Green Bangles in Shravan: শ্রাবণে হাতে সবুজ চুড়ি পরছেন? এই ভুল করলেই মহাবিপদ! রুষ্ট হতে পারেন মহাদেব! | Green Bangles in Shravan: Astro Rules and Spiritual Importance - 24 Ghanta Bangla News
Home

Green Bangles in Shravan: শ্রাবণে হাতে সবুজ চুড়ি পরছেন? এই ভুল করলেই মহাবিপদ! রুষ্ট হতে পারেন মহাদেব! | Green Bangles in Shravan: Astro Rules and Spiritual Importance

Spread the love

সবুজ চুড়ি (Green Bangles) কেবল সৌভাগ্যের প্রতীক বা সাজগোজের অনুষঙ্গ নয়, শ্রাবণ মাসে এর গুরুত্ব অত্যন্ত গভীর। বৈদিক জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী, সবুজ রং হল বুধ গ্রহের প্রতীক, যা বুদ্ধিমত্তা, সমৃদ্ধি ও যোগাযোগের কারক। অন্যদিকে, শ্রাবণ মাস হল প্রকৃতি ও শিব-পার্বতীর ঐশ্বরিক মিলনের সময়। মা পার্বতী প্রকৃতির রূপ এবং মহাদেব স্বয়ং পুরুষের প্রতীক। তাই শ্রাবণে নারীদের হাতে সবুজ চুড়ি ধারণ করার অর্থ হল প্রকৃতি ও মা পার্বতীর প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করা, যা সংসারে সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য ও সৌভাগ্য বয়ে আনে। তবে ইচ্ছে হলেই বাজার থেকে কিনে এনে হাতে পরে নিলে কোনও লাভ হয় না। কাঙ্ক্ষিত ফল পেতে মেনে চলতে হবে নির্দিষ্ট কিছু নিয়ম।

কী কী নিয়ম মানলে মিলবে আশীর্বাদ?

শুভ দিন নির্বাচন: শ্রাবণে নতুন সবুজ চুড়ি কেনা এবং ধারণ করার জন্য সবচেয়ে আদর্শ দিন হল শুক্রবার ও রবিবার। শুক্রবার দেবী পার্বতীর দিন এবং রবিবার ইতিবাচক শক্তির প্রতীক।

যে দিনগুলি এড়িয়ে চলবেন: জ্যোতিষশাস্ত্র অনুযায়ী মঙ্গলবার ও শনিবার সবুজ চুড়ি কেনা বা পরা একেবারেই অনুচিত। এই দুই দিনে বুধের বিপরীত শক্তি সক্রিয় থাকে বলে মনে করা হয়।

সর্বদা নতুন চুড়ি: আলমারিতে জমে থাকা পুরনো সবুজ চুড়ি পরলে কোনও বৈদিক সুফল পাওয়া যায় না। বাজার থেকে একদম নতুন চুড়ি কিনে এনে তবেই পরা শাস্ত্রসম্মত।

পুজোর বিধান: নতুন চুড়ি কিনে এনে সরাসরি হাতে গলাবেন না। প্রথমে তা মা পার্বতীর চরণে বা বিগ্রহের সামনে রেখে জল ও সিঁদুর ছিটিয়ে দিন। ছোট একটি পুজো বা প্রণাম নিবেদন করে মায়ের আশীর্বাদ স্বরূপ সেই চুড়ি হাতে ধারণ করুন।

সঠিক সময় (সূর্যাস্তের নিয়ম): দিনের আলো থাকতে থাকতেই, অর্থাৎ সূর্যাস্তের আগেই চুড়ি পরা সম্পন্ন করতে হবে। সন্ধ্যাবেলায় বা রাতে সবুজ চুড়ি পরা শাস্ত্রে নিষিদ্ধ।

ভাঙা বা ফাটা চুড়ির ক্ষেত্রে করণীয়: সবুজ চুড়িতে সামান্যতম ফাটল ধরলে বা চিড় খেলে তা তৎক্ষণাৎ হাত থেকে খুলে ফেলা উচিত। খণ্ডিত বা ভাঙা চুড়ি ধারণ করলে অশুভ শক্তি আকর্ষণ করতে পারে।

এই প্রতিবেদনে উল্লিখিত সমস্ত তথ্য প্রচলিত জ্যোতিষশাস্ত্র, পৌরাণিক বিশ্বাস এবং ধর্মীয় লোকপ্রথার ওপর ভিত্তি করে লিখিত। এর বৈজ্ঞানিক ভিত্তি বা প্রমাণ নিয়ে কোনোও দাবি করা হয় না। স্থান ও কাল ভেদে এই সকল শাস্ত্রীয় নিয়মের ভিন্নতা থাকতে পারে। সর্বাঙ্গীন ফলের জন্য অভিজ্ঞ জ্যোতিষী বা বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া বাঞ্ছনীয়।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *