ঘাটালে ভাসাপোলের পাটাতন ভেসে গেল, সবংয়ে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি
ঘাটাল, পশ্চিম মেদিনীপুর: নিম্নচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক এলাকায় পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। ঘাটালে জলস্তর বাড়ার (Ghatal Flood) জেরে ব্রিটিশ আমলে তৈরি ভাসাপোলের…
ঘাটাল, পশ্চিম মেদিনীপুর: নিম্নচাপের প্রভাবে টানা বৃষ্টিতে পশ্চিম মেদিনীপুরের একাধিক এলাকায় পরিস্থিতি ক্রমশ খারাপ হচ্ছে। ঘাটালে জলস্তর বাড়ার (Ghatal Flood) জেরে ব্রিটিশ আমলে তৈরি ভাসাপোলের পাটাতনের একটি অংশ জলের তোড়ে ভেসে গেল। বৃহস্পতিবার সকালে এই ঘটনায় ব্যাহত হয় যোগাযোগ ব্যবস্থা।
ঘাটালের শিলাবতী ও ঝুমি নদীতে জলস্তর বেড়েছে। জানা গিয়েছে, নিমতলায় জলের তোড়ে একটি বাঁশের সাঁকো ভেঙে যায়। সেই ভাঙা সাঁকো এবং পানা নদীর জলে ভেসে আসা অন্যান্য অংশ ভাসাপোলে ধাক্কা মারে। এর জেরেই ভাসাপোলের একটি অংশের পাটাতন ভেসে যায়।
এই ভাসাপোল দিয়ে প্রতিদিন প্রচুর মানুষ যাতায়াত করেন। ফলে পাটাতন ভেসে যাওয়ায় স্বাভাবিক যোগাযোগ ব্যবস্থা ব্যাহত হয়। ঘটনার পর দ্রুত ভাসাপোল রক্ষণাবেক্ষণের কর্মীরা উদ্ধারকাজে নামেন। বেশ কয়েক কিলোমিটার দূরে ভেসে যাওয়া পাটাতনের অংশ উদ্ধার করা হয়েছে। বর্তমানে পরিস্থিতি স্বাভাবিক করার চেষ্টা চলছে।
Also Read | কলকাতা-শিলিগুড়ি রিং রোড প্রকল্পে সবুজ সংকেত! এবার বদলে যাবে দুই শহরের মানচিত্র
প্রবল বৃষ্টিতে সবংয়ে বন্যা পরিস্থিতি
অন্যদিকে, পশ্চিম মেদিনীপুরের সবংয়েও প্রবল বৃষ্টির জেরে তৈরি হয়েছে ভয়াবহ বন্যা পরিস্থিতি। পরিস্থিতি মোকাবিলায় জেলা প্রশাসনের আধিকারিকদের আগেই প্রয়োজনীয় নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানানো হয়েছে।
দুর্ভোগে পড়া সাধারণ মানুষের কাছে পানীয় জল, ত্রাণ এবং প্রশাসনিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়ার কাজ চলছে। বন্যা পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনের তরফে একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হচ্ছে।
Also Read | মেঘ-বৃষ্টিতেও কমছে না গরম! কলকাতায় অস্বস্তি, উত্তরবঙ্গে অতি ভারী বৃষ্টির সতর্কতা
বৃহস্পতিবার সবং যাওয়ার পথে আকাশপথে বন্যাবিধ্বস্ত এলাকা পরিদর্শন করে পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করেন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। দুর্গত মানুষের পাশে থেকে পরিস্থিতি মোকাবিলায় প্রশাসনকে কাজ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
ঘাটাল ও সবংয়ের পাশাপাশি পশ্চিম মেদিনীপুরের অন্যান্য নিচু এলাকাতেও ভারী বৃষ্টির প্রভাবে জল জমার পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে। পরিস্থিতির দিকে নজর রাখছে জেলা প্রশাসন।