তিরে কাজের চাপ ও বিধায়ক
বিক্ষোভকারী আশাকর্মী মণিকা দাস বলেন, ‘চন্দনা বাউড়ির হুমকিতে অনেকে আতঙ্কিত হয়ে পড়েন। তারই জেরেই রুম্পার ব্রেন স্ট্রোক হয়।’ সেখানে হাজির হন জেলাশাসক অনীশ দাশগুপ্ত, মুখ্য স্বাস্থ্য আধিকারিক শ্যামল সোরেন, বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি ও বিল্লেশ্বর সিনহা। চন্দনার বক্তব্য, ‘উপভোক্তাদের সুবিধে অনুযায়ী কাজ করতে বলেছিলাম আশাকর্মীদের। তবে রুম্পার মৃত্যু কী কারণে হয়েছে, তা ময়না-তদন্তের পরেই জানা যাবে।’ আশাকর্মীদের দাবি, অবিলম্বে ই-কেওয়াইসির বাড়তি কাজের চাপ থেকে তাঁদের মুক্তি দিতে হবে এবং বিধায়ককে প্রকাশ্যে ক্ষমা চেয়ে পদত্যাগ করতে হবে।