পূর্ব বর্ধমান জেলায় পৃথক পথ দুর্ঘটনায় মৃত ৪, আশঙ্কাজনক ২
একের পর এক দুর্ঘটনায় মৃত্যু
পথ নিরাপত্তা সপ্তাহের সূচনা হতে না হতে একের পর এক দুর্ঘটনা ঘটেছে জেলার বিভিন্ন প্রান্তে। পথ নিরাপত্তা সপ্তাহের সূচনার ২৪ ঘণ্টা কাটতে না কাটতেই পথ দুর্ঘটনায় প্রাণ হারালেন ৪ জন।
সোমবার সন্ধ্যায় ভাতার থানার বড়া চৌমাথা এলাকায় যাত্রী নামিয়ে ফেরার পথে একটি টোটোকে ধাক্কা মারে একটি ডাম্পার। গুরুতর আহত হন টোটোচালক মোরশেলেম শেখ (৬১)। তাঁকে বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সোমবার রাতেই তাঁর মৃত্যু হয়। তাঁর বাড়ি গুসকরার খাদিমপাড়া এলাকায়।
অন্য দিকে, মঙ্গলবার দুপুর ১২ টা নাগাদ বর্ধমান কালনা রোডের কল্যাণপুর মোড় এলাকায় মোটর সাইকেলের সঙ্গে মারুতি গাড়ির সংঘর্ষে প্রাণ হারিয়েছেন শ্যামল দাস (৩২)। তাঁর বাড়ি কালনা রোডের কপিবাগান এলাকায়। এই দুর্ঘটনায় সৌরভ পণ্ডিত নামে একজন গুরুতর জখম হয়েছেন। তাঁকে ভর্তি করা হয়েছে। বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। তাঁর বাড়ি হাটগোবিন্দপুর এলাকায়।
এরই পাশাপাশি মঙ্গলবার সকাল ৯ টা নাগাদ পূর্ব বর্ধমানের রায়না থানার খালেরপুল এলাকায় পথ দুর্ঘটনায় এক সাইকেল আরোহীর মৃত্যু হয়েছে। মৃতের নাম উজির আলি খাঁ (১০৩)। তাঁর বাড়ি রায়না থানার উদয়কৃষ্ণপুর এলাকায়। পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, বর্ধমানের দিক থেকে বাঁকুড়া মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন শতায়ু ওই ব্যক্তি। লরির পাশ দিয়ে সাইকেল নিয়ে যাবার সময় ধাক্কা লাগলে নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পড়ে যান উজির আলি। লরির পিছনের চাকায় পিষ্ট হয়ে ঘটনাস্থলেই মৃত্যু হয় তাঁর। দুর্ঘটনার পরই স্থানীয় মানুষ ক্ষোভে ফেটে পড়েন। সাময়িক যানজটের সৃষ্টি হয়। পরে রায়না থানার পুলিশ পৌঁছে মৃতদেহ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে যান চলাচল স্বাভাবিক করে।
এদিকে, ১১৪ নম্বর জাতীয় সড়কের করঞ্চি মোড়ে একটি দাঁড়িয়ে থাকা ডাম্পারের পিছনে আর একটি ডাম্পার ধাক্কা মারে। ওই ঘটনায় গুরুতর জখম অবস্থায় গাড়িটির চালক ও খালাসিকে নিয়ে আসা হয় বর্ধমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে। সেখানেই লরর খালাসি শেখ নাসিরুলকে মৃত ঘোষণা করেন চিকিৎসক। নাসিরুলের বাড়ি বীরভূমের সাঁইথিয়া থানার মাঠপলশা গ্রামে। আশঙ্কাজনক অবস্থায় হাসপাতালে চিকিৎসাধীন চালক শেখ সিজারুল্র