Priyanka Gandhi: আইআইটি ডিরেক্টরকে 'গোমূত্র বিশেষজ্ঞ' তকমা, প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে খোলা চিঠি ২০০-র বেশি শিক্ষাবিদের | 215 vice chancellors and directors open letter to Priyanka Gandhi for her cow urine expert comment in Parliament - 24 Ghanta Bangla News
Home

Priyanka Gandhi: আইআইটি ডিরেক্টরকে ‘গোমূত্র বিশেষজ্ঞ’ তকমা, প্রিয়ঙ্কা গান্ধীকে খোলা চিঠি ২০০-র বেশি শিক্ষাবিদের | 215 vice chancellors and directors open letter to Priyanka Gandhi for her cow urine expert comment in Parliament

Spread the love

নয়া দিল্লি: দেশের অন্যতম সেরা প্রযুক্তি বিশেষজ্ঞ অধ্যাপক ভি কামাকোটিকে কেন ‘গৌমূত্র বিশেষজ্ঞ’ বলা হল, সেই প্রশ্ন তুলে প্রিয়াঙ্কা গান্ধীকে খোলা চিঠি দিলেন দেশের একাধিক বিশিষ্ট ব্যক্তি। সম্প্রতি সংসদে নিট তথা সামগ্রিক পরীক্ষা ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলে সর হন কংগ্রেস সাংসদ প্রিয়ঙ্কা গান্ধী। সেই বক্তব্যেই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর তৈরি করা ‘টাস্ক ফোর্স’ নিয়ে প্রশ্ন তোলেন প্রিয়ঙ্কা। সেখানেই তিনি আইআইটি মাদ্রাসের ডিরেক্টর ভি কামাকোটিকে কটাক্ষ করেছেন বলে অভিযোগ।

প্রিয়ঙ্কাকে দেওয়া খোলা চিঠিতে স্বাক্ষর করেছেন গান্ধীনগর আইআইটি, মুম্বই আইআইএম থেকে শুরু করে দেশের একাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ডিরেক্টর, বিভিন্ন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্যরা। তালিকায় রয়েছেন ২১৫ জন শিক্ষাবিদ। তাঁরা প্রশ্ন তুলেছেন, কেন সংসদের মতো জায়গায় এমন বিকৃত উপস্থাপনা করা হবে?

চিঠিতে প্রিয়ঙ্কার উদ্দেশে তাঁরা স্পষ্ট লিখেছেন, আইআইটি মাদ্রাসের ডিরেক্টরকে গৌমূত্র এক্সপার্ট বলায় আমরা হতাশ। এই ধরনের মন্তব্য শুধুমাত্র একজন ব্যক্তির মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে না। আরও বৃহত্তর উদ্বেগের কারণ হতে পারে বলে উল্লেখ করেছেন শিক্ষাবিদরা।

উল্লেখ করা হয়েছে যে ভি কামাকোটি ভারতের অন্যতম শীর্ষস্থানীয় একজন গবেষক, আইআইটি মাদ্রাজের ডিরেক্টর। তিনি আইআইটি মাদ্রাজ থেকেই কম্পিউটার সায়েন্স অ্যান্ড ইঞ্জিনিয়ারিংয়ে এমএস এবং পিএইচডি ডিগ্রি অর্জন করেছেন। তাঁর ১৫০টিরও বেশি গবেষণাপত্র রয়েছে, ৫০টিরও বেশি প্রকল্পের সঙ্গে যুক্ত ছিলেন তিনি। তাঁর ঝুলিতে রয়েছে একাধিক সম্মান-পুরস্কার। ডিআরডিও অ্যাকাডেমিক এক্সিলেন্স অ্যাওয়ার্ড এবং ইন্ডিয়ান ইলেকট্রনিক্স অ্যান্ড সেমিকন্ডাক্টর অ্যাসোসিয়েশন টেকনো ভিশনারি অ্যাওয়ার্ডের মতো পুরস্কার পেয়েছেন তিনি। ভারতের প্রথম মাইক্রোপ্রসেসর তৈরির ক্ষেত্রেও তিনিই ছিলেন পথপ্রদর্শক।

দুই শতাধিক শিক্ষাবিদের দাবি, একসময় যে সব ধারণাকে অসম্ভব বলে মনে করা হতো, তার মধ্যে অনেকগুলিই পরে বৈজ্ঞানিকভাবে সত্যি বলে প্রমাণিত হয়েছে। আবার, কখনও সেগুলি ব্যাপকভাবে গ্রহণযোগ্যও হয়ে উঠেছে। তাই সাংসদের এই ধরনের মন্তব্য দেশের শিক্ষাবিদ ও গবেষকমহলের কাছে ভালো বার্তা পৌঁছবে না বলেই মনে করছেন শিক্ষাবিদরা। মতভেদ থাকলেও উপহাস করা কখনই উচিৎ নয় বলে মন্তব্য করেছেন তিনি। এগুলি রাজনৈতিক বিদ্রূপের বিষয়বস্তু হওয়া উচিৎ বলেও মন্তব্য করা হয়েছে ওই চিঠিতে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *