আশাকর্মীর মৃত্যুতে ৪ জেলায় প্রতিবাদ, আশ্বাস স্বাস্থ্যমন্ত্রীর
উদ্ভূত পরিস্থিতি সামাল দিতে এ দিনই বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি এবং আশাকর্মী সংগঠনের প্রতিনিধিদের তলব করে রাজ্য স্বাস্থ্য দপ্তর। বৈঠকে ছিলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী শারদ্বত মুখোপাধ্যায়, স্বাস্থ্য সচিব নারায়ণস্বরূপ নিগম, মৃতের পরিবারের সদস্যরা। সংগঠনের অভিযোগ, ‘আয়ুষ্মান ভারত’ ই-কেওয়াইসির বাড়তি কাজ নিয়ে সবাইকে এক জায়গায় ডাকার জন্য বিধায়কের কাছে অপমানিত হন রুম্পা-সহ অন্য আশাকর্মীরা। তাঁদের হুমকির মুখেও পড়তে হয়। পরে অসুস্থ হয়ে মৃত্যু হয় রুম্পার। পরিবারের দাবি, ঘটনাটি স্বাভাবিক মৃত্যু নয়। সংগঠনের দাবি, মোটা অঙ্কের ক্ষতিপূরণের পাশাপাশি মৃতের পরিবারের একজনকে সরকারি চাকরি দিতে হবে। বৈঠক শেষে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, বাড়ি বাড়ি গিয়ে ই-কেওয়াইসি বাধ্যতামূলক নয়, আশাকর্মীরা সুবিধামতো এক জায়গায় বসে কাজ করতে পারবেন। চাকরির দাবি বিবেচনাধীন। তাঁর কথায়, ‘ঘটনাটি অত্যন্ত অনভিপ্রেত।’