পান মশলার প্লাস্টিকের মোড়ক নিষিদ্ধ! কড়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের - 24 Ghanta Bangla News
Home

পান মশলার প্লাস্টিকের মোড়ক নিষিদ্ধ! কড়া নির্দেশিকা কেন্দ্রের

Spread the love

নয়াদিল্লি: পান মশলা বিক্রিতে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে এর মোড়ক বা প্যাকেজিংয়ের ক্ষেত্রে এ বার কড়া পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ…

নয়াদিল্লি: পান মশলা বিক্রিতে কোনও নিষেধাজ্ঞা নেই, তবে এর মোড়ক বা প্যাকেজিংয়ের ক্ষেত্রে এ বার কড়া পদক্ষেপ করল কেন্দ্র। ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস অথরিটি অফ ইন্ডিয়া (FSSAI) পান মশলার প্যাকেজিংয়ের জন্য নতুন নিয়ম জারি করেছে। নয়া নিয়ম অনুযায়ী, পান মশলার প্যাকেট তৈরি করতে আর কোনও রকম প্লাস্টিক, অ্যালুমিনিয়াম ফয়েল বা মেটালাইজড স্তর (metallised layers) ব্যবহার করা যাবে না। সোমবার (১০ অগস্ট) ‘দ্য ফুড সেফটি অ্যান্ড স্ট্যান্ডার্ডস (প্যাকেজিং) অ্যামেন্ডমেন্ট রেগুলেশনস, ২০২৬’-এর গ্যাজেট বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে এই নতুন নিয়মের কথা জানানো হয়েছে।

কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্য মন্ত্রকের অধীনে থাকা এফএসএসএআই (FSSAI) জানিয়েছে, এ বার থেকে পান মশলা শুধুমাত্র কাগজ, পেপারবোর্ড, সেলুলোজ বা প্রাকৃতিকভাবে তৈরি অন্য কোনও উপাদানে প্যাক করা যাবে। তবে শর্ত হলো, এই উপাদানগুলি সম্পূর্ণ প্লাস্টিকমুক্ত হতে হবে। বিজ্ঞপ্তিতে স্পষ্ট বলা হয়েছে, প্যাকেজিংয়ে পলিথিন, পলিপ্রোপিলিন, পলিয়েস্টার, পলিভিনাইল ক্লোরাইড (PVC) বা অন্য কোনও সিন্থেটিক পলিমার এবং ল্যামিনেট ব্যবহার করা যাবে না। কড়াকড়ি এতটাই যে, কাগজের মোড়কের ভেতরেও কোনও প্লাস্টিক বা মেটালাইজড স্তর রাখা যাবে না। এর পাশাপাশি, প্রস্তুতকারক সংস্থাগুলি চাইলে পান মশলা ভরার জন্য বিকল্প হিসেবে টিন বা কাঁচের পাত্রও ব্যবহার করতে পারে।

২০১৮ সালের প্যাকেজিং নিয়মাবলি সংশোধন করে ‘শিডিউল ৪’-এর অধীনে পান মশলাকে যুক্ত করে এই নতুন নিয়ম জারি করা হয়েছে। এফএসএসএআই স্পষ্ট করে দিয়েছে যে, এই বিজ্ঞপ্তি কোনও ভাবেই পান মশলা নামক পণ্যটিকে নিষিদ্ধ করার জন্য নয়, বরং প্লাস্টিক-জাতীয় মোড়ক থেকে বেরিয়ে আসার একটি পরিবেশবান্ধব পদক্ষেপ। এর ফলে পান মশলার প্যাকেজিংয়ের ক্ষেত্রে ১৯৮৬ সালের পরিবেশ (সুরক্ষা) আইনের অধীনে তৈরি হওয়া ‘প্লাস্টিক বর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিয়ম, ২০১৬’-এর নির্দিষ্ট কিছু নিয়মও প্রযোজ্য হবে।

সরকারি গ্যাজেটে প্রকাশের দিন থেকেই এই নতুন নিয়ম কার্যকর হয়েছে। উল্লেখ্য, গত ২৮ এপ্রিল প্রথম এই সংশোধনীটির খসড়া প্রকাশ করেছিল এফএসএসএআই। এরপর টানা ৬০ দিন ধরে সাধারণ মানুষ ও বিশেষজ্ঞদের মতামত নেওয়া হয়। সেই সমস্ত মতামত ও আপত্তি খতিয়ে দেখার পরই কেন্দ্রীয় সরকারের অনুমোদন সাপেক্ষে এই চূড়ান্ত বিজ্ঞপ্তি জারি করল ভারতের খাদ্য নিয়ামক সংস্থা।

বাড়ি সংক্রান্ত নথি তলব! আজই পুরসভার দফতরে যেতে পারেন অভিষেকের বাবা

জোরকদমে দল গঠন! ইমামির বিদায়ের পর ইস্টবেঙ্গলের ভরসা জুপিটার,

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *