‘নিটে সফল’ ছেলের ফোন পেয়ে কান্না বাবার
বেলডাঙার আল আমিন মিশনের শাখা থেকে মাধ্যমিকে ৯৫ শতাংশ, উচ্চ মাধ্যমিকে সিউড়ি শাখা থেকে ৮৫ শতাংশ পেয়ে হাওড়া আল আমিন মিশনে টানা দু’বছর ‘নিট’-এর প্রস্তুতি নিয়েছিলেন সাইন। চাঁদবানু জানান, তাঁদের আর্থিক অবস্থা ভালো নয়। কিন্তু তিনি ছেলেমেয়েকে নিয়ে স্বপ্ন দেখেন। সংসার চালাতে বাড়তি আয়ের জন্য টেলারিংয়ের কাজ করেন তিনি। সাইনের বোন বহরমপুরে একটি বেসরকারি স্কুলে বিজ্ঞান বিভাগের একাদশ শ্রেণির ছাত্রী। তাঁরও ইচ্ছে ভবিষ্যতে দাদার মতো চিকিৎসক হবে। সাইনের কথায়, ‘আমি কলেজে ভর্তি না হয়ে গত দু’বছর ধরে ‘নিট’-এর জন্য পরিশ্রম করে গিয়েছি। এখন পরীক্ষার আগে প্রশ্নপত্র ফাঁস হলে পরীক্ষার্থী ও তাঁর পরিবারের সদস্যরা উপর দিয়ে যে কী পরিমাণ ঝড় বয়ে যায়, তা বাইরে থেকে কারও পক্ষে অনুভব করা সম্ভব নয় কখনও। আমিও ভেঙে পড়েছিলাম। নিজেকে শেষ করে দেওয়ার চিন্তা করেছিলাম। কিন্তু পরিবারের কথা ভেবে সেই অবস্থা কাটিয়ে উঠি। মায়ের কথায় মনের জোর পেয়েছিলাম। এই প্রশ্নফাঁসের জেরে যাঁরা আত্মঘাতী হলেন, তার দায় কে নেবে?’