জি রাম জিতে প্রথম মাসেই তৈরি হয়েছে ৯.৬৯ কোটি পারসন-ডে কাজ! দাবি সরকারের - 24 Ghanta Bangla News
Home

জি রাম জিতে প্রথম মাসেই তৈরি হয়েছে ৯.৬৯ কোটি পারসন-ডে কাজ! দাবি সরকারের

Spread the love

নয়া দিল্লি: গ্রামীণ ভারতের কর্মসংস্থান নিয়ে এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। (G RAM G)পুরনো মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি আইন বা এমজিএনআরইজিএ বাতিল হয়েছে।…

নয়া দিল্লি: গ্রামীণ ভারতের কর্মসংস্থান নিয়ে এক নতুন অধ্যায় শুরু হয়েছে। (G RAM G)পুরনো মহাত্মা গান্ধী জাতীয় গ্রামীণ কর্মসংস্থান গ্যারান্টি আইন বা এমজিএনআরইজিএ বাতিল হয়েছে। তার জায়গায় এসেছে নতুন আইন ভিকসিত ভারত-গ্যারান্টি ফর রোজগার অ্যান্ড আজীবিকা মিশন (গ্রামীণ) বা সংক্ষেপে জি-রাম -জি। ১ জুলাই থেকে সারা দেশে এই নতুন আইন কার্যকর হয়েছে।

আর মাত্র এক মাসের মধ্যেই এর ফল দেখা গেছে। (G RAM G )প্রথম মাসেই ৯.৬৯ কোটি পারসন-ডে কাজ তৈরি হয়েছে। গ্রামের মাটিতে কাজ চলছে, মানুষ কাজ পাচ্ছে।কেন্দ্রীয় সরকার গ্রামীণ উন্নয়ন মন্ত্রী শিবরাজ সিং চৌহানের মাধ্যমে লোকসভায় এই তথ্য জানিয়েছে। মন্ত্রী বলেছেন, এমজিএনআরইজিএ থেকে জি-রাম-জিতে উত্তরণ মসৃণ, নির্বিঘ্ন এবং শ্রমিক-কেন্দ্রিক হয়েছে। সব রাজ্য ও কেন্দ্রশাসিত অঞ্চল স্কিম নোটিফাই করেছে এবং কাজ শুরু করেছে।

আরও দেখুনঃ সেনাবাহিনীর অস্ত্রের আধুনিকীকরণে টাটা-নিবের সঙ্গে ১৫৭৭ কোটির চুক্তি মোদী সরকারের

ইচ্ছুক গ্রামীণ পরিবারগুলোকে আইনের বিধান অনুযায়ী কাজ দেওয়া হচ্ছে। পুরনো স্কিম বাতিলের পর কেউ কেউ ধসের আশঙ্কা করছিলেন, বিশৃঙ্খলার কথা বলছিলেন। কিন্তু বাস্তবে সংখ্যাগুলো অন্য কথা বলছে। নীরবে কাজ চলছে, গ্যারান্টি বাড়ানো হয়েছে এবং মাঠে ফলও মিলছে।নতুন আইনের সবচেয়ে বড় পরিবর্তন হলো কর্মদিবসের গ্যারান্টি। আগে যেখানে প্রতিটি গ্রামীণ পরিবারের জন্য ১০০ দিনের কাজ নিশ্চিত করা হতো, এখন সেটা বাড়িয়ে ১২৫ দিন করা হয়েছে।

অদক্ষ শ্রমিক হিসেবে কাজ করতে ইচ্ছুক যে কোনো গ্রামীণ পরিবারের প্রাপ্তবয়স্ক সদস্যরা এই গ্যারান্টির আওতায় আসবেন। (G RAM G)এতে পরিবারগুলোর আয়ের নিরাপত্তা আরও বাড়বে বলে সরকারের দাবি। চলতি অর্থবছরে কেন্দ্র প্রায় ৯৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ করেছে এই কর্মসূচির জন্য। এটি যে কোনো গ্রামীণ কর্মসংস্থান কর্মসূচির জন্য এখন পর্যন্ত সর্বোচ্চ বরাদ্দগুলোর একটি।এই বরাদ্দের জোরেই দেশজুড়ে কাজ শুরু হয়েছে। লক্ষাধিক কর্মস্থলে হাজার হাজার শ্রমিক কাজে যুক্ত হয়েছেন।

আরও দেখুনঃ হাসিনাকে না ফেরালে ভারত সফর নয়! স্পষ্ট করলেন তারেক রহমান

উপস্থিতি ধরা হচ্ছে ডিজিটাল পদ্ধতিতে, মুখের স্বীকৃতিসহ আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে। যারা কাজ চেয়েছেন, তাদের প্রায় সবাইকে কাজের প্রস্তাব দেওয়া হয়েছে বলে সরকারের তরফে জানানো হয়েছে। পুরনো জব কার্ডগুলোও বৈধ রয়েছে এবং নতুন ব্যবস্থায় ধীরে ধীরে স্থানান্তরিত হচ্ছে। ফলে শ্রমিকদের কোনো অসুবিধা হচ্ছে না।গ্রামীণ ভারতের অর্থনীতির অন্যতম স্তম্ভ ছিল এমজিএনআরইজিএ।

দুই দশকেরও বেশি সময় ধরে এটি কোটি কোটি মানুষের হাতে কাজ তুলে দিয়েছে। (G RAM G)কিন্তু সময়ের সঙ্গে সঙ্গে নতুন চাহিদা তৈরি হয়েছে। টেকসই সম্পদ তৈরি, জল নিরাপত্তা, গ্রামীণ পরিকাঠামো এবং জলবায়ু সহনশীলতা এসব বিষয়কে আরও গুরুত্ব দিয়ে নতুন কাঠামো তৈরি করা হয়েছে। জি-রাম -জি শুধু কাজ দেবে না, গ্রামের উন্নয়নেও অবদান রাখবে বলে সরকারের পরিকল্পনা।

কেউ কেউ অর্থনৈতিক দিক নিয়ে প্রশ্ন তুলেছিলেন। রাজ্যগুলোর ওপর কিছুটা আর্থিক দায়িত্ব বাড়ানো হয়েছে। কিন্তু কেন্দ্র নিয়মিত রাজ্যগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ রাখছে এবং তাদের উদ্বেগগুলো শুনছে। প্রথম কিস্তিতেই হাজার হাজার কোটি টাকা ছাড় করা হয়েছে যাতে মজুরি সময়মতো পরিশোধ হয়। ফলে মাঠে কাজ থেমে যায়নি

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *