১৫০টি প্রশ্নের মধ্যে ১২০টি উত্তর ফাঁস হোয়াটসঅ্যাপ-ল্যান্ডফোনে, CID-র চাঞ্চল্যকর রিপোর্ট প্রকাশ্যে
২০২৪ সালে প্রশ্নফাঁসের কারণে স্টাফ সিলেকশন কমিশনের প্রথম পরীক্ষাটি বাতিল হয়ে গিয়েছিল। পরে দ্বিতীয় বার পরীক্ষা হয় ওই বছরের ২১ ও ২২ সেপ্টেম্বরে। অনিয়ম ঠেকাতে পরীক্ষা চলাকালীন রাজ্য জুড়ে ইন্টারনেট পরিষেবাও বন্ধ রাখা হয়েছিল। কিন্তু তা সত্ত্বেও সেই পরীক্ষার উত্তরপত্র ফাঁস হয়। সংবাদমাধ্যম এনডিটিভি জানিয়েছে, সিআইডি-র সেই রিপোর্ট তাদের হাতে এসেছে। তাতে বলা হয়েছে, হাজারিবাগ, জামশেদপুর, পাটনা এবং পশ্চিমবঙ্গ, এমনকী নেপালের বিভিন্ন জায়গা থেকে পরীক্ষার উত্তরপত্র পরীক্ষার্থীদের পাঠানো হয়েছিল টাকার বিনিময়ে।
চাকরিপ্রার্থীদের একাংশের দাবি, ল্যান্ডলাইন থেকে ফোন করেও মুখে মুখে উত্তর বলে দেওয়া হয়েছিল। জিত কুমার নামে এক চাকরিপ্রার্থী এনডিটিভি-কে বলেন, ‘আমরা শুধু উত্তরপত্র পেয়েছিলাম। প্রশ্ন পাইনি। পরীক্ষার পরে দেখলাম, যা উত্তর দেওয়া পেয়েছিলাম, সব মিলে গিয়েছে।’ জিত-সহ বেশ কয়েক জন চাকরিপ্রার্থী রাঁচীর আদালতে এ নিয়ে মামলা করেছেন। আদালতে উত্তরপত্রের কিছু ছবিও জমা দেওয়া হয়েছে। এনডিটিভি-র প্রতিবেদন অনুযায়ী, একটি ছবিতে দেখা গিয়েছে, সেটি পরীক্ষার দিন, অর্থাৎ ২২ সেপ্টেম্বর সকাল ৭.২৩ মিনিটে তোলা হয়েছে। অর্থাৎ, পরীক্ষার ঠিক আগে। ছবিটিতে জায়গার নাম হিসেবে রয়েছে জামশেদপুর।