দেখা নেই পুরপ্রধানের, খন্দপথে বাড়ছে বিপদ - 24 Ghanta Bangla News
Home

দেখা নেই পুরপ্রধানের, খন্দপথে বাড়ছে বিপদ

Spread the love

দিব্যেন্দু সরকার, আরামবাগ

রাজ্যে পালাবদলের পর থেকেই ঘরবন্দি তৃণমূলের কাউন্সিলাররা। কেউ জেলবন্দি, কেউ গা ঢাকা দিয়ে রয়েছেন। পুর-প্রধানেরও দেখা মিলছে না। ফলে পুরসভার কাজকর্ম শিকেয় উঠেছে। তার জেরে আরামবাগ শহরে বহু রাস্তারই এখন একেবারেই বেহাল দশা। বেশ কিছু রাস্তা যান চলাচলের অযোগ্য হয়ে উঠেছে। তার জেরে বাড়ছে দুর্ঘটনা। খন্দভরা রাস্তায় চলতে গিয়ে বিকল হয়ে যাচ্ছে যানবাহন। ফলে রোজ দুর্ভোগের সম্মুখীন হচ্ছেন সাধারণ বাসিন্দারা।

পুরসভা সূত্রে জানা গিয়েছে, বিধানসভা নির্বাচনের চার মাস আগে থেকেই সব ধরনের উন্নয়নের কাজ বন্ধ রয়েছে। নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পরে প্রায় তিনমাস হতে চলল। কিন্তু আরামবাগ পুরসভা এখনও স্বাভাবিক ছন্দে ফেরেনি। অভিযোগ, অধিকাংশ কাউন্সিলারের দেখা পাওয়া যাচ্ছে না। দেখা নেই পুরপ্রধান সমীর ভাণ্ডারীর। ফলে রাস্তা মৃত্যুফাঁদে পরিণত হলেও কারও কাছে নালিশ জানাতে পারছেন না আম নাগরিকরা। পুরসভার আধিকারিকরাও এ নিয়ে গা করছেন না। তার ফল ভুগতে হচ্ছে সাধারণ মানুষকে। বিশেষত আরামবাগ শহরের বিভিন্ন ওয়ার্ডে রাস্তার অবস্থা খুবই খারাপ। আরামবাগ শহরের উপর দিয়েই চলে গিয়েছে আরামবাগ-কলকাতা রাজ্য সড়ক। সেই রাস্তার দায়িত্বভার পূর্ত দপ্তরের।

সেই রাস্তা নিয়মিত মে রামত হলেও ভিতরের রাস্তার হাল খুবই খারাপ। পুরসভায় ১৯টি ওয়ার্ডের মধ্যে ১টি বিজেপির দখলে। বাকি সমস্ত ওয়ার্ড তৃণমূলের হাতে রয়েছে। কিন্তু ভোটের ফল বেরোনোর পর থেকে দিকে দিকে তৃণমূল নেতারা হেনস্থার শিকার হওয়ায় তাঁরা হাত গুটিয়ে নিয়েছেন।

একমাত্র ব্যতিক্রম আরামবাগ পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিজেপি কাউন্সিলার তথা পুরসভার বিরোধী দলনেতা বিশ্বজিৎ ঘোষ। একমাত্র তাঁকেই এলাকায় দেখতে পাওয়া যাচ্ছে। তবে তিনিও ইঙ্গিত দিয়েছেন, নতুন করে পুর নির্বাচন না হওয়া পর্যন্ত এই অচলাবস্থা চলবে। তিনি বলেন, ‘গোটা শহরের বিভিন্ন র রাস্তার হাল সত্যিই খুব খারাপ। কিন্তু আমাদের কিছু করার নেই। চেয়ারম্যান, ভাইস চেয়ারম্যান আসছেন না। আপাতত পুরসভার এগজ়িকিউটিভ অফিসারকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। তবে এখনই আমরা মানুষকে কথা দিতে পারছি না যে, রাতারাতি রাস্তা ঠিক হয়ে যাবে। সাধারণ মানুষকে হয়তো কিছুদিন দুর্ভোগ সহ্য করতে হবে।’

স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, দীর্ঘ ছ’মাস অথবা তারও বেশি সময় ধরে আরামবাগ পুরসভার ১৯ নম্বর ওয়ার্ডের বিবেকানন্দ পল্লি, ২ নম্বর ওয়ার্ডের পারুল থেকে মাঠপাড়া, পিসি সেন রোড, ৪ নম্বর ওয়ার্ডের বাজার এলাকা, ৬ নম্বর ওয়ার্ডের মডার্ন পল্লি, ১১ ও ১৪ নম্বর ওয়ার্ডের বসন্তপুর, বেনেপুকুর, বাসুদেবপুর থেকে আমতলা স্টেশন রোড পর্যন্ত রাস্তা খানাখন্দে ভরে রয়েছে।’ চেয়ারম্যান সমীর ভাণ্ডারীর সঙ্গে যোগাযোগ করা যায়নি।

Source link

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *