বাংলাদেশে ফের রেক রপ্তানির পথে ভারত, সম্পর্কে আরও উন্নতির ইঙ্গিত?
রেলের রোলিং স্টক বিভাগের আধিকারিকরা জানাচ্ছেন, বাংলাদেশে ভিড়ের সময়ে যাত্রীদের ট্রেনের ছাদে উঠে পড়ার প্রবণতার কথা চিন্তা করে কোচগুলির ছাদ বিশেষ ভাবে শক্তিশালী করা হয়েছে। তা ছাড়া, দুর্ঘটনা ঘটলে সংঘর্ষের অভিঘাত কমিয়ে যাত্রীদের নিরাপত্তা বাড়ানোর লক্ষ্যে ব্যাপক পরিবর্তন আনা হয়েছে রেকের নকশায়। ইউরোপীয় মান ইএন ১৫২২৭ অনুযায়ী ‘ক্র্যাশওয়ার্দি’ অর্থাৎ সংঘর্ষ–সহনশীল বিভিন্ন ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। রেল জানাচ্ছে, এর মাধ্যমে দুই প্রতিবেশী দেশের মধ্যে রেল কোচ নির্মাণ ও প্রযুক্তিগত সহযোগিতার ক্ষেত্রটি আরও শক্তিশালী হবে। ভারতীয় রেলের বক্তব্য, বাংলাদেশের যাত্রিবাহী ট্রেনের পরিষেবায় দীর্ঘপথের যাত্রা, গরম ও আর্দ্র আবহাওয়া এবং অতিরিক্ত ভিড়ের মতো বিষয়গুলি বিবেচনা করে কোচগুলির বিভিন্ন অংশে প্রয়োজনীয় পরিবর্তন করা হয়েছে। এই রৈক তৈরিতে আধুনিক প্রযুক্তি, যাত্রী-স্বাচ্ছন্দ্য ও পরিচালনায় স্থানীয় বাস্তব পরিস্থিতির সমন্বয় ঘটানোর চেষ্টা হয়েছে বলে ভারতীয় রেল জানিয়েছে।