চা কারখানা চালু রাখতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান কৃষকরা - 24 Ghanta Bangla News
Home

চা কারখানা চালু রাখতে মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করতে চান কৃষকরা

Spread the love

এই সময়, জলপাইগুড়ি: এ যেন উলট পুরাণ। এত দিন সরকারি প্রকল্পে জন্য জমি দিয়ে চাকরির দাবি করে এসেছেন জমিদাতারা। কিন্তু এ বার এলাকার উন্নয়ন এবং স্থানীয় যুবকদের কর্মসংস্থানের স্বার্থে শিল্প বাঁচানোর দাবিতে কারখানা কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হলেন স্থানীয় কৃষকরা। কয়েক মাস ধরে উৎপাদন বন্ধ রাজ্য সরকারের শিল্পবাণিজ্য দপ্তরের অধীনে থাকা জলপাইগুড়ি সদর ব্লকে থাকা ফার্মাসিউটিক্যাল অ্যান্ড ফাইটোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে। কারখানা চালু রাখতে সংস্থার ডেপুটি ডিরেক্টরের কাছে স্মারকলিপি দিয়েছেন জমিদাতারা। শুধু তাই নয়, রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীর দ্বারস্থ হওয়ার কথা জানিয়েছেন তাঁরা।

জলপাইগুড়ির স্টেট ফাইটোকেমিক্যাল কমপ্লেক্সে আখের ছিবড়া বা বর্জ্য থেকে অত্যন্ত দামি ‘প্রোটিন-মাটি’ তৈরি করা হয়েছিল আগেই। রাজ্য সরকারের এই গবেষণা কেন্দ্রে উৎপাদিত বিশেষ এই মাটি কৃষিক্ষেত্রে অভূতপূর্ব সাফল্য আনার পাশাপাশি উত্তরবঙ্গের অর্থনীতিতে নতুন দিগন্ত উন্মোচন করেছে। আগে ফাইটোনল জি আর, ফাইটোনল এম আই, ফাইটো ফ্রেস, ফাইটোলন জিঙ্ক প্রোডাক্ট তৈরি করা হতো। কিন্তু কয়েক মাস থেকে এই শিল্পকেন্দ্রে উৎপাদন বন্ধ হয়ে আছে বলে অভিযোগ। কেবল তাই নয় ধাপে ধাপে কর্মী সংখ্যাও কমানো হয়েছে।

বর্তমানে এই কেন্দ্রে একজন অফিসার, গ্রুপ ডি পদে এক জন, গ্রুপ সি একজন এবং গবেষনাগারে একজন চুক্তি ভিত্তিক কর্মী রয়েছেন। গবেষণাগারের ডেপুটি ডিরেক্টর সঞ্জিত গুহ স্বীকার করেছেন, একটা সময়ে এখানে ভালো উৎপাদন হতো। কিন্তু কিছু সমস্যা থাকার কারণে এখন উৎপাদন বন্ধ। তবে জমিদাতারা যে দাবি করেছেন সেটা তিনি উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠিয়ে দেবেন বলে জানিয়েছেন।

হার্বাল ওষুধের পাশাপাশি চা-গাছের অণুখাদ্য, গবেষনা এবং উৎপাদনের উদ্দেশ্য ফার্মাসিউটিক্যাল অ্যান্ড ফাইটোকেমিক্যাল কমপ্লেক্স গবেষণাগারে জন্য ১৯৯০ নাগাদ তোড়লপাড়া এলাকায় ৩৩ একর জমি অধিগ্রহণ করে বাম সরকার।

জমিতাদের মধ্যে স্থানীয় বাসিন্দা শ্যামল সরকার বলেন, ‘যখন সরকারের পক্ষ থেকে কৃষি জমি অধিগ্রহণ করা হয় তখন বলা হয়েছিল এখানে বড় আকারের গবেষণাগার এবং উৎপাদনের জন্য বড় শিল্প কারখানা তৈরি করা হবে। সেটা তো করা হয়নি উল্টে বর্তমানে দেখা যাচ্ছে কর্তৃপক্ষের উদাসীনতা জন্য সরকারি এই উদ্যোগ বন্ধ হয়ে যাচ্ছে। ফাইটোকেমিক্যালের হেড অফিস নদিয়ার কল্যাণীতে বসে থাকা কিছু আধিকারিকের মনোভাবের জন্য এই পরিস্থিতি।’

তাঁর দাবি, ‘গত সরকারের আমলে কল্যাণীর আধিকারিকদের একাংশ এই কারখানাটি বিক্রি করে দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছিল। অথচ একটা সময়ে এখান থেকে গাছের অনুখাদ্য, কাঁচা মাল উৎপাদন করে বাইরে পাঠানো হতো।’

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *