পশ্চিমবঙ্গের জন্য এই সুযোগ বিশেষভাবে গুরুত্বপূর্ণ।

আরও দেখুনঃ ‘ইসলামিক ন্যাটো’-য় যোগ দিচ্ছে বাংলাদেশ? সৌদি-পাক-তুরস্কের ‘মক্কা চুক্তি’ ঘিরে জল্পনা

রাজ্যে নির্ধারিত জাতীয় জলপথের দৈর্ঘ্য ১৭০০ কিলোমিটারেরও বেশি, যা সারা ভারতে সর্বোচ্চ। (inland waterways)এর মধ্যে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো ন্যাশনাল ওয়াটারওয়ে-১ বা এনডব্লিউ-১। এই জলপথ গঙ্গার অভ্যন্তরীণ অঞ্চলকে হলদিয়ার সঙ্গে যুক্ত করেছে। ফলে উত্তর ভারতের কৃষি ও শিল্পপণ্য সরাসরি বঙ্গোপসাগরের কাছে পৌঁছাতে পারছে। হলদিয়া বন্দর ইতিমধ্যেই এই সংযোগের সুবিধা নিয়ে এগিয়ে চলেছে।

এখন যদি নতুন জলপথগুলো তৈরি হয় এবং যেগুলি রয়েছে আরও উন্নত করা হয়, (inland waterways)তাহলে বাংলার নদীগুলো হয়ে উঠবে পণ্য পরিবহনের প্রধান করিডোর।রাজ্যের সামনে আরও বড় এক সম্ভাবনা উঁকি দিচ্ছে। ২০৩১ সালের মধ্যে প্রায় ১৯,২০৯ কোটি টাকার সামুদ্রিক বিনিয়োগ পাইপলাইন তৈরি হয়েছে। এই বিনিয়োগ থেকে সরাসরি ও পরোক্ষভাবে ৬২,৫০০ কর্মসংস্থান সৃষ্টির লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে।

আরও দেখুনঃ AIIMS-এ বিমান বসু, বসেছে পেসমেকার; কেমন আছেন বামফ্রন্ট চেয়ারম্যান?

এর আওতায় পড়বে অভ্যন্তরীণ জলপথ উন্নয়ন, কলকাতা-হলদিয়া ডক সম্প্রসারণ, (inland waterways)বলাগড় লজিস্টিক্স হাব, জাহাজ নির্মাণ ও মেরামতি শিল্প এবং বন্দরকেন্দ্রিক শিল্প ক্লাস্টার। এই সব প্রকল্প একসঙ্গে এগোলে বাংলার উপকূলীয় ও নদী তীরবর্তী এলাকাগুলোতে নতুন অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড শুরু হবে। যুবকদের জন্য চাকরির সুযোগ বাড়বে, স্থানীয় ব্যবসায়ীরা উপকৃত হবেন এবং রাজ্যের সামগ্রিক প্রবৃদ্ধি ত্বরান্বিত হবে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *