পড়ুয়া–হীন স্কুলে পদ প্রত্যাহার, শিক্ষকদের ট্রান্সফার নীতিতে ফের বদল রাজ্যের
FAQ
শিক্ষক বদলির সংশোধিত নির্দেশিকায় (SOP) মূল পরিবর্তনটি কী?
সংশোধিত নির্দেশিকা অনুযায়ী, স্কুলে উদ্বৃত্ত (সারপ্লাস) শিক্ষক বদলির ক্ষেত্রে অপেক্ষাকৃত কমবয়সি ও নবীন শিক্ষকদের কথা আগে বিবেচনা করা হবে। প্রবীণ শিক্ষকরা এই ক্ষেত্রে বদলির তালিকা থেকে ছাড় পাবেন।
প্রবীণ শিক্ষকরা কি বদলির কোনও সুযোগ পাবেন না?
প্রবীণ শিক্ষকরা জোরপূর্বক বদলির ক্ষেত্রে ছাড় পেলেও, তাঁরা যদি নিজেরা উদ্বৃত্ত শিক্ষক হিসেবে অন্যত্র বদলি হতে চান, তবে স্বেচ্ছায় সেই আবেদন করতে পারবেন।
এর আগের নিয়মে কী বলা হয়েছিল এবং কেন তা পরিবর্তন করা হলো?
গত ১৫ জুলাইয়ের বিজ্ঞপ্তিতে প্রবীণ শিক্ষকদের আগে সারপ্লাস বা উদ্বৃত্ত হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু শিক্ষকদের একাংশ আপত্তি জানিয়ে বলেন যে ৫৭ বছরের বেশি বয়সি কোনও শিক্ষককে সারপ্লাস হিসেবে বিবেচনা করা যায় না। শিক্ষকদের এই আপত্তির কারণেই নিয়মে ফের বদল আনা হয়।
পড়ুয়া-হীন বা শূন্য পড়ুয়ার স্কুলগুলির ক্ষেত্রে শিক্ষা দপ্তরের নতুন নীতি কী?
পড়ুয়া নেই এমন স্কুলগুলির তালিকা প্রথমে তৈরি করা হবে। কোনও স্কুলে পড়ুয়া না থাকলে, অথচ শিক্ষক পদ অনুমোদিত থাকলে, রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় নির্দেশিকা জারি করে সেই পদ প্রত্যাহার করতে পারবে।
প্রত্যাহার করা শিক্ষকদের কোথায় পাঠানো হবে?
শূন্য বা কম ছাত্র থাকা স্কুলের শিক্ষকদের বদলি করে সেই সব স্কুলে পাঠানো হবে, যেখানে বেশি সংখ্যায় পড়ুয়া আছে বা নির্দিষ্ট বিষয়ের শিক্ষকের খুব প্রয়োজন রয়েছে।
পড়ুয়া না থাকার কারণে কোনও স্কুল বন্ধ হয়ে গেলে তার দায়িত্ব কে নেবেন?
স্কুল বন্ধ করতে হলে এবং শিক্ষক-অশিক্ষক কর্মীদের অন্যত্র বদলি করা হলে, সংশ্লিষ্ট সাব ইনস্পেক্টর (এসআই) ওই স্কুলগুলির কাস্টোডিয়ান বা রক্ষক হিসেবে দায়িত্ব নেবেন। তিনিই অবিলম্বে স্কুলের স্থাবর সম্পত্তির বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানাবেন।