Arshad Nadeem: পাকিস্তান ফেডারেশনের সাহায্য পাননি আরশাদ, বিস্ফোরক অভিযোগে চাঞ্চল্য পাক মহলে! | Arshad Nadeem’s Commonwealth Games Failure Sparks Questions Over Pakistan’s Support System
পাকিস্তান: সদ্যই শেষ হয়েছে কমনওয়েলথ গেমস। এই প্রতিযোগিতায় জ্যাভেলিনে রুপো জিতে আবার দেশের মুখ উজ্জ্বল করেছেন নীরজ চোপড়া। কিন্তু ২০২৪ সালের অলিম্পিক সোনাজয়ী পাকিস্তানের আরশাদ নাদিমের পারফরম্যান্স হতাশাজনক। এরপরই সমালোচনার মুখে পড়েছেন তিনি। গ্লাসগোয় প্রত্যাশা পূরণ করতে না পারায় শুধু তাঁর ফর্ম নয়, প্রতিযোগিতার আগে তাঁকে যে ধরনের প্রস্তুতি ও সমর্থন দেওয়া হয়েছিল, তা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
গতবারের কমনওয়েলথ গেমসের সোনাজয়ী নিজের কেরিয়ারের অন্যতম খারাপ পারফরম্যান্স করেন। তিনি ৮০ মিটারের বেশি জ্যাভলিন ছুঁড়তে না পেরে নবম স্থানে শেষ করেন। অন্যদিকে, শ্রীলঙ্কার রুমেশ পাথিরাগে সোনা জেতেন। ভারতের নীরজ চোপড়া রুপো ও যশবীর সিং ব্রোঞ্জ জিতে দক্ষিণ এশিয়ার জন্য ঐতিহাসিক ১-২-৩, তিন পজিশনেই পদক আনলেন। নাদিমের পারফরম্যান্স নিয়ে সমালোচনা বাড়তে থাকায় পাকিস্তানের বিভিন্ন সংবাদমাধ্যম জানায়, অলিম্পিক্স চ্যাম্পিয়নকে প্রতিযোগিতার আগে ভিন্নভাবে প্রস্তুতি নিতে হয়েছে। পাকিস্তান অ্যামেচার অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশনের সঙ্গে তাঁর দীর্ঘদিনের কোচ সলমন বাটকে রাখা নিয়ে বিরোধের জেরে নাকি নাদিম নিয়মিত প্রশিক্ষণের সাহায্য পাননি।
পিটিআই এক প্রতিবেদনে জানিয়েছে, কোচিং ব্যবস্থা নিয়ে মতবিরোধের জেরে গত বছর থেকেই পাকিস্তান অ্যামেচার অ্যাথলেটিক্স ফেডারেশন আর নাদিমকে পর্যাপ্ত সাহায্য করছে না। নিজের প্রশিক্ষণ নিয়ে নাদিমের যা যা প্রাপ্য ছিল, তা কিছুই দেয়নি পাকিস্তান স্পোর্টস বোর্ড। এমনকি বিদেশী কোচ বা প্রশিক্ষক নিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় অর্থও দেয়নি পিএসবি। অলিম্পিকে সাফল্য পাওয়ার আগে দক্ষিণ আফ্রিকার খ্যাতনামা কোচ টার্সিউস লিবেনবার্গের অধীনে প্রশিক্ষণ করেছিলেন তিনি। কিন্তু এবার সেই একই কোচকে চেয়েও না পাওয়ার ফলে লাহোরেই প্রস্তুতি নেন নাদিম। সেখানে স্থানীয় প্রশিক্ষকদের তত্ত্বাবধানে অনুশীলন করতে হয় তাঁকে।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, নাদিম খুব কম প্রতিযোগিতামূলক ম্যাচ খেলে গ্লাসগোতে পৌঁছেছিলেন। ২০২৬ সালে তিনি প্রস্তুতি হিসেবে শুধু সুইজারল্যান্ডের একটি প্রতিযোগিতায় অংশ নেন। এছাড়া পাকিস্তান ও স্কটল্যান্ডের আবহাওয়ার মধ্যে বৃহৎ পার্থক্য থাকলেও তিনি লাহোর অনুশীলন করেন। নাদিমের কোচ সলমনের মতে, দেশের সেরা এই ক্রীড়াবিদ নিজের ছন্দে ছিলেন না। এমনকি কমনওয়েলথের জন্য তাঁর পর্যাপ্ত প্রস্তুতিও পাওয়া হয়নি। আবার নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক কর্তার দাবি,অলিম্পিক্সে সোনা জেতার পর তিনি কিছুটা আত্মতুষ্ট হয়ে পড়েছিলেন। তাই তিনি বাকি প্রতিযোগিতাগুলিকে তেমন গুরুত্ব দেননি। ফলে কমনওয়েলথের শেষে আবার বিতর্ক পাক ক্রীড়ামহলে।