ক্লিনিকে শশী পাঁজার যাওয়ার জল্পনা নিয়ে কী বললেন কাকলি?
Shashi Panja: গত কয়েকদিন ধরে সংবাদ শিরোনামে শশী পাঁজা। বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে শশী পাঁজাকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। এমনকী কোনও শিবিরের মিটিং-মিছিলেও যাচ্ছেন না তিনি।…
Shashi Panja: গত কয়েকদিন ধরে সংবাদ শিরোনামে শশী পাঁজা। বিধানসভা নির্বাচনের পর থেকে শশী পাঁজাকে কোথাও দেখা যাচ্ছে না। এমনকী কোনও শিবিরের মিটিং-মিছিলেও যাচ্ছেন না তিনি। এমতাবস্তায় সেই প্রাক্তন মন্ত্রীকে দেখা গিয়েছে কাকলি ঘোষ দস্তদারের ক্লিনিকে। এরপর থেকেই শুরু হয়েছে জল্পনা। রাজনীতির ক্ষেত্রে পরবর্তী পরিস্থিতি কী হতে চলেছে তা বেশ তাৎপর্যপূর্ণ। জল্পনার মাঝেই কাকলি জানিয়েছেন যে শশী পাঁজা প্রতিদিনই তাঁর ক্লিনিকে যান।
উল্লেখ্য, কাকলি ঘোষ দস্তিদারের ক্লিনিক রয়েছে হরিশ চ্যাটার্জি স্ট্রিটে। জল্পনা ছড়ায় যে সেখানেই যেতে দেখা গিয়েছে শশী পাঁজাকে। এই মর্মে কাকলিকে প্রশ্ন করা হলে কাকলি বলেন যে আর জি কর থেকে ডাক্তারি পড়া শেষ করা পর কাজ শেখেন কাকলির কাছে। তারপর থেকে প্রায় প্রতিদিন ক্লিনিকে যান তিনি।
কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান যে তাঁর ঘোষ দস্তিদার ফার্টিলিটি ক্লিনিকে বিশেষ একটি আল্ট্রাসাউন্ড করেন শশী। তিনি এই কাজটি প্রায় ৩০ থেকে ৩৫ বছর ধরে করেন। এনসিপিআই সাংসদ কাকলি জানান যে এই কারণেই তিনি ক্লিনিক যান এবং রোগীও দেখেন। কাকলি ঘোষ দস্তিদার জানান যে এটি কোনও বিচ্ছিন্ন ঘটনা নয়।
রবিবার বেলেঘাটার বিধায়ক কুণাল ঘোষ দাবি করেন যে পরাজয়ের পর থেকে শশী পাঁজা দলের সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করেন নি। কুণাল ঘোষ বলেন যে তিনি (শশী পাঁজা) দেশের বাইরে ছিলেন, ফিরে যোগাযোগ করবে বললেও তিনি করেননি। তবে রবিবারের পর আজ সোমবার কুণাল ঘোষ সমাজমাধ্যমে বার্তা দেন যাতে কেউ বিভ্রান্তি না ছড়ায়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় কুণাল ঘোষ লেখেন, “বেলেঘাটার বিধায়ক সোশ্যাল মিডিয়ায় লিখেছেন, “শশী পাঁজাকে নিয়ে কোনও প্রচারে বিভ্রান্তির মধ্যে পড়বেন না। যতক্ষণ না তাঁর নিজের বা দায়িত্বশীল কারও মুখ থেকে সুনির্দিষ্ট কিছু শুনছেন, ততক্ষণ বিষয়টি এড়িয়ে থাকাই ভালো।”