CJP Protest: মধ্যরাতে ফের সরকারের সঙ্গে তিন ঘণ্টার বৈঠক সিজেপির! আবারও কি আন্দোলনে নামবে ককরোচরা? | After Warning of Fresh Protest, CJP Claims Breakthrough in Talks With Centre
নয়া দিল্লি: প্রতিশ্রুতি দেওয়ার পরও তা পূরণ করছে না কেন্দ্র। সোমবার এমনই অভিযোগ তুলে ফের আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন সিজেপির (CJP Protest) মুখপাত্র সৌরভ দাস। তবে, এই হুঁশিয়ারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই অবস্থান বদল করল সিজেপি (CJP)। সোমবার মধ্যরাতে কেন্দ্রীয় সরকারের প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক করেন সৌরভ। বৈঠকের পরই এক্স হ্যান্ডেলে পোস্ট করে জানান, সরকারের তরফে একটি খসড়া দেখানো হয়েছে। যেখানে আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে সব মামলা প্রত্যাহারের দাবি করা হয়েছে।
কী দাবি ছিল সিজেপির?
ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগের পর দীর্ঘ দেড় মাসের আন্দোলনে ইতি টেনেছে ককরোচ জনতা পার্টি। ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ ছাড়াও সিজেপির আরও দুই দাবিও মেনে নিয়েছিল কেন্দ্রীয় সরকার। জে পি নড্ডা ও জিতেন্দ্র সিংয়ের সঙ্গে সাংবাদিক বৈঠকে সিজেপির দুই প্রতিনিধি জানিয়েছিলেন, পড়ুয়াদের নামে আন্দোলন করার জন্য যে সব মামলা হয়েছে, সেই সব মামলা তুলে নিতে রাজি হয়েছে সরকার। একইসঙ্গে আশ্বাস দেওয়া হয়েছিল, যেখানে যত মামলা হয়েছে, সেই সব মামলার তালিকা লিখিত আকারে সিজেপিকে সরকার দেবে। কিন্তু, অভিযোগ, সরকারের তরফে কিছুই দেওয়া হয়নি। মামলা তোলার বিষয়ে কোনও লিখিত দেওয়া হয়নি বলে অভিযোগ।
মধ্যরাতে বৈঠক
সোমবার রাতে এক্স হ্যান্ডেলে একটি পোস্ট করেন সৌরভ দাস। সেখানে জানান, সাংবাদিক বৈঠকের পরই সরকারের প্রতিনিধিরা CJP নেতৃত্বের সঙ্গে প্রায় তিন ঘণ্টা বৈঠক করেন। তাঁর দাবি, “বিহার ও অসম সরকারের খসড়া বিজ্ঞপ্তি দেখানো হয়েছে। সেখানে FIR প্রত্যাহার, আটক ব্যক্তিদের মুক্তি এবং ভবিষ্যতে কোনও ব্যবস্থা না নেওয়ার কথা উল্লেখ রয়েছে।”
সৌরভ দাস আরও জানান, কেন্দ্র এবং অন্যান্য বিজেপি ও NDA-শাসিত রাজ্যগুলিও মঙ্গলবারের মধ্যে একই ধরনের বিজ্ঞপ্তি জারি করবে বলে আশ্বাস দিয়েছে। পোস্টের শেষে তিনি লেখেন, “কোনও আন্দোলনকারী একা নন, আমরা সবাই একসঙ্গে রয়েছি।”
ডেডলাইন মঙ্গলবার
সোমবার কপিল সিব্বলকে পাশে নিয়ে সাংবাদিক বৈঠক করে CJP অভিযোগ করেছিল, কেন্দ্রের প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও আন্দোলনকারীদের বিরুদ্ধে পুলিশি পদক্ষেপ বন্ধ হয়নি। দলের দাবি, এখনও ছাত্রদের গ্রেফতার করা হচ্ছে এবং ভলান্টিয়ারদের ওপর নজরদারি চালানো হচ্ছে। হয়রানি করা হচ্ছে। সৌরভ দাস স্পষ্ট জানিয়েছিলেন, মঙ্গলবারের মধ্যে প্রতিশ্রুতির লিখিত চুক্তি না পেলে আমরা আবার আন্দোলন শুরু করতে বাধ্য হব।”