হাঁটতে পারেন না বাবা-ছেলে, বন্ধ ভাতা-রেশন, ‘কী খেয়ে বাঁচব?’, প্রশ্ন চক্রধরের
সেই যন্ত্রণা আরও বাড়ে যখন দেখেন, ছেলে সায়নের শরীরও হুবহু তাঁরই মতো অসাড় হতে শুরু করেছে। সায়ন এখন তৃতীয় শ্রেণির ছাত্র। তাকে স্কুলে পৌঁছে দেওয়া আর ফিরিয়ে আনার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিয়েছেন স্কুলের সহৃদয় শিক্ষক মন্টু মাহাতো। প্রতিদিন মাস্টারমশাইয়ের মোটরবাইকে চেপে স্কুলে যাতায়াত করে সায়ন।
মানবিক ভাতার জন্য স্বাস্থ্য দপ্তরের ‘পরীক্ষায়’ উত্তীর্ণ হয়ে ২০০৬ থেকে ১০০০ টাকার সরকারি সহায়তা পেতেন চক্রধর। ২০২৪ থেকে ছেলেও সেই ভাতা পেতে শুরু করে। স্ত্রী ছন্দারানি মাহাতোর লক্ষ্মীর ভাণ্ডার বাবদ মিলত আরও ১৫০০ টাকা। সবমিলিয়ে ৩৫০০ টাকা আর রেশন থেকে পাওয়া চাল-গম দিয়ে বেঁচে থাকার লড়াইটা চলছিল। এখন সব বন্ধ!