ডিম কিন্তু অন্যদিকেও পড়তে পারে! সতর্কবার্তা শমীকের
বিধানসভা ভোটের প্রচারে শমীক ‘তোলাবাজি মুক্ত’ বাংলা গড়ার ডাক দিয়েছিলেন। কিন্তু বিজেপি সরকার তৈরি হওয়ার তিন মাস পরেও তোলাবাজি পুরোপুরি দূর করা যায়নি বলে এ দিন আক্ষেপ করতে দেখা যায় তাঁকে। রাজারহাটের ওই অনুষ্ঠানে তিনি বলেন, ‘আমরা চাই, পশ্চিমবঙ্গে একটা বাণিজ্যের পরিস্থিতি তৈরি হোক। দু’মাস হয়েছে, একটা সরকার প্রতিষ্ঠা হয়েছে।’ বঙ্গ–বিজেপি সভাপতির স্বীকারোক্তি, ‘যদি দলের পক্ষ থেকে আমি বলি, সব জায়গায় তোলাবাজি বন্ধ করতে পেরেছি, তা হলে ভুল বলা হবে। বিচ্যুতি আছে। সব কিছুর সমাধান করা যায়নি।’ তাঁর সংযোজন, ‘একটা সিন্ডিকেট রাজের সংস্কৃতি তৈরি হয়ে গিয়েছে বাংলায়। ক্ষমতার পট পরিবর্তনের সঙ্গে সঙ্গে সব পরিমণ্ডল বদলে গিয়েছে, এমনটা নয়।’ বিজেপির অনেকেও যে তোলাবাজি সংস্কৃতিতে জড়িয়ে পড়েছেন, সে কথা মনে করিয়ে দিয়ে শমীকের মন্তব্য, ‘আমাদের দলেরই কারও কারও সুপ্ত কিছু বাসনা ছিল। যেগুলি এত দিন অবদমিত ছিল, সেগুলি এখন ফুটে বেরোতে শুরু করেছে। এ সব অস্বীকার করলে মিথ্যাচার করা হবে। আমরা চেষ্টা করছি, দলের পক্ষ থেকে সেটা নিয়ন্ত্রণ করার। আবারও বলছি, পুরোপুরি করতে পেরেছি, এমনটা নয়। মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এগুলি বন্ধ করার জন্য আপ্রাণ চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছেন।’