FCRA Bill: 'সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়', FCRA বিল নিয়ে অন্যের নাক গলানো পছন্দ নয়, আমেরিকাকে বুঝিয়ে দিল দিল্লি | India Rejects Riley Moore's Criticism of FCRA Amendment Bill, MEA Calls It an Internal Issue - 24 Ghanta Bangla News
Home

FCRA Bill: ‘সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়’, FCRA বিল নিয়ে অন্যের নাক গলানো পছন্দ নয়, আমেরিকাকে বুঝিয়ে দিল দিল্লি | India Rejects Riley Moore’s Criticism of FCRA Amendment Bill, MEA Calls It an Internal Issue

Spread the love

নয়া দিল্লি: সংসদে পেশ হওয়া বিদেশি অনুদান সংক্রান্ত বিল(Foreign Contribution Regulation Amendment Bill, 2026) নিয়ে মার্কিন কংগ্রেস সদস্য রাইলি মুরের সমালোচনার কড়া জবাব দিল ভারতের বিদেশ মন্ত্রক (MEA)। বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল (Randhir Jaiswal) স্পষ্ট জানিয়ে দেন, ভারতের আইন প্রণয়ন সম্পূর্ণ অভ্যন্তরীণ বিষয়। বিশ্বের বহু দেশের মতো আমেরিকাতেও বিদেশি অর্থায়ন নিয়ন্ত্রণে আইন রয়েছে বলেও উল্লেখ করেন তিনি।

সম্প্রতি, রাইলি মুর অভিযোগ করেছিলেন, বিদেশ অনুদান সংক্রান্ত প্রস্তাবিত সংশোধনী বিলটি খ্রিস্টানদের উপর স্পষ্ট আক্রমণ এবং এর প্রভাব ভারত-আমেরিকা দ্বিপাক্ষিক সম্পর্কেও পড়তে পারে। তিনি ভারত সরকারকে বিলটি পুনর্বিবেচনারও আহ্বান জানান।

কী বলল বিদেশ মন্ত্রক?

সংবাদমাধ্যমের প্রশ্নের উত্তরে বিদেশ মন্ত্রকের মুখপাত্র রণধীর জয়সওয়াল বলেন,”ভারতে আইন প্রণয়নের একটি সুপ্রতিষ্ঠিত গণতান্ত্রিক প্রক্রিয়া রয়েছে। তাই দেশের আইনকে ভারতের সাংবিধানিক ও আইনি কাঠামোর মধ্যেই বিচার করা উচিত।” তাঁর কথায়, “ভারতের মতো আমেরিকাসহ বিশ্বের একাধিক দেশ বিদেশি অনুদান নিয়ন্ত্রণে নিজস্ব আইন প্রয়োগ করে। ফলে এই বিষয়ে ভারতের আইন নিয়ে বাইরের কোনও দেশের মন্তব্যের কোনও ভিত্তি নেই।

কী রয়েছে সংশোধনী বিলে?

প্রস্তাবিত সংশোধনী বিলে ২০১০ সালের FCRA আইনে সংশোধনের প্রস্তাব রাখা হয়েছে। বর্তমানে এই আইন অনুযায়ী ব্যক্তি, সংগঠন এবং বেসরকারি সংস্থাগুলির (NGO) বিদেশি অনুদান গ্রহণ ও ব্যবহারের নিয়ম নির্ধারিত হয়। সংশোধনী অনুযায়ী, কোনও সংস্থার FCRA রেজিস্ট্রেশন বাতিল বা নবীকরণ না হলে, সরকার মনোনীত একটি কর্তৃপক্ষ সাময়িকভাবে ওই সংস্থার বিদেশি অনুদান এবং সংশ্লিষ্ট সম্পদের দেখভালের দায়িত্ব নিতে পারবে।

তবে যদি বিষয়টি কোনও ধর্মীয় উপাসনালয় বা ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের ক্ষেত্রে হয়, তাহলে সম্পত্তি পরিচালনার সময় তার ধর্মীয় চরিত্র অক্ষুণ্ণ রাখতে হবে বলেও বিলে উল্লেখ রয়েছে।

সরকারের কী বক্তব্য?

কেন্দ্রীয় সরকারের দাবি, সংশোধনীর উদ্দেশ্য কোনও ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের নিয়ন্ত্রণ নেওয়া নয়। বরং বিদেশি অনুদানে তৈরি সম্পদের সুরক্ষা, স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং আইন অনুযায়ী সঠিকভাবে পরিচালনা নিশ্চিত করাই এর লক্ষ্য। যদিও প্রস্তাবিত বিলটি নিয়ে দেশ-বিদেশে রাজনৈতিক বিতর্ক শুরু হয়েছে। সমালোচকদের একাংশের আশঙ্কা, এর ফলে সরকারের নজরদারির পরিধি আরও বাড়তে পারে। তবে বিদেশ মন্ত্রক স্পষ্ট করে দিয়েছে, ভারতের আইন প্রণয়নের বিষয় ভারতের নিজস্ব নীতি নির্ধারণের অংশ এবং তা দেশের সাংবিধানিক কাঠামোর মধ্যেই বিবেচিত হওয়া উচিত।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *