Norton Manx R-এর ওয়ান-অফ স্পেশাল এডিশন, নজরকাড়া ডিজাইনে চমক
গুরুগাঁও: নর্টন তাদের ফ্ল্যাগশিপ ম্যানক্স আর সুপারবাইকের একটি ওয়ান-অফ (Norton Manx R) সংস্করণ প্রকাশ করেছে। সমসাময়িক মোটরস্পোর্ট ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড পিসফুল রিসার্চের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে…
গুরুগাঁও: নর্টন তাদের ফ্ল্যাগশিপ ম্যানক্স আর সুপারবাইকের একটি ওয়ান-অফ (Norton Manx R) সংস্করণ প্রকাশ করেছে। সমসাময়িক মোটরস্পোর্ট ও লাইফস্টাইল ব্র্যান্ড পিসফুল রিসার্চের সঙ্গে যৌথ উদ্যোগে তৈরি এই বিশেষ মোটরসাইকেলটির নাম ম্যানক্স (পি)আর। ব্রিটিশ মোটোজিপি ইভেন্টে সিলভারস্টোনে প্রথমবার বাইকটি প্রদর্শন করা হয়েছে। এর সবচেয়ে বড় আকর্ষণ হল মেটালিক পিঙ্ক এবং ডিপ পার্পল রঙের নজরকাড়া কম্বিনেশন।
স্ট্যান্ডার্ড ম্যানক্স আর-এর একাধিক রঙের বিকল্প থাকলেও বিশেষ সংস্করণটির ডিজাইন একেবারেই আলাদা। স্ট্যান্ডার্ড বাইকটি ট্রফি সিলভার, ম্যাট্রিক্স ব্ল্যাক, সেলেস্টিয়াল গ্রে, অ্যাকোয়া গ্রিন, কার্বন এবং গ্লেসিয়ার ব্লু রঙে পাওয়া যায়। কিন্তু ম্যানক্স (পি)আর-এ ব্যবহার করা হয়েছে অসমমিত গ্রাফিক্স। বডি প্যানেলের উপর বড় করে ‘পি’ এবং ‘আর’ লেখা রয়েছে। বিভিন্ন দিক থেকে বাইকটি দেখলে এই গ্রাফিক্সের বিন্যাসও একরকম দেখায় না।
বাইকের পিছনের অংশে থাকা ‘২৬’ গ্রাফিকটি এই যৌথ উদ্যোগের বছরকে নির্দেশ করে। এর ফিনিশিংয়ে পেইন্ট এবং ভিনাইলের সঙ্গে পার্লেসেন্ট ল্যাকার ব্যবহার করা হয়েছে, যার মধ্যে পার্পল ফ্লেক রয়েছে। নর্টনের দাবি, বাইকটিকে সম্পূর্ণভাবে খুলে ফেলা, পেইন্ট করা, র্যাপিং, ল্যাকার দেওয়া এবং ফের তৈরি করতে মোট ১০ দিন সময় লেগেছে। ফলে এটি শুধুমাত্র নতুন রঙের একটি সংস্করণ নয়, বরং নর্টনের রেসিং ঐতিহ্যের একটি সম্পূর্ণ ভিন্নধর্মী ব্যাখ্যা।
Also Read | আকাশে উড়ল উত্তরাখণ্ডের তরুণের তৈরি বৈদ্যুতিক যান! ব্যক্তিগত উড়ন্ত গাড়ির স্বপ্নে বড় সাফল্য
ম্যানক্স (পি)আর ভবিষ্যতে আরও কয়েকটি অনুষ্ঠানে প্রদর্শন করা হবে। কোন কোন অনুষ্ঠানে বাইকটি দেখা যাবে, সেই তারিখগুলি নর্টন তাদের সোশ্যাল মিডিয়া চ্যানেলের মাধ্যমে জানাবে।
তবে এই বিশেষ বাইকটি সাধারণ ক্রেতাদের জন্য বিক্রি করা হবে কি না, তা এখনও নিশ্চিত করেনি নর্টন। ভবিষ্যতে বিক্রির জন্য আনা হলে এর দাম স্ট্যান্ডার্ড ম্যানক্স আর-এর তুলনায় যথেষ্ট বেশি হতে পারে। স্ট্যান্ডার্ড ম্যানক্স আর-এর দাম শুরু হচ্ছে ২০,২৫০ পাউন্ড, ভারতীয় মুদ্রায় যা প্রায় ২৬.০৮ লক্ষ টাকা।
ম্যানক্স আর অ্যাপেক্স সংস্করণের দাম ২৪,৭৫০ পাউন্ড, অর্থাৎ প্রায় ৩১.৮৮ লক্ষ টাকা। অন্যদিকে রেঞ্জের সবচেয়ে দামি সিগনেচার এডিশন-এর দাম ৩৮,৭৫০ পাউন্ড, ভারতীয় মুদ্রায় প্রায় ৪৯.৯২ লক্ষ টাকা।
Also Read | ১২ আগস্ট আসছে নতুন Bajaj Pulsar! ক্লাসিক লাইন-আপে বড় আপডেটের ইঙ্গিত
সিগনেচার এডিশনে কার্বন-ফাইবার বডিওয়ার্ক, রোটোবক্স কার্বন হুইল, সিঙ্গল-সিট লেআউট এবং ডিসপ্লে ও লাইটিং সিস্টেমের জন্য আলাদা স্টার্ট-আপ সিকোয়েন্স রয়েছে।
পারফরম্যান্সের দিক থেকেও ম্যানক্স আর যথেষ্ট শক্তিশালী। এতে রয়েছে নতুন ১,২০০ সিসি লিকুইড-কুলড ভি৪ ইঞ্জিন। এই ইঞ্জিন সর্বোচ্চ ২০৬ বিএইচপি শক্তি উৎপন্ন করে ১১,৫০০ আরপিএমে। সর্বোচ্চ টর্ক ১৩০ এনএম, যা পাওয়া যায় ৯,০০০ আরপিএমে।
ইঞ্জিনের পাশাপাশি ম্যানক্স আর-এ নতুন করে তৈরি চ্যাসিস, বডিওয়ার্ক এবং ইলেকট্রনিক সিস্টেমও ব্যবহার করা হয়েছে। ফলে ম্যানক্স (পি)আর-এর নজরকাড়া ডিজাইনের পাশাপাশি এর ভিত্তি হিসেবে থাকা ম্যানক্স আর নিজেই একটি অত্যন্ত শক্তিশালী পারফরম্যান্স মোটরসাইকেল।