Baruipur: বারুইপুরবাসীর জন্য সুখবর! এলাকায় ২৪ ঘণ্টা নজর রাখবে ২৮০টি HD CCTV, পাওয়ারগ্রিডের সঙ্গে চুক্তি স্বাক্ষর | POWERGRID Signs MoU to Install 280 HD CCTV Cameras Across Baruipur Police District under CSR Initiative
পাওয়ারগ্রিডের সঙ্গে স্বাক্ষর হল চুক্তি।Image Credit: TV9 বাংলা
বারুইপুর: গ্রামোন্নয়ন ও জনপরিকাঠামোর উন্নয়নে বড় উদ্যোগ পাওয়ার গ্রিড কর্পোরেশন অব ইন্ডিয়া লিমিটেডের (POWERGRID)। কর্পোরেট সামাজিক দায়বদ্ধতা (CSR)-এর অধীনে বারুইপুরের ১৫৬টি গুরুত্বপূর্ণ জায়গায় গুরুত্বপূর্ণ ট্রানজিট পয়েন্ট ও সংবেদনশীল এলাকায় মোট ২৮০টি হাই-ডেফিনিশন (HD) সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে।
বারুইপুরের সুরক্ষা ও নিরাপত্তা নিশ্চিত করতেই এই উদ্যোগ। এই মর্মে গত ২৩ জুলাই পুলিশ সুপারের (SP) অফিসে একটি সমঝোতা স্মারক বা মউ (MoU) স্বাক্ষর করে পাওয়ারগ্রিড। চুক্তি অনুযায়ী, দক্ষিণ ২৪ পরগনার বারুইপুর পুলিশ জেলার ১৫৬টি জায়গা ট্রানজিট পয়েন্ট ও সংবেদনশীল এলাকায় মোট ২৮০টি হাই-ডেফিনিশন (HD) সিসিটিভি ক্যামেরা বসানো হবে। এর জন্য খরচ হবে প্রায় ১৯.৯৮ লক্ষ টাকা।
পাওয়ারগ্রিডের তরফে জানানো হয়েছে, এই প্রকল্পের মূল উদ্দেশ্য হল জনগণের নিরাপত্তা বাড়ানো, আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় বাহিনীর নজরদারি আরও শক্তিশালী করা এবং আধুনিক নজরদারি পরিকাঠামো গড়ে তোলা। গুরুত্বপূর্ণ এলাকাগুলিতে নজরদারি ব্যবস্থা উন্নত হওয়ায় অপরাধ রুখতে সাহায্য মিলবে। এলাকার বাসিন্দাদের জন্য আরও নিরাপদ পরিবেশ তৈরি করা সম্ভব হবে।
এই উদ্যোগের মাধ্যমে গ্রামীণ ও শহরতলী এলাকায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা আরও উন্নত হবে, সাধারণ মানুষের বিশ্বাস বাড়বে। নজরদারির মাধ্যমে প্রশাসনিক শাসনব্যবস্থা আরও শক্তিশালী হবে এবং এলাকার সামাজিক ও অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড নিরাপদ পরিবেশে পরিচালিত হতে পারবে বলে আশা করা হচ্ছে।
এই মউ স্বাক্ষর করেন পাওয়ারগ্রিডের সিনিয়র জেনারেল ম্যানেজার সন্দীপ কুমার বারিক এবং বারুইপুর পুলিশ জেলার পুলিশ সুপার (IPS) ড. অরবিন্দ কুমার আনন্দ।
বারুইপুর পুলিশ সুপারের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন পাওয়ারগ্রিডের চিফ জেনারেল ম্যানেজার (CGM) এ. কে. সিং, বারুইপুর পুলিশ জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (Addl. SP) সৌম্যজিৎ বড়ুয়া, ডিএসপি অরূপ মুখোপাধ্যায়। পাশাপাশি পাওয়ারগ্রিড ও বারুইপুর পুলিশ জেলার অন্যান্য ঊর্ধ্বতন আধিকারিকরাও উপস্থিত ছিলেন।
পাওয়ারগ্রিড জানিয়েছে, তাদের এই উদ্যোগ নিরাপত্তা ও গ্রামীণ পরিকাঠামো উন্নয়নের প্রতি সংস্থার অঙ্গীকারের প্রতিফলন। নজরদারি ব্যবস্থা, কমিউনিটির নিরাপত্তা এবং সামগ্রিক সুশাসনকে আরও শক্তিশালী করাই এই প্রকল্পের লক্ষ্য।