সেবকে তিস্তার উপর ৬ লেনের সেতু পরিকল্পনা! টেন্ডার ডাকল মোদী সরকার - 24 Ghanta Bangla News
Home

সেবকে তিস্তার উপর ৬ লেনের সেতু পরিকল্পনা! টেন্ডার ডাকল মোদী সরকার

Spread the love

শিলিগুড়ি, ১৫ আগস্ট: উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। (Sevoke)কেন্দ্রীয় সরকার সেবকে তিস্তা নদীর উপর ছয় লেনের একটি নতুন সেতু নির্মাণের জন্য টেন্ডার ডেকেছে।…

শিলিগুড়ি, ১৫ আগস্ট: উত্তরবঙ্গের মানুষের দীর্ঘদিনের অপেক্ষার অবসান ঘটতে চলেছে। (Sevoke)কেন্দ্রীয় সরকার সেবকে তিস্তা নদীর উপর ছয় লেনের একটি নতুন সেতু নির্মাণের জন্য টেন্ডার ডেকেছে। প্রায় ৮৪৪ কোটি টাকার এই প্রকল্পটি ইপিসি ভিত্তিতে বাস্তবায়িত হবে। পুরনো চার লেনের প্রস্তাব বদলে এখন ছয় লেন করা হয়েছে। স্থানীয় মানুষের কাছে এটি এক বড় স্বস্তির খবর।

জাতীয় সড়ক ১০-এর প্রায় ৫৯১.৩১০ কিলোমিটার পয়েন্ট থেকে শুরু হয়ে সেতু ও (Sevoke)অ্যাপ্রোচ রোড মিলিয়ে মোট দৈর্ঘ্য হবে ৬.৮৫ কিলোমিটার। আগের টেন্ডারে অনুমান করা হয়েছিল ৮৪০.২৯ কোটি টাকা। নতুন হিসাবে সেই অঙ্ক বেড়ে হয়েছে ৮৪৪ কোটি। মাত্র ৩.৭১ কোটি টাকা বেশি হলেও এই পরিবর্তন গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এতে সেতুটি ভবিষ্যতের যানবাহনের চাপ সামলাতে সক্ষম হবে।

আরও দেখুনঃ ভোরের আলো ফোটার আগেই ইন্দোনেশিয়ায় ভয়ঙ্কর ভূমিকম্প-সুনামি! নিহত ৫

টেন্ডার জমা দেওয়ার শেষ তারিখ নির্ধারণ করা হয়েছে ২০২৬ সালের ১ অক্টোবর।অর্থ মন্ত্রক ও সড়ক পরিবহন ও জাতীয় সড়ক মন্ত্রক এই ছয় লেন আপগ্রেডেশনের পক্ষে মত দিয়েছে। তাদের যুক্তি, এই অঞ্চলের কৌশলগত গুরুত্ব এবং আগামী দিনের ট্রাফিক বৃদ্ধির কথা মাথায় রেখে চার লেন যথেষ্ট নয়। দার্জিলিং সাংসদ রাজু বিস্তাও এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন।

তিনি বলেছেন, করোনেশন ব্রিজের বিকল্প হিসেবে এই সেতু (Sevoke)নির্মাণ এ অঞ্চলের মানুষের দীর্ঘদিনের দাবি।ঐতিহাসিক করোনেশন ব্রিজের কথা মনে করলেই বোঝা যায় কেন নতুন সেতু এত জরুরি। ১৯৩৭ থেকে ১৯৪১ সালের মধ্যে নির্মিত এই সেতু ১৯৪১ সালে চালু হয়। শিলিগুড়ি থেকে প্রায় ২৫ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত এই পুরনো সেতু এখনও উত্তরবঙ্গের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ সংযোগ।

আরও দেখুনঃ কে ছিলেন পিঙ্গলি ভেঙ্কাইয়া? জানুন ভারতের জাতীয় পতাকা তৈরির নেপথ্যের ইতিহাস

কিন্তু বয়স ও ক্রমবর্ধমান যানবাহনের চাপে এটি চাপের মুখে। (Sevoke)নতুন ছয় লেনের সেতু তৈরি হলে করোনেশন ব্রিজের উপর চাপ অনেকটাই কমবে। শিলিগুড়ি-ডুয়ার্স করিডোর আরও মজবুত হবে।এই প্রকল্প শুধু যোগাযোগ ব্যবস্থার উন্নতি নয়, অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ডেও নতুন গতি আনবে। চা বাগান, পর্যটন, কৃষিপণ্য পরিবহন সব ক্ষেত্রেই সময় ও খরচ বাঁচবে।

সীমান্ত এলাকার কাছাকাছি হওয়ায় এর কৌশলগত গুরুত্বও অপরিসীম। দার্জিলিং পাহাড়, তরাই ও ডুয়ার্সের মানুষ দীর্ঘদিন ধরে এই সেতুর অপেক্ষায় ছিলেন। বারবার প্রতিশ্রুতি এসেছে, কিন্তু কাজ এগোয়নি। এবার টেন্ডার ডাকা হওয়ায় আশা জাগছে যে শিগগিরই কাজ শুরু হবে।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *