সক্রিয় রাজ্য, শিক্ষক-শিক্ষাকর্মীদের বকেয়া ডিএ মেটানোর প্রক্রিয়া শুরু
বকেয়া মহার্ঘ ভাতা (ডিএ) নিয়ে কর্মীদের সঙ্গে রাজ্য সরকারের দীর্ঘ লড়াইয়ে ইতি টেনেছিল সুপ্রিম কোর্টের নির্দেশ। পূর্বতন তৃণমূল সরকার বরাবরই কেন্দ্রীয় হারে বকেয়া ডিএ দেওয়ার বিরুদ্ধে ছিল। তবে শেষ পর্যন্ত সুপ্রিম কোর্টের রায় রাজ্য সরকারি কর্মীদের পক্ষেই গিয়েছিল। তার পরেও পূর্বতন সরকার ডিএ নিয়ে চুপচাপ ছিল। শেষমেশ ১৫ মার্চ, বিধানসভা ভোট ঘোষণা হওয়ার ৫৫ মিনিট আগে তৎকালীন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ঘোষণা করেন, শীর্ষ আদালতের নির্দেশ মতো বকেয়া মহার্ঘ ভাতার একটি অংশ মার্চের মধ্যেই দেওয়া হবে। সেই ঘোষণা অনুযায়ী, মার্চেই বকেয় ডিএ-র একটি অংশ সরকারি কর্মীরা প্রভিডেন্ট ফান্ডে এবং পেনশনভোগীরা তাঁদের ব্যাঙ্ক অ্যাকাউন্টে পেয়ে যান। তবে সরকারি সাহায্যপ্রাপ্ত (গ্রান্ট-ইন-এইড) স্কুলের শিক্ষক-শিক্ষাকর্মী, পঞ্চায়েত ও পুরসভার কর্মীরা সেই বকেয়া ডিএ পাননি। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পরে একাধিক বার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হলেও বকেয়া মহার্ঘ ভাতা পাননি সরকারি কর্মীদের ওই অংশ। তবে সূত্রের খবর, সেই প্রক্রিয়া এবার শুরু হয়েছে। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের অধীন আইটি কর্মীদের (যাঁরা বেতন ও অন্যান্য প্রশাসনিক পোর্টালে বিল জমা করার দায়িত্বে থাকেন) নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, ওই নির্দিষ্ট পোর্টালগুলিতে এই মুহূর্তে অন্য কোনও বকেয়া টাকার বিল যাতে জমা না–দেওয়া হয়, তার জন্য। ওই দপ্তরগুলিকে আগামী ১৫ দিনের মধ্যে বকেয়া ডিএ-র বিল তৈরি রাখতে বলা হয়েছে।