পারিবারিক অশান্তির জের, সন্তানকে 'চুরি'র চেষ্টা বাবার - 24 Ghanta Bangla News
Home

পারিবারিক অশান্তির জের, সন্তানকে 'চুরি'র চেষ্টা বাবার

Spread the love

এই সময়, জলপাইগুড়ি: পারিবারিক গন্ডগোলের জেরে এক বছরের শিশুসন্তানকে নিয়ে বাপের বাড়ি চলে এসেছিলেন স্ত্রী। শ্বশুরবাড়ি থেকে সেই সন্তানকে নিয়ে পালাতে গিয়ে ধরা পড়ে গেলেন স্বামী। বাচ্চা চোর ভেবে এলাকার মানুষজন হইচই শুরু করলে নিজের সন্তানকে ফেলে পালান তিনি। শুক্রবার রাতে এমনই চাঞ্চল্যকর ঘটনা ঘটেছে জলপাইগুড়ি শহরের বোস পাড়া এলাকায়। ওই বাড়ির সামনে ভিড় জমে যায়। খবর দেওয়া হয় কোতয়ালি থানায়। অভিযুক্ত রানা মণ্ডলের বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের হয়। তবে তাঁকে ধরতে পারেনি পুলিশ।

জানা গিয়েছে, কয়েক বছর আগে বোস পাড়ার বাসিন্দা গীতার সঙ্গে বিয়ে হয় হয় জলপাইগুড়ি শহর সংলগ্ন পাহাড়পুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকার বাসিন্দা রানা মণ্ডলের। রানা প্রায় দিনই নেশা করতেন বলে অভিযোগ। যা নিয়ে গীতার সঙ্গে তাঁর অশান্তি হতো। গীতা বলেন, ‘আমি বারবার বারণ করা সত্বেও ও মদ ছাড়েনি। এ নিয়ে গন্ডগোলের কারণে আমি একবছরের মেয়েকে নিয়ে কয়েক দিন আগে বাপের বাড়ি চলে আসি। আসার সময় স্বামী বাচ্চাকে রেখে যাওয়ার জন্য চাপ দিচ্ছিল। কিন্তু যেহেতু ও নেশা করে, তাই কার ভরসায় বাচ্চাকে রেখে আসব?’ শুক্রবার রাত সাড়ে নটা নাগাদ গীতা বাচ্চাকে ঘরে রেখে শৌচালয়ে যান। ঠিক তখনই রানা ঘরে ঢুকে সন্তানকে নিয়ে চলে যান বলে অভিযোগ। তিনি আগে এসে শ্বশুর বাড়ির বাইরে থেকে পরিস্থিতি লক্ষ্য করছিলেন বলে অনুমান। স্ত্রী বাথরুমে যেতেই তিনি বাচ্চাকে নিয়ে চলে আসেন।

স্থানীয় বাসিন্দা সীমা ঘোষ বলেন, ‘আমি রান্না ঘরে কাজ করছিলাম। সেই সময়ে দেখি এক ব্যক্তি একটি শিশুকে কোলে নিয়ে দ্রুত চলে যাচ্ছে। আর শিশুটি কাঁদছে। আমার সন্দেহ হওয়ায় বাড়ির অন্যদের সঙ্গে সঙ্গে বিষয়টি বলি। বাড়ির লোকেরা তৎক্ষণাৎ বাইরে গিয়ে লোকটিকে ডাকতে থাকেন। ডাক শুনে লোকটা বাচ্চাটাকে রাস্তার পাশে ফেলে দৌড়ে পালিয়ে যান।’ পরে বাচ্চাটাকে উদ্ধারের পর দেখা যায় সেটি গীতার সন্তান। এই ঘটনা জানাজানি হতেই নিমেষের মধ্যে ভিড় জমা যায় বোস পাড়া এলাকায়। খবর যায় পুলিশে। গীতা বলেন, ‘আমি বাথরুমে থেকে এসে দেখি বাচ্চাটা নেই। তারপরই বাইরে হইচই শুনি। বেরিয়ে এসে দেখি এই ব্যাপার। বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়েছে।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *