‘নোটিস না দিয়েই ভাঙচুর!’ আমতলায় অভিষেকের অফিস ভাঙায় স্থগিতাদেশ - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘নোটিস না দিয়েই ভাঙচুর!’ আমতলায় অভিষেকের অফিস ভাঙায় স্থগিতাদেশ

Spread the love

কলকাতা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় কার্যালয় ভাঙার নির্দেশের উপর আপাতত স্থগিতাদেশ বহাল রাখল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি শুভ্রা…

কলকাতা: দক্ষিণ ২৪ পরগনার আমতলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের দলীয় কার্যালয় ভাঙার নির্দেশের উপর আপাতত স্থগিতাদেশ বহাল রাখল কলকাতা হাই কোর্ট। মঙ্গলবার এই মামলার শুনানিতে বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ নির্দেশ দিয়েছেন, আগামী ৬ অগস্ট দুপুর ২টো পর্যন্ত এই স্থিতাবস্থাই বজায় থাকবে। ওই দিনই মামলাটির পরবর্তী শুনানি হবে। এর আগে গত ১৯ জুলাই ছুটির দিনে বিশেষ এজলাস বসিয়ে ওই কার্যালয় ভাঙার উপর অন্তর্বর্তীকালীন স্থগিতাদেশ বা স্থিতাবস্থা জারি করেছিল আদালত।

রাজ্যের বক্তব্য: মঙ্গলবার রাজ্যের অ্যাডভোকেট জেনারেল (এজি) সুরজিৎনাথ মিত্র আদালতে স্থগিতাদেশ তুলে নেওয়ার জন্য আবেদন করেন। রাজ্য জানায়, যে ৫০৯ ও ৫১২ নম্বর দাগের জমির নির্মাণ ভাঙা নিয়ে মামলা দায়ের হয়েছে, সেখানে আসলে কোনো ভাঙার কাজই করা হয়নি। ভাঙা হয়েছে সম্পূর্ণ আলাদা একটি দাগের নির্মাণে। তাই আদালতের আগের নির্দেশ প্রত্যাহার করা হোক।

অভিষেকের পক্ষের যুক্তি: অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের সংস্থা ‘লিপস্ অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর আইনজীবী কিশোর দত্ত স্থিতাবস্থার মেয়াদবৃদ্ধির আবেদন জানান। তিনি দাবি করেন, জমির দাগ নম্বর নিয়ে বিভ্রান্তি থাকলে তা তারা লিখিতভাবে জানাবেন। তাঁর মক্কেলই জমির বৈধ মালিক, কিন্তু কোনো রকম নোটিস না দিয়েই এবং কোনো বক্তব্য রাখার সুযোগ না দিয়েই ভবনটি ভাঙা হয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী মালিকপক্ষকে ভাঙার সুযোগ দেওয়ার কথা থাকলেও তা মানা হয়নি। তৃণমূলের তরফেও আইনজীবী অয়ন ভট্টাচার্য ভাঙার নির্দেশের বিরুদ্ধে পৃথক আবেদন জানান।

উভয় পক্ষের সওয়াল শোনার পর বিচারপতি শুভ্রা ঘোষ জানান, এই মামলা সংক্রান্ত তিনটি আলাদা আবেদন জমা পড়ায় সব ক’টি বিষয় একসঙ্গে খতিয়ে দেখা প্রয়োজন। তাই আগামী ৬ অগস্ট পর্যন্ত মামলার শুনানি স্থগিত রাখা হয়েছে।

পুরো ঘটনার প্রেক্ষাপট

আমতলার ওই পাঁচতলা ভবনটি বেআইনিভাবে তৈরি হয়েছে, এই অভিযোগ তুলে সুশান্ত মণ্ডল নামে এক ব্যক্তি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন। জেলা প্রশাসন সূত্রে খবর, ‘লিপ্‌স অ্যান্ড বাউন্ডস’-এর নামে থাকা এই জমির বিষয়ে গত ৩০ জুন এবং ৭ জুলাই নোটিস পাঠানো হলেও শুনানিতে কেউ হাজির হননি। তবে ডায়মন্ড হারবারের সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় এই অভিযোগ উড়িয়ে দাবি করেন, সমস্ত নিয়ম মেনে এবং বৈধ নকশামাফিকই ওই ভবনটি নির্মাণ করা হয়েছিল। গত ১৮ জুলাই ভবনটির কিছু অংশ ভাঙার কাজ শুরু হয় এবং ১৯ জুলাই বুলডোজার ও আধুনিক যন্ত্রপাতি দিয়ে তা ভাঙার চেষ্টা চলে। এর পরেই আইনি সুরক্ষার জন্য হাই কোর্টের দ্বারস্থ হয় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষ।

মার্চ থেকে মেলেনি ফান্ড, হাওড়া সহ রাজ্যের স্কুলে মিড-ডে মিলে চরম সংকট

সাতসকালে পুলিশের বাজেয়াপ্ত করা বাজিতে আগুন ধরে বারাসাতে জোর ধামাকা

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *