'হাসিনার মত দেশ ছেড়ে পালাতে হবে মোদীকে!' বিস্ফোরক শঙ্করাচার্য - 24 Ghanta Bangla News
Home

‘হাসিনার মত দেশ ছেড়ে পালাতে হবে মোদীকে!’ বিস্ফোরক শঙ্করাচার্য

Spread the love

নয়াদিল্লি: শঙ্করাচার্য মুক্তেশ্বরানন্দের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক (Shankaracharya)অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ভারত ছেড়ে পালিয়ে যেতে হবে…

নয়াদিল্লি: শঙ্করাচার্য মুক্তেশ্বরানন্দের বিতর্কিত মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক (Shankaracharya)অঙ্গনে তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়েছে। সোশ্যাল মিডিয়ায় এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, “প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে ভারত ছেড়ে পালিয়ে যেতে হবে এবং অন্য কোথাও আশ্রয় নিতে হবে, ঠিক যেভাবে তিনি শেখ হাসিনাকে আশ্রয় দিয়েছেন।” এরপরই তিনি নিজেকে “সন্ত” বলে উল্লেখ করে ব্যঙ্গাত্মকভাবে লেখেন, “তাঁকে গালাগালি করবেন না, তিনি রাজনৈতিক নন।”

এই মন্তব্য প্রকাশ্যে আসার পর বিজেপি এবং অন্যান্য জাতীয়তাবাদী সংগঠনগুলো তীব্র প্রতিক্রিয়া ব্যক্ত করেছে। অনেকে একে প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ঘৃণামূলক ও উসকানিমূলক বক্তব্য বলে অভিহিত করেছেন। বিজেপি নেতারা বলছেন, এ ধরনের মন্তব্য দেশের সার্বভৌমত্ব ও প্রধানমন্ত্রীর মর্যাদার প্রতি অবমাননাকর। কয়েকটি সংগঠন ইতিমধ্যে মুক্তেশ্বরানন্দের বিরুদ্ধে আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি জানিয়েছে।

আরও দেখুনঃ

মুক্তেশ্বরানন্দ নিজেকে একজন সাধু বা আধ্যাত্মিক ব্যক্তিত্ব হিসেবে পরিচয় দেন। তাঁর অনেক অনুসারী রয়েছে। কিন্তু এই ধরনের রাজনৈতিক মন্তব্য তাঁর সন্তের ভাবমূর্তির সঙ্গে সাংঘর্ষিক বলে সমালোচকরা মনে করছেন। বিরোধীরা অবশ্য তাঁর বক্তব্যকে বাকস্বাধীনতার অংশ বলে দাবি করছেন। তবে সোশ্যাল মিডিয়ায় সাধারণ মানুষের মধ্যে এই পোস্টটি ব্যাপক আলোচিত হচ্ছে। অনেকে তাঁকে “সন্ত সার” বলে ব্যঙ্গ করে পাল্টা পোস্ট করছেন।

শেখ হাসিনা প্রসঙ্গটি এখানে অত্যন্ত স্পর্শকাতর। বাংলাদেশের সাম্প্রতিক রাজনৈতিক অস্থিরতার পর শেখ হাসিনা ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। ভারত সরকার মানবিক কারণে তাঁকে আশ্রয় দিয়েছে বলে জানিয়েছে। রাজনৈতিক বিশ্লেষকরা বলছেন, এ ধরনের তুলনা শুধু অশোভনই নয়, দুই দেশের সম্পর্ককেও প্রভাবিত করতে পারে।এই ঘটনায় সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্মগুলোতে তুমুল বিতর্ক চলছে।

আরও দেখুনঃ

কেউ কেউ মুক্তেশ্বরানন্দের সমর্থনে বলছেন যে, তিনি সরকারের সমালোচনা করার অধিকার রাখেন। অন্যরা বলছেন, সন্তের পরিচয় দিয়ে রাজনৈতিক উসকানি দেওয়া অনুচিত। বিশেষ করে যখন দেশের প্রধানমন্ত্রীকে দেশত্যাগের হুমকি দেওয়া হয়, তখন তা গুরুতর আইনি বিষয় হয়ে দাঁড়ায়।

দিল্লি পুলিশ ও অন্যান্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ এই মন্তব্যের তদন্ত শুরু করেছে কি না, তা এখনও স্পষ্ট নয়। তবে বিজেপি নেতারা দাবি করেছেন যে, এ ধরনের বক্তব্যকে উপেক্ষা করা উচিত নয়। একজন বিজেপি মুখপাত্র বলেন, “যারা সন্তের আড়ালে দেশ ও প্রধানমন্ত্রীর বিরুদ্ধে বিষ ছড়ান, তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। ধর্মের নামে রাজনীতি করা দেশের জন্য ক্ষতিকর।”

আরও দেখুনঃ

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *