কৃষিখাতে বিশাল ভর্তুকি মোদী সরকারের! ৩০০০ র ইউরিয়ার বস্তা এখন মোটে ৩০০ টাকা - 24 Ghanta Bangla News
Home

কৃষিখাতে বিশাল ভর্তুকি মোদী সরকারের! ৩০০০ র ইউরিয়ার বস্তা এখন মোটে ৩০০ টাকা

Spread the love

নয়াদিল্লি: বিশ্ববাজারে এক বস্তা ইউরিয়ার দাম আজকাল তিন হাজার টাকার কাছাকাছি চলে (urea subsidy)গেছে। অথচ ভারতের কৃষক সেই একই বস্তা পাচ্ছেন মাত্র তিনশো টাকায়। পার্থক্যটা…

নয়াদিল্লি: বিশ্ববাজারে এক বস্তা ইউরিয়ার দাম আজকাল তিন হাজার টাকার কাছাকাছি চলে (urea subsidy)গেছে। অথচ ভারতের কৃষক সেই একই বস্তা পাচ্ছেন মাত্র তিনশো টাকায়। পার্থক্যটা হচ্ছে প্রতি বস্তায় প্রায় দুই হাজার সাতশো টাকা সরকার নিজের পকেট থেকে ভর্তুকি দিয়ে দিচ্ছে। এই ভর্তুকির হিসাব যখন জাতীয় স্তরে যোগ হয়, তখন বোঝা যায় কেন সারের ভর্তুকি বিল প্রতি বছর লক্ষ কোটি টাকায় পৌঁছায়।

গতদিন আগে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী নিজেই এই তুলনা তুলে ধরেছেন। তিনি বলেছেন, বৈশ্বিক সংকটের মধ্যেও ভারতের কৃষকদের কাঁধে এই বোঝা চাপানো হয়নি। বিশ্ববাজারে ইউরিয়ার দাম (urea subsidy)আকাশছোঁয়া হলেও দেশের কৃষকরা তা তিনশো টাকায় পাচ্ছেন। সরকারই সেই বাড়তি খরচ বহন করছে। শুধু ইউরিয়া নয়, ডিএপির ক্ষেত্রেও একই ছবি। বিশ্ববাজারে পাঁচ হাজার টাকার কাছাকাছি পৌঁছানো ডিএপি এখানে তেরোশো পঞ্চাশ টাকায় দেওয়া হচ্ছে।

আরো দেখুনঃ শ্রাবণের সোমবারে মর্মান্তিক পরিণতি! বিহারের অশোক ধাম মন্দিরে পদপিষ্ট হয়ে ৭ জনের মৃত্যু

এই ভর্তুকি ব্যবস্থা কোনো নতুন বিষয় নয়। বছরের পর বছর ধরে সরকার কৃষকদের হাতে সস্তায় সার পৌঁছে দেওয়ার নীতি ধরে রেখেছে। ৪৫ কেজির এক বস্তা ইউরিয়ার নির্ধারিত মূল্য (urea subsidy)আনুমানিক ২৪২ টাকা। নেইম কোটিং আর কর যোগ করে কৃষকের হাতে তা তিনশো টাকার কাছাকাছি পৌঁছায়। কিন্তু উৎপাদন বা আমদানির প্রকৃত খরচ এর চেয়ে অনেক গুণ বেশি। সেই ফারাকটা সার কোম্পানিগুলোকে সরকার সরাসরি দিয়ে দেয়।

ফলে কৃষকের খরচ কম থাকে, উৎপাদন খরচ নিয়ন্ত্রণে থাকে।সাম্প্রতিক সময়ে সরকার আরও এক ধাপ এগিয়েছে। ১৭ লাখ টন ইউরিয়া আমদানির চুক্তি হয়েছে আগের তুলনায় অনেক কম দামে। (urea subsidy)আগের টেন্ডারে যে দাম ছিল, তার তুলনায় এবারের দাম অনেক কমেছে। এই আমদানি খরিফ ও রবি দুই মৌসুমেই সারের জোগান নিশ্চিত করতে সাহায্য করবে।

আরো দেখুনঃ ঝাড়খণ্ডের ছাত্র আন্দোলনে নয়া মোড়! সরকারকে ১৮ তারিখের ডেডলাইন বিক্ষোভকারীদের

বিশ্বব্যাপী অস্থিরতার মধ্যেও সারের সরবরাহ যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকে নজর রাখা হয়েছে।কৃষকরা শুধু সার ভর্তুকিতেই সীমাবদ্ধ নন। (urea subsidy)বিদ্যুৎ, কৃষি ঋণ, ন্যূনতম সহায়ক মূল্য তথা এমএসপি-র মাধ্যমে ফসল কেনা, সরাসরি নগদ স্থানান্তর প্রায় প্রতিটি বড় সহায়তা কর্মসূচির কেন্দ্রেই কৃষকরা রয়েছেন। এই সব মিলিয়ে কৃষি খাতে সরকারের ব্যয় বিপুল। তবুও একটা অংশের মধ্যে অসন্তোষের সুর কখনোই থেমে যায় না।

রাস্তায় নেমে দাবি তোলা, যেন এই সব সহায়তা নেইই এমন একটা চিত্র মাঝেমধ্যে দেখা যায়।বাস্তবতা হলো, ভর্তুকি বাস্তব। এর পরিমাণও বিশাল। (urea subsidy)একদিকে সরকার বিশ্বব্যাপী দামের চাপ সামলে কৃষকদের রক্ষা করছে, অন্যদিকে কিছু মহল সেই সহায়তাকে ছোট করে দেখার চেষ্টা করছে। কৃষিভিত্তিক অর্থনীতির দেশে কৃষকদের সুরক্ষা জরুরি এটা অস্বীকার করার উপায় নেই। কিন্তু সহায়তার পরিমাণ ও পরিসর যখন এতটা বড়, তখন তার স্বীকৃতিও থাকা উচিত।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *