অবশেষে বেকসুর খালাস ব্রিজ ভূষণ - 24 Ghanta Bangla News
Home

অবশেষে বেকসুর খালাস ব্রিজ ভূষণ

Spread the love

নয়াদিল্লি: ভারতের ক্রীড়াজগতে অন্যতম আলোড়ন সৃষ্টিকারী আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে বড় রায় দিল দিল্লির একটি আদালত। সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, কুস্তি ফেডারেশনের (WFI) প্রাক্তন প্রধান…

নয়াদিল্লি: ভারতের ক্রীড়াজগতে অন্যতম আলোড়ন সৃষ্টিকারী আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে বড় রায় দিল দিল্লির একটি আদালত। সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, কুস্তি ফেডারেশনের (WFI) প্রাক্তন প্রধান ব্রিজ ভূষণ শরণ সিংকে ৬ জন মহিলা কুস্তিগীরের আনা যৌন হেনস্থার মামলা থেকে সম্পূর্ণ খালাস দেওয়া হয়েছে। এই রায়ের ফলে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা থেকে বড়সড় আইনি স্বস্তি পেলেন এই প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা বিজেপি-র প্রাক্তন সাংসদ।

২০২৩ সালে ভারতের প্রখ্যাত কুস্তিগীররা, যাঁদের মধ্যে ভিনেশ ফোগাট, সাক্ষী মালিক এবং বজরং পুনিয়ার মতো অলিম্পিক ও আন্তর্জাতিক পদকজয়ীরাও সামিল ছিলেন, ব্রিজ ভূষণ শরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার বিস্ফোরক অভিযোগ এনে দিল্লি যন্তর মন্তরে একটানা দীর্ঘ ধরনা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরবর্তীতে ভিনেশ ফোগাট প্রকাশ্যে জানান যে তিনি নিজেই ওই ছয় জন অভিযোগকারিণীর মধ্যে একজন। এই আন্দোলন দেশজুড়ে আলোড়ন ফেলে দেয় এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়ামহলেরও নজর কাড়ে।

২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে ৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা কুস্তিগীর কনট প্লেস থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করার পর দিল্লি পুলিশ দুটি এফআইআর নথিভুক্ত করে। যার মধ্যে একটি ছিল পকসো (POCSO) আইন সংক্রান্ত এবং অন্যটি প্রাপ্তবয়স্ক কুস্তিগীরদের করা যৌন হেনস্থা, শ্লীলতাহানি ও স্টকিংয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে। ২০২৩ সালের জুন মাসে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে এবং মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই দীর্ঘ শুনানির পর্বে প্রসিকিউশনের তরফে মোট ৩২ জন সাক্ষীকে জেরা করা হয়। চলতি বছরের জুলাই মাসের শুরুতে আইনি তর্কের সমাপ্তি ঘটে। অবশেষে সমস্ত তথ্য-প্রমাণ বিবেচনা করে সোমবার আদালত তাঁকে বেকসুর খালাস করার রায় দেয়। উল্লেখ্য, এর আগে অপ্রাপ্তবয়স্ক কুস্তিগীরের দায়ের করা পকসো মামলা থেকেও দিল্লি পুলিশের ক্লোজার রিপোর্ট গ্রহণ করে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।

“সত্যের জয় হয়েছে”: ব্রিজ ভূষণ

আদালতের রায়ের পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ব্রিজ ভূষণ শরণ সিং। তিনি শুরু থেকেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছিলেন যে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি নিজেই ফাঁসি নেবেন। সোমবার রায়ের পর তিনি বলেন, “আমি প্রথম দিন থেকেই বলেছিলাম অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে নিজের জীবন শেষ করে দেব। আজ আদালত আমাকে খালাস দেওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার এবং আমার সমর্থকদের জন্য এটি অত্যন্ত স্বস্তির খবর।”

তদন্ত ও আইনি লড়াইয়ের এই দীর্ঘ অধ্যায় শেষে আদালতের এই রায় ভারতীয় কুস্তিমহলে নতুন করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।ভারতের ক্রীড়াজগতে অন্যতম আলোড়ন সৃষ্টিকারী আইনি লড়াইয়ের অবসান ঘটিয়ে বড় রায় দিল দিল্লির একটি আদালত। সোমবার, ৩ আগস্ট ২০২৬, কুস্তি ফেডারেশনের (WFI) প্রাক্তন প্রধান ব্রিজ ভূষণ শরণ সিংকে ৬ জন মহিলা কুস্তিগীরের আনা যৌন হেনস্থার মামলা থেকে সম্পূর্ণ খালাস দেওয়া হয়েছে। এই রায়ের ফলে দীর্ঘদিনের আইনি জটিলতা থেকে বড়সড় আইনি স্বস্তি পেলেন এই প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা বিজেপি-র প্রাক্তন সাংসদ।

কী ছিল এই মামলার পটভূমি?

২০২৩ সালে ভারতের প্রখ্যাত কুস্তিগীররা, যাঁদের মধ্যে ভিনেশ ফোগাট, সাক্ষী মালিক এবং বজরং পুনিয়ার মতো অলিম্পিক ও আন্তর্জাতিক পদকজয়ীরাও সামিল ছিলেন, ব্রিজ ভূষণ শরণ সিংয়ের বিরুদ্ধে যৌন হেনস্থার বিস্ফোরক অভিযোগ এনে দিল্লি যন্তর মন্তরে একটানা দীর্ঘ ধরনা ও বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন। পরবর্তীতে ভিনেশ ফোগাট প্রকাশ্যে জানান যে তিনি নিজেই ওই ছয় জন অভিযোগকারিণীর মধ্যে একজন। এই আন্দোলন দেশজুড়ে আলোড়ন ফেলে দেয় এবং আন্তর্জাতিক ক্রীড়ামহলেরও নজর কাড়ে।

২০২৩ সালের এপ্রিল মাসে ৬ জন প্রাপ্তবয়স্ক মহিলা কুস্তিগীর কনট প্লেস থানায় আনুষ্ঠানিক অভিযোগ দায়ের করার পর দিল্লি পুলিশ দুটি এফআইআর নথিভুক্ত করে। যার মধ্যে একটি ছিল পকসো (POCSO) আইন সংক্রান্ত এবং অন্যটি প্রাপ্তবয়স্ক কুস্তিগীরদের করা যৌন হেনস্থা, শ্লীলতাহানি ও স্টকিংয়ের অভিযোগের ভিত্তিতে। ২০২৩ সালের জুন মাসে পুলিশ চার্জশিট দাখিল করে এবং মামলার বিচার প্রক্রিয়া শুরু হয়। এই দীর্ঘ শুনানির পর্বে প্রসিকিউশনের তরফে মোট ৩২ জন সাক্ষীকে জেরা করা হয়। চলতি বছরের জুলাই মাসের শুরুতে আইনি তর্কের সমাপ্তি ঘটে। অবশেষে সমস্ত তথ্য-প্রমাণ বিবেচনা করে সোমবার আদালত তাঁকে বেকসুর খালাস করার রায় দেয়। উল্লেখ্য, এর আগে অপ্রাপ্তবয়স্ক কুস্তিগীরের দায়ের করা পকসো মামলা থেকেও দিল্লি পুলিশের ক্লোজার রিপোর্ট গ্রহণ করে তাঁকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছিল।

“সত্যের জয় হয়েছে”: ব্রিজ ভূষণ

আদালতের রায়ের পর নিজের প্রতিক্রিয়া জানাতে গিয়ে স্বস্তি প্রকাশ করেছেন ব্রিজ ভূষণ শরণ সিং। তিনি শুরু থেকেই সমস্ত অভিযোগ অস্বীকার করে দাবি করেছিলেন যে তাঁর বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ প্রমাণিত হলে তিনি নিজেই ফাঁসি নেবেন। সোমবার রায়ের পর তিনি বলেন, “আমি প্রথম দিন থেকেই বলেছিলাম অভিযোগ সত্যি প্রমাণিত হলে নিজের জীবন শেষ করে দেব। আজ আদালত আমাকে খালাস দেওয়ায় আমি অত্যন্ত আনন্দিত। আমার এবং আমার সমর্থকদের জন্য এটি অত্যন্ত স্বস্তির খবর।”

খালি পায়ে ইতিহাস, ১১৫ বছর পরেও অমর মোহনবাগান দিবসের গৌরব

২০০০ কোটি ডলারের হাতছানি! বিশ্বকাপের বাণিজ্যিক স্বত্ব বিক্রির পরিকল্পনায় বিতর্কে FIFA

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *