Ayushman Bharat: 'আয়ুষ্মান ভারত'এর কাজ করতে গিয়ে কোথায় সমস্যা? কেন বিধায়কের ক্ষোভের শিকার আশাকর্মীরা? | Bankura mla chandana bauri slams asha workers over ayushman bharat e kyc irregularities in saltora - 24 Ghanta Bangla News
Home

Ayushman Bharat: ‘আয়ুষ্মান ভারত’এর কাজ করতে গিয়ে কোথায় সমস্যা? কেন বিধায়কের ক্ষোভের শিকার আশাকর্মীরা? | Bankura mla chandana bauri slams asha workers over ayushman bharat e kyc irregularities in saltora

Spread the love

বাঁকুড়া:  বাঁকুড়ার শালতোড়ায় আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্পের ই-কেওয়াইসি (e-KYC) প্রক্রিয়া নিয়ে আশাকর্মীদের একাংশের বিরুদ্ধে ক্ষোভ প্রকাশ করলেন শালতোড়ার বিধায়ক চন্দনা বাউরি। অভিযোগ, বহু আশাকর্মী গ্রামবাসীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিষেবা না দিয়ে নিজেদের বাড়িতে ডেকে ই-কেওয়াইসির কাজ করাচ্ছেন। এই অভিযোগ সামনে আসতেই গাড়ি থেকে নেমে আশাকর্মীদের তীব্র ভর্ৎসনা করেন বিধায়ক। বিধায়কের সেই ভিডিয়ো মুহূর্তের মধ্যে ভাইরাল হয়ে যায় সামাজিক মাধ্যমে।

ভাইরাল ভিডিয়োতে দেখা যাচ্ছে,  চন্দনা বাউরি স্পষ্ট ভাষায় কর্মরত আশা কর্মীদের বলছেন, আশাকর্মীদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে E-KYC করার কথা সেখানে উপভোক্তাদের কেন একটি নির্দিষ্ট জায়গায় ডেকে নেওয়া হচ্ছে। এরফলে সাধারণ মানুষ হয়রানি শিকার হচ্ছে। সরকারের বদনাম হচ্ছে। মানুষের সুবিধার জন্যই আশাকর্মীদের নিয়োগ করা হয়েছে। তাই বাড়ি বাড়ি গিয়ে পরিষেবা পৌঁছে দেওয়াই তাঁদের দায়িত্ব।

এ সময় কয়েকজন আশাকর্মী জানান, তাঁরা প্রযুক্তিগতভাবে কাজটি ঠিকমতো করতে পারছেন না এবং বাড়ির অন্য সদস্যদের সাহায্যে কাজ করাচ্ছেন। এর জবাবে বিধায়ক ধমকের সুরে প্রশ্ন তোলেন, “আপনারা কি টাকা দিয়ে চাকরি পেয়েছেন ? নিজের দায়িত্ব পালন করতে না পারলে সাধারণ মানুষকে কেন ভোগান্তির মুখে ফেলছেন ?”

গোটা ঘটনার ভিডিয়ো সামাজিক মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে বিধায়ক চন্দনা বাউড়ি বলেন, বেশ কিছু জায়গায় আশা কর্মীরা আয়ুষ্মান ভারতের E-KYC না করে তাঁদের স্বামীদের সিয়ে করাচ্ছেন। কোথাও কোথাও স্বামীদের ঔদ্ধত্য সীমা ছাড়িয়ে যাচ্ছে। এমনকি উপভোক্তাকে মারধোরের ঘটনাও ঘটেছে। এমনিতে আমনের মরসুম হওয়ায় সাধারণ ক্ষেতমজুররা এখন জমিতে ধান রোপণের কাজে ব্যস্ত। আয়ুষ্মান ভারতের E-KYC-র নামে ডেকে তাঁদের কর্মদিবস নষ্ট করা হচ্ছে। এরফলে সরকারের বদনাম হচ্ছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *