বিচারে বিলম্বে ক্ষোভ আইসির রিপোর্টে, জামিন অভিযুক্তের
বিষ্ণুপুর থানার ওই আইসি–র বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ারও নির্দেশ দিয়েছে হাইকোর্ট। আদালতের প্রস্তাব, সম্ভব হলে তাঁকে আর কোনও থানার দায়িত্বে না রাখার বিষয়টি বিবেচনা করতে হবে ডিজিকে। আদালতের পর্যবেক্ষণ, ২০২৫–এর অগস্টে এই অভিযুক্তের জামিনের আবেদন খারিজের সময়ে রাজ্যের তরফে জানানো হয়েছিল, মাত্র তিন জন সাক্ষীর সাক্ষ্যগ্রহণ বাকি। কিন্তু এক বছর কেটে গেলেও সেই সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়নি। থানার আইসি–র রিপোর্টেও গত এক বছরে মামলায় কী অগ্রগতি হয়েছে, তার কোনও উল্লেখ নেই। বিচারপতি ঘোষের মতে, আইসি–র রিপোর্টে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য গোপন করে তুচ্ছ বিষয় তুলে ধরা হয়েছে, যা বিচারপ্রক্রিয়াকে বিভ্রান্ত করার সামিল। এই ধরনের রিপোর্ট গ্রহণযোগ্য নয়।