Express Train: ২০০ মিটার আগে থেকে চালক দেখতে পান লাল সিগন্যাল, কীভাবে চলে সুপারফাস্ট ট্রেনের সিগন্যালিং? | The driver sees the red signal 200 meters ahead, how does the signaling of a superfast train work?
নয়াদিল্লি: ঘণ্টায় ১৩০ কিলোমিটার বেগে ছুটে চলেছে ট্রেন। ভিতরে রয়েছে শ’য়ে-শ’য়ে যাত্রী। প্রয়োজনে লাল সিগন্যাল দেখে থেমে যায় সেই ট্রেনটি। কীভাবে চলে এক্সপ্রেসের ট্রেনের সিগন্যালিং ব্যবস্থা? কোন রঙের সিগন্যাল দেখে বন্দে-ভারত কিংবা দূরন্ত কিংবা রাজধানী বা শতাব্দীর মতো দ্রুত গতির এক্সপ্রেস ট্রেন থেমে যায় এক মুহূর্তে? চালকই বা বোঝেন কীভাবে এবার ট্রেনকে কখন কোথায় থামাতে হবে? চলুন জেনে নেওয়া যাক।
কোন রঙের সিগন্যাল চালককে কী ইঙ্গিত দেয়?
সবুজ সিগন্যাল- পথ পরিষ্কার থাকার ইঙ্গিত দেয়।
ডাবল হলুদ সিগন্যাল- এই সিগন্যাল দেখে লোকো পাইলট বুঝে যান এবার ট্রেনের গতি কমাতে হবে। মূলত, ঘণ্টায় ১১০ কিলোমিটারের বেশি গতির রুটে প্রায় ২ কিলোমিটার আগে অতিরিক্ত আগাম সতর্কতা বা ডাবল ডিস্ট্যান্ট সিগন্যালও ব্যবহার করা হয়। ট্রেন থামাতে সেই কারণে লোকো পাইলট পর্যাপ্ত সময় হাতে পান।
সিঙ্গেল হলুদ সিগন্যাল- ট্রেনের গতি আরও কমে। লোকো পাইলট ট্রেনের গতিকে নিজের নিয়ন্ত্রণে নিয়ে চলে আসেন।
লাল বা স্টপ সিগন্যাল- ২০০ মিটার দূর থেকে দেখানো শুরু করা হয়। লোকোপাইলট যাতে স্পষ্টভাবে তা দেখতে পান তার নজরে রাখা হয়। এরপর লাল সিগন্যাল দেখিয়ে ট্রেন থামানো হয়।
তবে লাল সিগন্যাল কখনও হঠাৎ জ্বলে ওঠে না। ট্রেনের গতি, ওজন, লাইনের ঢাল, আবহাওয়া,সংশ্লিষ্ট রেলের পরিচালন বিধি অনুযায়ী লোকো পাইলট ধাপে ধাপে ব্রেক প্রয়োগ করে ট্রেনের গতি নিয়ন্ত্রণ করেন।