স্বাধীনতা দিবসের আগের রাতেই যোগী রাজ্যে আটক পাক চর বাকার-ফাতিমা
লখনউ: উত্তর প্রদেশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড বা এটিএস কানপুর দেহাত থেকে (UP ATS)বাকার খান এবং তাঁর বোন উরুজ ফাতিমাকে আটক করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের…
লখনউ: উত্তর প্রদেশের অ্যান্টি-টেররিস্ট স্কোয়াড বা এটিএস কানপুর দেহাত থেকে (UP ATS)বাকার খান এবং তাঁর বোন উরুজ ফাতিমাকে আটক করেছে। তাঁদের বিরুদ্ধে পাকিস্তানের সঙ্গে যোগাযোগের সন্দেহ উঠেছে। স্বাধীনতা দিবসের আগে এই অভিযান চালানো হয়েছে। একই দিনে কর্ণাটকেও দুই ব্যক্তিকে আটক করা হয়।
মোহাম্মদ সমীর এবং সলমনকে পাকিস্তান ও আইসিসের সঙ্গে যোগসূত্রের অভিযোগে আটক করা হয়েছে। এতে মোট চারজনকে আটকের খবর পাওয়া গেছে।কানপুর দেহাতের আকবরপুর থানা এলাকার বারা গ্রামে এই অভিযান চালায় নিরাপত্তা সংস্থাগুলো। বাকার খান (৩০) এবং উরুজ ফাতিমা (৩২)-কে তাঁদের বাড়ি থেকে আটক করা হয়। বাড়ি তল্লাশি করে মোবাইল ফোনসহ বিভিন্ন ডিভাইস বাজেয়াপ্ত করা হয়।
আরও দেখুনঃ রফতানি খাতে অব্যাহত সাফল্য! ডেড ইকোনোমি সমালোচনাকে ধূলিস্যাৎ করে রফতানি বাড়ল ১৫%
পরিবারের অন্য সদস্যদের ফোনও পরীক্ষার জন্য নেওয়া হয়েছে। (UP ATS)আটককৃতদের জিজ্ঞাসাবাদের জন্য অন্যত্র নিয়ে যাওয়া হয়েছে।সূত্রের খবর, তাঁদের মোবাইল ফোন ও ডিজিটাল কার্যকলাপে সন্দেহজনক চ্যাট পাওয়া গেছে। পাকিস্তানের নম্বরের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সম্ভাব্য অর্থ লেনদেনের বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে। স্থানীয় পুলিশকে পরে এই অভিযানের বিষয়ে জানানো হয়। এটিএস এবং কেন্দ্রীয় সংস্থাগুলো যৌথভাবে এই পদক্ষেপ নিয়েছে বলে জানা গেছে।
এদিকে কর্ণাটকের কালাবুরাগি এলাকায় মোহাম্মদ সমীর এবং সলমনকে আটক করা হয় (UP ATS)। তাঁরা উত্তর প্রদেশের বাসিন্দা এবং সেখানে কাজ করছিলেন। সামাজিক মাধ্যমে পাকিস্তানভিত্তিক অ্যাকাউন্টের সঙ্গে যোগাযোগ এবং সন্দেহজনক কার্যকলাপের অভিযোগে তাঁদের আটক করা হয়। পুলিশ জানিয়েছে, কিছু অ্যাকাউন্ট পাকিস্তান থেকে পরিচালিত হতে পারে বলে সন্দেহ করা হচ্ছে।
আরও দেখুনঃ চরম জ্বালানি সংকট-বিদ্যুৎ বিভ্রাট! ৮২ লক্ষ লিটার ডিজেল দিয়ে বাংলাদেশের পাশে মোদী সরকার
সমীরের ঘর থেকে মানচিত্রও উদ্ধার হয়েছে বলে কিছু প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।এই আটকগুলো স্বাধীনতা দিবসের আগে নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করার অংশ হিসেবে দেখা হচ্ছে। (UP ATS)দেশজুড়ে সতর্কতা বাড়ানো হয়েছে। সামাজিক মাধ্যম নজরদারি এবং গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে এই অভিযানগুলো চালানো হয়েছে। তদন্ত এখনো চলমান। আটককৃতদের বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট অভিযোগ প্রমাণিত হলে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।