আন্দোলন হিংসাত্মক হওয়ার নেপথ্যে ২৫৫ সন্দেহভাজন? নজরে একাধিক পাক সোশ্যাল মিডিয়া অ্যাকাউন্ট
যদিও পুলিশ সূত্রের খবর, ভিডিয়ো ফুটেজ থেকে যে সন্দেহভাজনদের চিহ্নিত করা হয়েছে, তারাই প্রথমে দিল্লি পুলিশের জওয়ানদের উপরে হামলা চালায়৷ এর পরে আত্মরক্ষার স্বার্থে পুলিশকে লাঠিচার্জ করতে হয়। যদিও পুলিশের দাবি, যে ২৫৫ জন সন্দেহভাজনের কথা বলা হচ্ছে, বুধবার রাতের অশান্তির ঘটনার পরে বৃহস্পতিবার সকালে আর তাদের যন্তর মন্তরের ধর্নাস্থলে দেখা যায়নি৷ ফেশিয়াল রেকগনিশন প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে তাঁরা এই সন্দেহভাজনদের শনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছেন৷ পাশাপাশি দিল্লি লাগোয়া পাঞ্জাব, উত্তরপ্রদেশ, হরিয়ানা, রাজস্থানের মতো রাজ্যগুলির পুলিশের সঙ্গে যোগাযোগ করে সেখানেও এই সন্দেহভাজনদের খোঁজে তল্লাশি চালানো হবে৷ ঘটনাস্থল থেকে যাতে ভিডিয়ো–ছবি ছড়িয়ে অশান্তি তৈরির চেষ্টা না–হয়, তার জন্য মাঝেমধ্যেই যন্তর মন্তর ও সংলগ্ন এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখা হচ্ছে। তারপরেও কিছু নির্দিষ্ট অ্যাপ ব্যবহার করে কোনও কোনও মহল থেকে কিছু ছবি–ভিডিয়ো ছড়িয়ে অশান্তি তৈরির পরিকল্পনা হচ্ছে বলেও দিল্লি পুলিশের একটি সূত্রের খবর। সোশ্যাল মিডিয়ায় এ নিয়ে উস্কানিমূলক কোনও মন্তব্য করা হচ্ছে কি না, সেটাও নজরে রাখছে পুলিশ।