নিউ মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড: ‘ট্রেড লাইসেন্স ছিল কি না, মেয়রের পক্ষে দেখা সম্ভব নয়’, সাফাই ফিরহাদের - 24 Ghanta Bangla News
Home

নিউ মার্কেটে অগ্নিকাণ্ড: ‘ট্রেড লাইসেন্স ছিল কি না, মেয়রের পক্ষে দেখা সম্ভব নয়’, সাফাই ফিরহাদের

Spread the love

হোটেলের ফায়ার লাইসেন্স ছিল না, তা কলকাতা পুরসভা বা মেয়রের দেখার দায়িত্ব নয়। ফায়ার অডিট হয়েছে কি না, সেটাও মেয়রের দেখা কাজ নয়। নিউ মার্কেট থানা এলাকার মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে আগুন লাগার ঘটনায় এই সাফাই দিলেন রাজ্যের প্রাক্তন পুরমন্ত্রী এবং কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিম (ববি)।

মঙ্গলবার রাতে মির্জা গালিব স্ট্রিটের হোটেলে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় ৯ জনের মৃত্যুর হয়েছে। বুধবার সকালে সেই ঘটনাস্থল পরিদর্শনে গিয়ে নাম না করে ববির দিকেই আঙুল তোলেন রাজ্যের পুরমন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। বহুতলের যে হোটেলে আগুন লেগেছে, তার ট্রেড লাইসেন্স কে দিল, সেই প্রশ্ন তুলেছেন অগ্নিমিত্রা। তাঁর কথায়, অগ্নিমিত্রা বলেন, ‘আমার জায়গায় আগে যিনি ছিলেন, উনি কী করেছেন? ট্রেড লাইসেন্স দিল কে? সিইএসসি কী করে অনুমতি দিল? একটা এসির পারমিশন নিয়ে ১০টা চালানো হয়েছে।’ প্রাক্তন পুরমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কি কোনও পদক্ষেপ করা হবে?

অগ্নিমিত্রার সেই প্রশ্নের সাফাই দিতে গিয়েও ববি দাবি করেছেন, ট্রেড লাইসেন্স ছিল কি না, সেটা এক জন মেয়রের পক্ষে দেখা সম্ভব নয়। সমস্ত অভিযোগের প্রেক্ষিতেই ফিরহাদ বলেছেন, ‘ফায়ার লাইসেন্স ছিল কি না, অডিট হয়েছিল না হয়নি, সেটা দেখার দায়িত্ব দমকলের। তারা বলতে পারবে। ট্রেড লাইসেন্স ছিল না কি না, সেটা একজন মেয়রের পক্ষে দেখা সম্ভব নয়।’ প্রসঙ্গত, প্রাক্তন পুরমন্ত্রীর বিরুদ্ধে কোনও পদক্ষেপ করা হবে কি না, তা জানতে চাওয়া হয়েছিল অগ্নিমিত্রার কাছে। পুরমন্ত্রী বলেন, ‘প্রাক্তন মেয়র এবং পুরমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা হবে কি না, সেই ব্যাপারে আমরা মুখ্যমন্ত্রীর কাছে রিপোর্ট পেশ করব।’

প্রশ্ন উঠছে, ফিরহাদ কি প্রকারান্তরে গোটা বিষয়টি তৃণমূল কংগ্রেসের জমানার দমকলমন্ত্রী সুজিত বসুর দিকেই ঠেলে দিলেন? কারণ, যে বহুতলের হোটেলে আগুন লেগেছে, সেটি তিন-চার বছর আগে রেসিডেন্সিয়াল থেকে কমার্শিয়াল হয়েছে বলে অভিযোগ। প্রসঙ্গত, সুজিত পুরনিয়োগ দুর্নীতি মামলায় গ্রেপ্তার হয়ে বর্তমানে জেলবন্দি।

অগ্নিমিত্রার আগেই ঘটনাস্থলে গিয়ে রাজ্যের দমকল প্রতিমন্ত্রী কৌশিক চৌধুরী অভিযোগ করেছেন, দমকলের সদর দপ্তর লাগোয়া ওই হোটেল বৈধ অনুমতি ছাড়াই চলছিল। তিনি বলেন, ‘এর আগের সরকারের পাপ আমাদের বহন করতে হচ্ছে। সাধারণ মানুষের মৃত্যু ঘটছে। আমাদের নতুন সরকার এর বিরুদ্ধে যথাযথ ব্যবস্থা নেবে।’

(রিপোর্টিং: অর্পিতা হাজরা, শ্যামগোপাল রায় এবং শুভ্রজিৎ চক্রবর্তী)

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *