Kajol Sheikh: ভোটাভুটির ২৪ ঘণ্টা আগে মাঝপথেই জেলা পরিষদের পদ ছাড়লেন কাজল শেখ | Kajol Sheikh Resigns Ahead of No Confidence Vote, TMC Factional Clash Intensifies in Birbhum - 24 Ghanta Bangla News
Home

Kajol Sheikh: ভোটাভুটির ২৪ ঘণ্টা আগে মাঝপথেই জেলা পরিষদের পদ ছাড়লেন কাজল শেখ | Kajol Sheikh Resigns Ahead of No Confidence Vote, TMC Factional Clash Intensifies in Birbhum

Spread the love

বীরভূম: অনাস্থা প্রস্তাবে ভোটাভুটির একদিন আগেই ইস্তফা দিলেন কাজল শেখ। বীরভূমে চরমে গোষ্ঠীকোন্দল। জেলা পরিষদ থেকে মুছল কাজল শেখের নাম।
জানা যাচ্ছে, ইতিমধ্যেই তিনি ইস্তফাপত্র জমা দিয়েছেন বর্ধমান ডিভিশনাল কমিশনারের কাছে। ইস্তফাপত্র গৃহীত হয়েছে বলেই সূত্রের খবর। আগামী পাঁচ দিনের মধ্যে জেলাপরিষদের এক্সিকিউটিভ অফিসারকে সমস্ত দায়িত্বভার বুঝিয়ে দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

বীরভূমের অনুব্রত বনাম কাজল দ্বন্দ্ব রাজনীতিতে সদা চর্চিত। জেলাপরিষদের সভাধিপতি কাজল শেখের বিরুদ্ধে অনাস্থা এনেছিলেন তাঁরই দলের জেলা পরিষদের সদস্যরা। শুক্রবার জেলাপরিষদের অনাস্থা প্রস্তাবে ভোটাভুটির দিন চূড়ান্ত ছিল৷  কিন্তু তার ঠিক আগের দিনই ইস্তফা কাজলের। স্থানীয় নেতৃত্বের একাংশের মতে, সংখ্যাগরিষ্ঠ জেলাপরিষদ সদস্য যে তার বিরুদ্ধে অনাস্থায় ভোট দেবেন, তা বুঝতে পেরেই ইস্তফা দিয়েছেন কাজল শেখ।

বীরভূম জেলা পরিষদের মোট সদস্য ৫২জন। তার মধ্যে ৫১ জন তৃণমূলের এবং একজন কংগ্রেসের। অবশ্য একজন সদস্য মারা যাওয়ায় এখন তৃণমূলের সদস্য সংখ্যা ৫০ জন। সূত্রের খবর, অনুব্রত গোষ্ঠীর ১৮ জন জেলা পরিষদ সদস্য কয়েকদিন ধরেই একটি হোটেলে ঘাঁটি গেড়েছিলেন। গোপনে বৈঠক করছিলেন। সূত্রের খবর, বুধবার রাতে কাজল ঘনিষ্ঠ প্রায় ১৬ জন সদস্য  তাঁকে জানিয়ে দেন, তাঁদের পক্ষে আর সমর্থন আর সম্ভব নয়। ঋতব্রত শিবির থেকেও কাজলের উপরে গত এক সপ্তাহ ধরে চাপ তৈরি হয়েছিল বলে সূত্রের খবর। সূত্রের খবর, একাধিক দুর্নীতি বেনিয়মের অভিযোগ নিয়ে চাপে পড়ে যান কাজল। কোটি কোটি টাকার প্রকল্প টেন্ডার হয়েছে। তাতেও বেনিয়মের অভিযোগ।কারণ কাজ হয়নি। সূত্রের খবর, CAG রিপোর্ট নিয়ে চরম বিপাকে পড়ে যান কাজল।

CAG রিপোর্টে বীরভূম জেলা পরিষদের তিনটে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় উঠে এসেছে। কাজ হয়নি, অথচ টেন্ডার হয়েছে, কোটি কোটি টাকার বিল পাশ হয়ে গিয়েছে, জেলা পরিষদের ফান্ডে ১৪-১৬ কোটি টাকার কোনও হিসাব নেই, কোথায় খরচ হয়েছে, কীভাবে খরচ হয়েছে, সেই রিপোর্ট নেই। তিন, টেন্ডার দুর্নীতি- প্রকল্পের টাকা ২০ শতাংশ কাটমানি হিসাবে বেরিয়ে গিয়েছে, ফলে কাজ অত্যন্ত নিম্নমানের হয়েছে। কাজ হয়নি। এই দায় কাজল শেখের ঘাড়েই বর্তাছিল। রাজনৈতিক মহলের ব্যাখ্যা, অনাস্থা প্রস্তাবে ভোটাভুটিতে তাঁর বিপক্ষেই বেশিরভাগ ভোট যেতে পারে বলে অনুমান করে নিয়েছিলেন, তাতেই ইস্তফা।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *