তহবিলে যথেষ্ট পুঁজি, বিনিয়োগ নেই কেন?
কিন্তু দুর্ভাগ্যের বিষয় হলো, ভারতীয় কোম্পানিগুলি এই পরিস্থিতির সুযোগ নিতে পারছে না, অন্তত দীর্ঘমেয়াদি বিনিয়োগের ক্ষেত্রে। আদানি, আম্বানি, বিড়লা, টাটার মতো বৃহৎ শিল্প সংস্থাগুলি বিনিয়োগ করছে কিন্তু তারা সেমিকন্ডাক্টর, পরিকাঠামো, জ্বালানি, ডিজিটাল বাণিজ্যের মতো কতিপয় ক্ষেত্রের বাইরে তাদের বিনিয়োগ বাড়াতে প্রয়াসী হয়নি। ভারতের এখন অসংখ্য উদ্যোগ দরকার যারা উৎপাদন শিল্পে বিপ্লব আনবে। ইঞ্জিনিয়ারিং, রাসায়নিক পণ্য, ঔষধ, লজিস্টিকস, ভোগ্য পণ্যের মতো শিল্পে ব্যাপক হারে বিনিয়োগ প্রয়োজন। প্রখ্যাত শিল্পপতি অনিল আগরওয়াল বলেছেন সরকারের উচিত বেসরকারি উদ্যোগপতিদের উপর নির্ভরশীলতা বাড়ানো, এই সব শিল্পের উৎপাদন বৃদ্ধির জন্য। এর জন্যে নীতিগত পরিবর্তন আনতে হবে, আমলাতান্ত্রিক নিয়ন্ত্রণ কমাতে হবে। নীতির ক্ষেত্রে ব্যাপকতর পরিবর্তন আনা দরকার। শুধুমাত্র কর ছাড় বা উৎসাহ ভাতার মধ্যে সীমাবদ্ধ না রেখে ব্যবসা করার রীতিতে সহজতর পদ্ধতি চালু করা, দ্রুত অনুমোদন, নিয়ামক সংস্থাগুলির কড়া মনোভাব কমানো, কর ব্যবস্থার উদারতা, আইন-আদালতকে ব্যবসা-সহায়ক করা, জমি অধিগ্রহণের ক্ষেত্রে বাস্তবানুগ দৃষ্টিভঙ্গি গ্রহণ ব্যবসার প্রসার ও বিনিয়োগ বৃদ্ধিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নিতে পারে।