Chief Minister Mamata Banerjee in Bardhaman: মঞ্চে তখন বক্তব্য রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী, আচমকা প্ল্যাকার্ড নিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা সামনে দাঁড়ালেন, সঙ্গে-সঙ্গে মমতা বললেন... - Bengali News | CM Mamata Banerjee: Job seekers arrive with placards amid Chief Ministers Mamata Banerjee speech - 24 Ghanta Bangla News
Home

Chief Minister Mamata Banerjee in Bardhaman: মঞ্চে তখন বক্তব্য রাখছেন মুখ্যমন্ত্রী, আচমকা প্ল্যাকার্ড নিয়ে চাকরিপ্রার্থীরা সামনে দাঁড়ালেন, সঙ্গে-সঙ্গে মমতা বললেন… – Bengali News | CM Mamata Banerjee: Job seekers arrive with placards amid Chief Ministers Mamata Banerjee speech

Spread the love

বর্ধমানে চাকরিপ্রার্থীদের বিক্ষোভ Image Credit source: Facebook

দীক্ষা ভুঁইয়া ও মনোতোষ পোদ্দারের রিপোর্ট

বর্ধমান: মঙ্গলবার মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের (Mamata Banerjee) বর্ধমানে সভা চলছিল। কিন্তু সেই সভার মাঝেই হঠাই কাটল তাল। আচমকা কয়েকজন চাকরিপ্রাথী প্ল্যাকার্ড হাতে চিৎকার করতে শুরু করেন। প্রায় জনা তিরিশ চাকরিপ্রার্থী চাকরির দাবিতে প্ল্যাকার্ড হাতে নিয়ে বিক্ষোভ দেখাতে শুরু করেন। তাঁদের চিৎকারে মাঝখানে প্রায় মিনিট খানেক বক্তৃতা থামিয়ে দিতে বাধ্য হন মুখ্যমন্ত্রী।

এ দিন, মুখ্যমন্ত্রীর সভা ছিল বর্ধমান মিউনিসিপ্যাল হাইস্কুলের মাঠে। সেই সভা চলাকালীন কয়েকজন টেট উত্তীর্ণ বিক্ষোভ দেখান। বিক্ষোভকারীরা জানান, তাঁরা ২০২২-এর প্রাথমিকে টেট উত্তীর্ণ। স্বচ্ছভাবে তাঁরা পাশ করেছেন। কিন্তু আজও তাঁদের নিয়োগ হয়নি। সেই কারণে তাঁরা চান, চেয়ারম্যানের ঘোষণা মত ৫০ হাজার শূন্যপদে তাঁদের নিয়োগ করা হোক। মুখ্য়মন্ত্রী বক্তৃতা থামাতেই ছুটে আসেন মুখ্যমন্ত্রীর নিরাপত্তায় থাকা এবং পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ আধিকারিকরা। নিয়ে নেওয়া হয় প্ল্যাকার্ড। মমতা বলেন, “প্রশাসনকে অনুরোধ করব মিটিংয়ের সময় সংবাদ মাধ্যমের পিছনে ব্যারিকেড করতে। যাতে ওদেরও অসুবিধা না হয়, আর অন্যদেরও অসুবিধা না হয়।”

এরপরই প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে গত তিন-চার দিন ধরে যেখানে পূর্ব বর্ধমান জেলার পুলিশ এবং মুখ্যমন্ত্রীর দায়িত্বে থাকা নিরাপত্তারক্ষীরা মাঠ পরিদর্শন করেন। কোথায় কারা বসবেন ঠিক করেন। অথচ, মঙ্গলবার সভার ভিতরে ঢোকানোর সময় তাঁদের চোখ এড়িয়ে কী করে জনা ৩০ চাকরি প্রার্থী প্ল‍্যাকার্ড হাতে ‘ডি’ জোন লাগোয়া এলাকায় পৌঁছে গেলেন? উঠছে প্রশ্ন। এমনকী, খোদ মুখ্যমন্ত্রীকে চিৎকার করে বলতে হল এরপর থেকে ‘ডি’ জোন এবং সাধারণ মানুষের বসার জায়গার মাঝে ব্যারিকেড তৈরি করে দেবেন।

এ প্রসঙ্গে আয়েষা খাতুন বলেন,”আমরা ২০২২ সালের টেট প্রার্থী। স্বচ্ছভাবে উত্তীর্ণ হয়েছি। দীর্ঘ পাঁচ বছর হয়ে যাওয়ার পরও কোনও নিয়োগ হয়নি। মুখ্যমন্ত্রী বলছেন, ১ লক্ষ ভ্যাকান্সি আছে। অথচ আমাদের নিয়োগ হচ্ছে না। আমরা এখানে ওইখানে ঘুরছি। চাকরি পাচ্ছি না।”

প্রসঙ্গত, এর আগে ২০১৩ সালে মুখ্যমন্ত্রীর এমনই এক সভায় বিনপুরে শিলাদিত‍্য নামে এক ব্যক্তি একই কায়দায় সারের দাম বৃদ্ধি নিয়ে বিক্ষোভ দেখান। তাঁকে মাওবাদী বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।

কিন্তু অতীতের একাধিক শিক্ষা নিয়েও যৌথ ভাবে নিরাপত্তার দায়িত্বে পূর্ব বর্ধমানের পুলিশ এবং মুখ্যমন্ত্রীর নিজস্ব নিরাপত্তার দায়িত্বে থাকা আধিকারিকদের চোখ এড়িয়ে এতজন সভায় ঢুকল কী করে  বারেবারে উঠছে সেই একই প্রশ্ন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *