বনগাঁ সীমান্ত: অনুপ্রবেশ সিন্ডিকেটে তদন্ত - 24 Ghanta Bangla News
Home

বনগাঁ সীমান্ত: অনুপ্রবেশ সিন্ডিকেটে তদন্ত

Spread the love

এই সময়, বনগাঁ: অনুপ্রবেশের ক্ষেত্রে সিন্ডিকেট চালানোর অন্যতম পান্ডা, তৃণমূলের পঞ্চায়েত সদস্য সাহাবুদ্দিন মণ্ডলকে গত মে মাসে গ্রেপ্তার করে বনগাঁ থানা। রাজ্যে পালাবদলের পরে অস্ত্র মামলায় পুলিশ তাকে অ্যারেস্ট করলেও পরে তদন্তভার নেয় জাতীয় তদন্তকারী সংস্থা (এনআইএ)। এই চক্রে জড়িত বাকিদের হদিশ পেতে বনগাঁ সীমান্ত লাগোয়া গ্রামগুলিতে তদন্তে নেমেছেন সংস্থার অফিসাররা।

বেশ ক’জনের নামও জানতে পেরেছেন তাঁরা। এরা হলো রামচন্দ্রপুর-ভিড়া গ্রামেরই দুখে ওরফে হারুন রশিদ, বাগদার রণঘাট এলাকার খয়রুল, রানা এবং আজহারুল, হাওড়ার রাজু ও নদিয়ার দত্তফুলিয়ার রাশেদ। সাহাবুদ্দিনের হয়ে কাজ করত এরা। তদন্তকারীদের সন্দেহ, বাংলাদেশের সিম ব্যবহার করে অরক্ষিত সীমান্ত বরাবর ‘অপারেশন’ চালাত চক্রটি। বাংলাদেশি অনুপ্রবেশকারীদের ভারতে থাকা, নথিপত্রের ব্যবস্থাও করে দিত এই সিন্ডিকেট। এই অনুপ্রবেশকারীদের কলকাতা-সহ রাজ্যের একাধিক শহরে পৌঁছে দেওয়ার জন্য সাহাবুদ্দিন ও তার দলবল বিপুল অঙ্কের টাকা নিত বলে তদন্তকারীদের দাবি।

বনগাঁ থেকে বাগদা ব্লকের ভারত-বাংলাদেশ সীমান্ত বরাবর বেশ কিছু জায়গায় কাঁটাতার নেই, তার উপরে অনেক এলাকায় রয়েছে নদী। সেগুলি এত বছর অরক্ষিত থেকেছে, যার সুযোগে বাংলাদেশ থেকে অবৈধ ভাবে ভারতে ঢুকেছে বহু মানুষ। এই অনুপ্রবেশ সিন্ডিকেটের অন্যতম ‘কিংপিন’ হিসেবে উঠে আসে বনগাঁর ঘাটবাওড় পঞ্চায়েতের এককালের দাপুটে নেতা সাহাবুদ্দিনের নাম।

এনআইএ সূত্রের খবর, বনগাঁর সীমান্ত লাগোয়া রামচন্দ্রপুর-ভিড়া গ্রামে সাহাবুদ্দিনের বাড়ি। সেখানে ছোট ব্যবসার আড়ালে বৈদেশিক মুদ্রার কেনাবেচাও করত সে। টাকাপয়সার পাশাপাশি পঞ্চায়েত সদস্য হওয়ায় রাজনৈতিক ক্ষমতাও ছিল সাহাবুদ্দিনের। এই দু’য়ের জেরে দাপুটে ওই নেতা অনুপ্রবেশ চক্র চালাত বলে মনে করছে এনআইএ।

তদন্তকারীদের ধারণা, সিন্ডিকেটের মাধ্যমে জঙ্গিরা ভারতে ঢুকেছে, নাশকতামূলক কাজকর্মের জন্য টাকাপয়সার লেনদেনও হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখছে এনআইএ।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *